পদ হারালেন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র

পদ হারালেন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সোমবার (২০ জুলাই) সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। এ বিক্ষোভ চলাকালে সিজেপির মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়া বার্গার খাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই সংগঠনটি তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
সিজেপি জানিয়েছে, মিছিলের মতো সংবেদনশীল সময়ে তার এই ধরণের আচরণ বিচারবুদ্ধির চরম অভাব এবং আন্দোলনের মূল নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এ পদক্ষেপের পর একটি ভিডিও বার্তায় দাহিয়া জানিয়েছেন, তিনি যা কিছু করেন তা নিজের ইচ্ছাতেই করেন এবং এর জন্য তিনি কারও কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন।
আত্মপক্ষ সমর্থনে নতুন একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিজেতা দাহিয়া বলেন, মানুষ ক্ষুধার কারণেই বার্গার খায় এবং তিনি এ বিষয়টিকে অযথা বড় করে দেখার কোনো কারণ দেখছেন না। ভিডিওতে তিনি আবারও বার্গারে কামড় দিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের পরামর্শ দেন সাধারণ মানুষকে না জড়িয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইতে।
এর আগে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির প্রতিবাদে সিজেপি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংসদ অভিমুখে একটি বড় প্রতিবাদ মিছিল করার চেষ্টা করেন। মিছিলটি সংসদের দিকে এগোনোর সময় দিল্লি পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করলে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারীসহ ১৭৮ জন আহত হন। আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে তার ২১ দিনের অনশন ভাঙা হয়েছিল। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের এমন নির্মম আচরণের প্রতিবাদে তিনি হাসপাতালে বসেই পুনরায় অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সিজেপির দুই নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবিনামা পেশ করেছেন। নাড্ডা এই বৈঠককে সৌহার্দ্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, আলোচনার উদ্যোগ সিজেপির পক্ষ থেকেই নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, এই ঘটনার পরদিন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হলে দিল্লির রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তাদের সেই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সোমবার (২০ জুলাই) সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। এ বিক্ষোভ চলাকালে সিজেপির মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়া বার্গার খাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই সংগঠনটি তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
সিজেপি জানিয়েছে, মিছিলের মতো সংবেদনশীল সময়ে তার এই ধরণের আচরণ বিচারবুদ্ধির চরম অভাব এবং আন্দোলনের মূল নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এ পদক্ষেপের পর একটি ভিডিও বার্তায় দাহিয়া জানিয়েছেন, তিনি যা কিছু করেন তা নিজের ইচ্ছাতেই করেন এবং এর জন্য তিনি কারও কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন।
আত্মপক্ষ সমর্থনে নতুন একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিজেতা দাহিয়া বলেন, মানুষ ক্ষুধার কারণেই বার্গার খায় এবং তিনি এ বিষয়টিকে অযথা বড় করে দেখার কোনো কারণ দেখছেন না। ভিডিওতে তিনি আবারও বার্গারে কামড় দিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের পরামর্শ দেন সাধারণ মানুষকে না জড়িয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইতে।
এর আগে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির প্রতিবাদে সিজেপি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংসদ অভিমুখে একটি বড় প্রতিবাদ মিছিল করার চেষ্টা করেন। মিছিলটি সংসদের দিকে এগোনোর সময় দিল্লি পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করলে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারীসহ ১৭৮ জন আহত হন। আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে তার ২১ দিনের অনশন ভাঙা হয়েছিল। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের এমন নির্মম আচরণের প্রতিবাদে তিনি হাসপাতালে বসেই পুনরায় অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সিজেপির দুই নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবিনামা পেশ করেছেন। নাড্ডা এই বৈঠককে সৌহার্দ্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, আলোচনার উদ্যোগ সিজেপির পক্ষ থেকেই নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, এই ঘটনার পরদিন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হলে দিল্লির রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তাদের সেই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
সূত্র: এনডিটিভি

পদ হারালেন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সোমবার (২০ জুলাই) সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। এ বিক্ষোভ চলাকালে সিজেপির মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়া বার্গার খাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই সংগঠনটি তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
সিজেপি জানিয়েছে, মিছিলের মতো সংবেদনশীল সময়ে তার এই ধরণের আচরণ বিচারবুদ্ধির চরম অভাব এবং আন্দোলনের মূল নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এ পদক্ষেপের পর একটি ভিডিও বার্তায় দাহিয়া জানিয়েছেন, তিনি যা কিছু করেন তা নিজের ইচ্ছাতেই করেন এবং এর জন্য তিনি কারও কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন।
আত্মপক্ষ সমর্থনে নতুন একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিজেতা দাহিয়া বলেন, মানুষ ক্ষুধার কারণেই বার্গার খায় এবং তিনি এ বিষয়টিকে অযথা বড় করে দেখার কোনো কারণ দেখছেন না। ভিডিওতে তিনি আবারও বার্গারে কামড় দিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের পরামর্শ দেন সাধারণ মানুষকে না জড়িয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইতে।
এর আগে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির প্রতিবাদে সিজেপি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংসদ অভিমুখে একটি বড় প্রতিবাদ মিছিল করার চেষ্টা করেন। মিছিলটি সংসদের দিকে এগোনোর সময় দিল্লি পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করলে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারীসহ ১৭৮ জন আহত হন। আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে তার ২১ দিনের অনশন ভাঙা হয়েছিল। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের এমন নির্মম আচরণের প্রতিবাদে তিনি হাসপাতালে বসেই পুনরায় অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।
এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সিজেপির দুই নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবিনামা পেশ করেছেন। নাড্ডা এই বৈঠককে সৌহার্দ্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, আলোচনার উদ্যোগ সিজেপির পক্ষ থেকেই নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, এই ঘটনার পরদিন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হলে দিল্লির রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তাদের সেই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
সূত্র: এনডিটিভি

হঠাৎ কী ঘটলো দিল্লির রাজপথে







