শিরোনাম

ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের নির্মাণ ব্যয় ও মেয়াদ বাড়লো

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের নির্মাণ ব্যয় ও মেয়াদ বাড়লো
একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অন্যরা। ছবি: পিএমও

ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের নির্মাণের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়িয়ে ২য় বারের মতো সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ সংশোধনসহ মোট ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের নির্মাণের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়িয়ে ২য় বারের মতো সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ সংশোধনসহ মোট ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলোর মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের (২য় সংশোধন)’ মেয়াদ ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে এর ব্যয় আরও ৯ হাজার ৪৯২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ দাঁড়াচ্ছে ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এটি বাস্তবায়ন করছে।

সভায় ৩টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পগুলো হলো– (১) সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (জিএসআইডিপি-২) (১ম সংশোধন) প্রকল্প; (২) ‘বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’ এবং (৩) পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণসহ ৫টি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। বাকিগুলো হলো– দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট বিভাগ (৩য় সংশোধন)’ এবং ‘প্রকল্প (২) ১টি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং ২টি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২) খনন’ প্রকল্প।

এছাড়া, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে বিদ্যমান কিডনী ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং জেলা সদর হাসপাতালসমূহে ১০ শয্যার কিডনী ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন ( ২য় সংশোধন)’ অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ইতোমধ্যে অনুমোদিত ১১টি প্রকল্প সম্পর্কেও একনেককে অবহিত করেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস স্থাপন, বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, বিভিন্ন মহাসড়ক উন্নয়ন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো, পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিড সম্প্রসারণ এবং বিটাকের নতুন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

/এফআর/