জাতিসংঘের বিশেষ দূত আলবানেজের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

জাতিসংঘের বিশেষ দূত আলবানেজের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

প্রায় এক বছর পর ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সিসকা আলবানেজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এতে সরকারের নীতিগত অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এক আদালতের রায়ের কারণে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে আলবানেজের নাম সরিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তবে আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে সরকার। সুযোগ পেলে তাকে আবারও বিশেষভাবে চিহ্নিত নিষিদ্ধ ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে সবচেয়ে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিলেন আলবানেজ। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। ওই তালিকায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামও ছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন।
আলবানেজ ইতালির নাগরিক হলেও তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং দেশটিতে তার সম্পদও রয়েছে।
অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে তার পরিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। মামলায় বলা হয়, আলবানেজের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তার সাংবিধানিক অধিকার, বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর ফলে আলবানেজ তার ব্যাংক হিসাব, অ্যাপার্টমেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকারও হারান।
পরে গত ১৩ মে মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রিচার্ড লিওন বাদীপক্ষের পক্ষে রায় দেন এবং আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে প্রাথমিক আদেশ জারি করেন।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রায় এক বছর পর ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সিসকা আলবানেজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এতে সরকারের নীতিগত অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এক আদালতের রায়ের কারণে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে আলবানেজের নাম সরিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তবে আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে সরকার। সুযোগ পেলে তাকে আবারও বিশেষভাবে চিহ্নিত নিষিদ্ধ ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে সবচেয়ে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিলেন আলবানেজ। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। ওই তালিকায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামও ছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন।
আলবানেজ ইতালির নাগরিক হলেও তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং দেশটিতে তার সম্পদও রয়েছে।
অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে তার পরিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। মামলায় বলা হয়, আলবানেজের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তার সাংবিধানিক অধিকার, বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর ফলে আলবানেজ তার ব্যাংক হিসাব, অ্যাপার্টমেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকারও হারান।
পরে গত ১৩ মে মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রিচার্ড লিওন বাদীপক্ষের পক্ষে রায় দেন এবং আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে প্রাথমিক আদেশ জারি করেন।
সূত্র: আল জাজিরা

জাতিসংঘের বিশেষ দূত আলবানেজের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

প্রায় এক বছর পর ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সিসকা আলবানেজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এতে সরকারের নীতিগত অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এক আদালতের রায়ের কারণে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে আলবানেজের নাম সরিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তবে আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে সরকার। সুযোগ পেলে তাকে আবারও বিশেষভাবে চিহ্নিত নিষিদ্ধ ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে সবচেয়ে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিলেন আলবানেজ। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সুপারিশ করেছিলেন তিনি। ওই তালিকায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামও ছিল। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন।
আলবানেজ ইতালির নাগরিক হলেও তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং দেশটিতে তার সম্পদও রয়েছে।
অন্যদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে তার পরিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। মামলায় বলা হয়, আলবানেজের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তার সাংবিধানিক অধিকার, বিশেষ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর ফলে আলবানেজ তার ব্যাংক হিসাব, অ্যাপার্টমেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকারও হারান।
পরে গত ১৩ মে মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রিচার্ড লিওন বাদীপক্ষের পক্ষে রায় দেন এবং আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে প্রাথমিক আদেশ জারি করেন।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭২,৬০৮

