আমদানিকৃত ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক

আমদানিকৃত ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ৪৬

মার্কিন ডলারের নোট এবং ঔষধ। ছবি: রয়টার্স
দীর্ঘদিনের হুমকির পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত পেটেন্ট ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত জানায়। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের উৎপাদন বাড়িয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো।
বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর এ শুল্ক প্রযোজ্য না হওয়ায় এর তাৎক্ষণিক প্রভাব নেই। এছাড়া রপ্তানিকারক কোম্পানিগুলো মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এ বিশাল শুল্ক এড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ক চুক্তি সম্পন্ন করেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও অনেক কোম্পানি একই পথে হাঁটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক শন সুলিভানের মতে, এ পদক্ষেপের আসল উদ্দেশ্য হলো বাকি কোম্পানিগুলোকে দরকষাকষির টেবিলে আসতে বাধ্য করা। হোয়াইট হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অর্থাৎ ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন উৎপাদন শুরুর প্রতিশ্রুতি দেবে, তাদের জন্য শুল্ক কমিয়ে মাত্র ২০ শতাংশ করা হবে। আর সরকারের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণের চুক্তি করলে, যেমন- সরকারি স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচি ‘মেডিকেইড’ এ নির্দিষ্ট বিদেশি বাজারের সমান দামে ওষুধ বিক্রি করতে রাজি হলে, শুল্ক পুরোপুরি শূন্যে নেমে আসবে। এ চুক্তি করার জন্য বড় কোম্পানিগুলোকে ১২০ দিন এবং ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলোকে ১৮০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। প্রশাসন জানিয়েছে, যথেষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়ার পরই এ নীতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তারা।
নতুন এ নিয়মের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ইউরোপ, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অংশীদারদের সঙ্গে করা কম শুল্কের চুক্তিগুলোও বহাল রাখছে। বিশেষ করে গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে হওয়া চুক্তির আওতায় ব্রিটিশ রোগীদের জন্য এনএইচএস বেশি মূল্য পরিশোধ করলেও, যুক্তরাজ্যে তৈরি ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে তিন বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। বিষয়টিকে ব্রিটিশ অর্থনীতি ও রোগীদের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে দেশটির সরকার, যা ক্যান্সার চিকিৎসার মতো সুবিধাগুলো দ্রুত নিশ্চিত করবে।
অন্যদিকে, ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফ্র্যাঙ্ক এ নীতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন, বড় কোম্পানিগুলো সহজেই চুক্তি করে পার পেলেও ছোট কোম্পানিগুলো ব্যাপক খরচের ঝুঁকিতে পড়বে এবং বিস্তারিত নির্দেশনার ওপরই এর আসল সাফল্য নির্ভর করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তাদের এ শুল্ক আরোপের হুমকির ফলে ওষুধ কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৯ সালের জানুয়ারির পর কম শুল্কের এ বিশেষ সুযোগ আর থাকবে না। এদিকে একই দিন এক ভিন্ন ঘোষণায় ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার ওপর আরোপিত শুল্ক নীতিতেও কিছুটা পরিবর্তন এনে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ধাতব উপাদান না থাকা পণ্যগুলোকে শুল্কমুক্ত রাখার কথা জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
সূত্র: বিবিসি

দীর্ঘদিনের হুমকির পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত পেটেন্ট ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত জানায়। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের উৎপাদন বাড়িয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো।
বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর এ শুল্ক প্রযোজ্য না হওয়ায় এর তাৎক্ষণিক প্রভাব নেই। এছাড়া রপ্তানিকারক কোম্পানিগুলো মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এ বিশাল শুল্ক এড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ক চুক্তি সম্পন্ন করেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও অনেক কোম্পানি একই পথে হাঁটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক শন সুলিভানের মতে, এ পদক্ষেপের আসল উদ্দেশ্য হলো বাকি কোম্পানিগুলোকে দরকষাকষির টেবিলে আসতে বাধ্য করা। হোয়াইট হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অর্থাৎ ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন উৎপাদন শুরুর প্রতিশ্রুতি দেবে, তাদের জন্য শুল্ক কমিয়ে মাত্র ২০ শতাংশ করা হবে। আর সরকারের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণের চুক্তি করলে, যেমন- সরকারি স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচি ‘মেডিকেইড’ এ নির্দিষ্ট বিদেশি বাজারের সমান দামে ওষুধ বিক্রি করতে রাজি হলে, শুল্ক পুরোপুরি শূন্যে নেমে আসবে। এ চুক্তি করার জন্য বড় কোম্পানিগুলোকে ১২০ দিন এবং ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলোকে ১৮০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। প্রশাসন জানিয়েছে, যথেষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়ার পরই এ নীতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তারা।
নতুন এ নিয়মের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ইউরোপ, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অংশীদারদের সঙ্গে করা কম শুল্কের চুক্তিগুলোও বহাল রাখছে। বিশেষ করে গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে হওয়া চুক্তির আওতায় ব্রিটিশ রোগীদের জন্য এনএইচএস বেশি মূল্য পরিশোধ করলেও, যুক্তরাজ্যে তৈরি ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে তিন বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। বিষয়টিকে ব্রিটিশ অর্থনীতি ও রোগীদের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে দেশটির সরকার, যা ক্যান্সার চিকিৎসার মতো সুবিধাগুলো দ্রুত নিশ্চিত করবে।
অন্যদিকে, ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফ্র্যাঙ্ক এ নীতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন, বড় কোম্পানিগুলো সহজেই চুক্তি করে পার পেলেও ছোট কোম্পানিগুলো ব্যাপক খরচের ঝুঁকিতে পড়বে এবং বিস্তারিত নির্দেশনার ওপরই এর আসল সাফল্য নির্ভর করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তাদের এ শুল্ক আরোপের হুমকির ফলে ওষুধ কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৯ সালের জানুয়ারির পর কম শুল্কের এ বিশেষ সুযোগ আর থাকবে না। এদিকে একই দিন এক ভিন্ন ঘোষণায় ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার ওপর আরোপিত শুল্ক নীতিতেও কিছুটা পরিবর্তন এনে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ধাতব উপাদান না থাকা পণ্যগুলোকে শুল্কমুক্ত রাখার কথা জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
সূত্র: বিবিসি

আমদানিকৃত ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ৪৬

মার্কিন ডলারের নোট এবং ঔষধ। ছবি: রয়টার্স
দীর্ঘদিনের হুমকির পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত পেটেন্ট ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত জানায়। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের উৎপাদন বাড়িয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো।
বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর এ শুল্ক প্রযোজ্য না হওয়ায় এর তাৎক্ষণিক প্রভাব নেই। এছাড়া রপ্তানিকারক কোম্পানিগুলো মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এ বিশাল শুল্ক এড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ক চুক্তি সম্পন্ন করেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও অনেক কোম্পানি একই পথে হাঁটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক শন সুলিভানের মতে, এ পদক্ষেপের আসল উদ্দেশ্য হলো বাকি কোম্পানিগুলোকে দরকষাকষির টেবিলে আসতে বাধ্য করা। হোয়াইট হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অর্থাৎ ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন উৎপাদন শুরুর প্রতিশ্রুতি দেবে, তাদের জন্য শুল্ক কমিয়ে মাত্র ২০ শতাংশ করা হবে। আর সরকারের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণের চুক্তি করলে, যেমন- সরকারি স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচি ‘মেডিকেইড’ এ নির্দিষ্ট বিদেশি বাজারের সমান দামে ওষুধ বিক্রি করতে রাজি হলে, শুল্ক পুরোপুরি শূন্যে নেমে আসবে। এ চুক্তি করার জন্য বড় কোম্পানিগুলোকে ১২০ দিন এবং ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলোকে ১৮০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। প্রশাসন জানিয়েছে, যথেষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়ার পরই এ নীতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তারা।
নতুন এ নিয়মের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ইউরোপ, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অংশীদারদের সঙ্গে করা কম শুল্কের চুক্তিগুলোও বহাল রাখছে। বিশেষ করে গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে হওয়া চুক্তির আওতায় ব্রিটিশ রোগীদের জন্য এনএইচএস বেশি মূল্য পরিশোধ করলেও, যুক্তরাজ্যে তৈরি ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে তিন বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। বিষয়টিকে ব্রিটিশ অর্থনীতি ও রোগীদের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে দেশটির সরকার, যা ক্যান্সার চিকিৎসার মতো সুবিধাগুলো দ্রুত নিশ্চিত করবে।
অন্যদিকে, ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফ্র্যাঙ্ক এ নীতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন, বড় কোম্পানিগুলো সহজেই চুক্তি করে পার পেলেও ছোট কোম্পানিগুলো ব্যাপক খরচের ঝুঁকিতে পড়বে এবং বিস্তারিত নির্দেশনার ওপরই এর আসল সাফল্য নির্ভর করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, তাদের এ শুল্ক আরোপের হুমকির ফলে ওষুধ কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৯ সালের জানুয়ারির পর কম শুল্কের এ বিশেষ সুযোগ আর থাকবে না। এদিকে একই দিন এক ভিন্ন ঘোষণায় ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার ওপর আরোপিত শুল্ক নীতিতেও কিছুটা পরিবর্তন এনে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ধাতব উপাদান না থাকা পণ্যগুলোকে শুল্কমুক্ত রাখার কথা জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
সূত্র: বিবিসি
/এমএকে/




