রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১২শর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১২শর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনের দরবার হল প্রস্তুত করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি শপথ নেবেন। এ শপথ অনুষ্ঠানে ১২শর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ করাবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে, ‘সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমন করবেন। জাতীয় সংগীত ও কোরআন তেলাওয়াতের পর মাননীয় স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনা করবেন।’
গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। এ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত মিলিয়ে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। তাদের মধ্যে ৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আর অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
ভোট গণনা শেষে বিকালে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সন্ধ্যায় এ ফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়।
সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় কেবল সেবারই ভোটাভুটি হয়। এরপর গত ৭টি নির্বাচনে একজন করে প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার প্রতিদ্বন্দ্বী দুজন হওয়ায় নিয়ম রক্ষার ভোটের আয়োজন করা হয়। সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় ভোট গ্রহণের জন্য এদিন সংসদ সদস্যদের বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়।
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পর তিনি আবার স্বপদে ফিরে যাবেন।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনের দরবার হল প্রস্তুত করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি শপথ নেবেন। এ শপথ অনুষ্ঠানে ১২শর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ করাবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে, ‘সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমন করবেন। জাতীয় সংগীত ও কোরআন তেলাওয়াতের পর মাননীয় স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনা করবেন।’
গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। এ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত মিলিয়ে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। তাদের মধ্যে ৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আর অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
ভোট গণনা শেষে বিকালে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সন্ধ্যায় এ ফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়।
সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় কেবল সেবারই ভোটাভুটি হয়। এরপর গত ৭টি নির্বাচনে একজন করে প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার প্রতিদ্বন্দ্বী দুজন হওয়ায় নিয়ম রক্ষার ভোটের আয়োজন করা হয়। সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় ভোট গ্রহণের জন্য এদিন সংসদ সদস্যদের বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়।
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পর তিনি আবার স্বপদে ফিরে যাবেন।

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১২শর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনের দরবার হল প্রস্তুত করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি শপথ নেবেন। এ শপথ অনুষ্ঠানে ১২শর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ করাবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে, ‘সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমন করবেন। জাতীয় সংগীত ও কোরআন তেলাওয়াতের পর মাননীয় স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনা করবেন।’
গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। এ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত মিলিয়ে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। তাদের মধ্যে ৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আর অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
ভোট গণনা শেষে বিকালে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সন্ধ্যায় এ ফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়।
সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় কেবল সেবারই ভোটাভুটি হয়। এরপর গত ৭টি নির্বাচনে একজন করে প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার প্রতিদ্বন্দ্বী দুজন হওয়ায় নিয়ম রক্ষার ভোটের আয়োজন করা হয়। সংসদের অধিবেশন চলমান না থাকায় ভোট গ্রহণের জন্য এদিন সংসদ সদস্যদের বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়।
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পর তিনি আবার স্বপদে ফিরে যাবেন।

আজ শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার





