প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার ভারতের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার ভারতের
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর এবং আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েন নতুন মোড় নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করেছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি হিসেবে পূর্ণ মহড়ার কারণে শনিবারের (২২ আগস্ট) নিয়মিত ‘গার্ড পরিবর্তন’ অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা বলা হয় বিবৃতিতে। কিন্তু প্রকাশের ঠিক এক ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ায় ঢাকার অবস্থানের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বরফ গলানোর এক ধরনের চেষ্টা দেখা গেছে। সম্প্রতি মঙ্গলবার ঢাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সে ইঙ্গিতই দেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানের সফরকে স্মরণীয় করে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তবে ভারতের এ নমনীয় বার্তার বিপরীতে ঢাকার দিক থেকে কিছুটা সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক সম্মানের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উপযুক্ত পরিবেশ এবং দিল্লির পক্ষ থেকে একটি মর্যাদাপূর্ণ আমন্ত্রণ না পেলে প্রধানমন্ত্রীর এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণই থাকবে। ফলে রাষ্ট্রপতি ভবনের হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল এবং দুই পক্ষের দূরত্বের কারণে এ সফর শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিক টাইমস

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর এবং আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েন নতুন মোড় নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করেছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি হিসেবে পূর্ণ মহড়ার কারণে শনিবারের (২২ আগস্ট) নিয়মিত ‘গার্ড পরিবর্তন’ অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা বলা হয় বিবৃতিতে। কিন্তু প্রকাশের ঠিক এক ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ায় ঢাকার অবস্থানের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বরফ গলানোর এক ধরনের চেষ্টা দেখা গেছে। সম্প্রতি মঙ্গলবার ঢাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সে ইঙ্গিতই দেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানের সফরকে স্মরণীয় করে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তবে ভারতের এ নমনীয় বার্তার বিপরীতে ঢাকার দিক থেকে কিছুটা সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক সম্মানের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উপযুক্ত পরিবেশ এবং দিল্লির পক্ষ থেকে একটি মর্যাদাপূর্ণ আমন্ত্রণ না পেলে প্রধানমন্ত্রীর এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণই থাকবে। ফলে রাষ্ট্রপতি ভবনের হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল এবং দুই পক্ষের দূরত্বের কারণে এ সফর শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিক টাইমস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার ভারতের
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর এবং আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েন নতুন মোড় নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করেছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি হিসেবে পূর্ণ মহড়ার কারণে শনিবারের (২২ আগস্ট) নিয়মিত ‘গার্ড পরিবর্তন’ অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা বলা হয় বিবৃতিতে। কিন্তু প্রকাশের ঠিক এক ঘণ্টার মাথায় তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ায় ঢাকার অবস্থানের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বরফ গলানোর এক ধরনের চেষ্টা দেখা গেছে। সম্প্রতি মঙ্গলবার ঢাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সে ইঙ্গিতই দেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানের সফরকে স্মরণীয় করে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তবে ভারতের এ নমনীয় বার্তার বিপরীতে ঢাকার দিক থেকে কিছুটা সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক সম্মানের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে উপযুক্ত পরিবেশ এবং দিল্লির পক্ষ থেকে একটি মর্যাদাপূর্ণ আমন্ত্রণ না পেলে প্রধানমন্ত্রীর এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণই থাকবে। ফলে রাষ্ট্রপতি ভবনের হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল এবং দুই পক্ষের দূরত্বের কারণে এ সফর শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিক টাইমস

‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় বাংলাদেশ’







