আফ্রিকায় স্বর্ণের খনি ধসে নিহত শতাধিক

আফ্রিকায় স্বর্ণের খনি ধসে নিহত শতাধিক
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের (সিএআর) পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বর্ণের খনি ধসে একশ জনের বেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্যামেরুন সীমান্তের কাছাকাছি এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মী ও সাহায্যকর্মীরা।
বাবুয়া শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের ওই খনিতে বেশ কয়েকটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বালু ও কাদার বিশাল স্রোত নেমে এসে পুরো এলাকা ঢেকে ফেলে। ঘটনাস্থলে থাকা সিড্রিক মবাঙ্গো নামে এক খনি শ্রমিক বলেন, ভূমি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে মানুষ চাপা পড়েছে। স্থানীয় প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ার কারণেই শ্রমিকরা মাটির নিচে আটকা পড়েন।
রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক জার্ভাইস গানাগোরোহ ও স্থানীয় একটি খনি সমিতি নিশ্চিত করেছে, ধসে পড়া স্থান থেকে ইতোমধ্যে ১০০টিরও বেশি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে ক্যামেরুনের নাগরিকও রয়েছেন। মাটির নিচে ঠিক কতজন আটকা পড়ে আছেন তা এখনো অজানা। জাম্বোয়ে যুব পরিষদের সদস্য বার্ট্রান্ড বে ইয়াংগুয়ে বলেন, আটকা পড়াদের জীবিত খুঁজে পাওয়াটা অলৌকিক ঘটনা হবে।
উদ্ধার অভিযানে ট্র্যাক্টরসহ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষদের বাঁচানোর ক্ষেত্রে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিএআর কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই অঞ্চলে চরম বেকারত্বের কারণে তরুণরা বাধ্য হয়ে জীবন বাজি রেখে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত খনিতে কাজ করতে যান। পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় সেখানে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। চলতি বছরেই দেশটির বিভিন্ন খনিতে দুর্ঘটনায় অন্তত ৪০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের (সিএআর) পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বর্ণের খনি ধসে একশ জনের বেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্যামেরুন সীমান্তের কাছাকাছি এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মী ও সাহায্যকর্মীরা।
বাবুয়া শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের ওই খনিতে বেশ কয়েকটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বালু ও কাদার বিশাল স্রোত নেমে এসে পুরো এলাকা ঢেকে ফেলে। ঘটনাস্থলে থাকা সিড্রিক মবাঙ্গো নামে এক খনি শ্রমিক বলেন, ভূমি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে মানুষ চাপা পড়েছে। স্থানীয় প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ার কারণেই শ্রমিকরা মাটির নিচে আটকা পড়েন।
রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক জার্ভাইস গানাগোরোহ ও স্থানীয় একটি খনি সমিতি নিশ্চিত করেছে, ধসে পড়া স্থান থেকে ইতোমধ্যে ১০০টিরও বেশি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে ক্যামেরুনের নাগরিকও রয়েছেন। মাটির নিচে ঠিক কতজন আটকা পড়ে আছেন তা এখনো অজানা। জাম্বোয়ে যুব পরিষদের সদস্য বার্ট্রান্ড বে ইয়াংগুয়ে বলেন, আটকা পড়াদের জীবিত খুঁজে পাওয়াটা অলৌকিক ঘটনা হবে।
উদ্ধার অভিযানে ট্র্যাক্টরসহ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষদের বাঁচানোর ক্ষেত্রে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিএআর কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই অঞ্চলে চরম বেকারত্বের কারণে তরুণরা বাধ্য হয়ে জীবন বাজি রেখে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত খনিতে কাজ করতে যান। পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় সেখানে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। চলতি বছরেই দেশটির বিভিন্ন খনিতে দুর্ঘটনায় অন্তত ৪০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আফ্রিকায় স্বর্ণের খনি ধসে নিহত শতাধিক
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের (সিএআর) পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বর্ণের খনি ধসে একশ জনের বেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্যামেরুন সীমান্তের কাছাকাছি এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মী ও সাহায্যকর্মীরা।
বাবুয়া শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের ওই খনিতে বেশ কয়েকটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বালু ও কাদার বিশাল স্রোত নেমে এসে পুরো এলাকা ঢেকে ফেলে। ঘটনাস্থলে থাকা সিড্রিক মবাঙ্গো নামে এক খনি শ্রমিক বলেন, ভূমি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে মানুষ চাপা পড়েছে। স্থানীয় প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ার কারণেই শ্রমিকরা মাটির নিচে আটকা পড়েন।
রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক জার্ভাইস গানাগোরোহ ও স্থানীয় একটি খনি সমিতি নিশ্চিত করেছে, ধসে পড়া স্থান থেকে ইতোমধ্যে ১০০টিরও বেশি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে ক্যামেরুনের নাগরিকও রয়েছেন। মাটির নিচে ঠিক কতজন আটকা পড়ে আছেন তা এখনো অজানা। জাম্বোয়ে যুব পরিষদের সদস্য বার্ট্রান্ড বে ইয়াংগুয়ে বলেন, আটকা পড়াদের জীবিত খুঁজে পাওয়াটা অলৌকিক ঘটনা হবে।
উদ্ধার অভিযানে ট্র্যাক্টরসহ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষদের বাঁচানোর ক্ষেত্রে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিএআর কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই অঞ্চলে চরম বেকারত্বের কারণে তরুণরা বাধ্য হয়ে জীবন বাজি রেখে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত খনিতে কাজ করতে যান। পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় সেখানে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। চলতি বছরেই দেশটির বিভিন্ন খনিতে দুর্ঘটনায় অন্তত ৪০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত







