নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৭ দাবিতে সমাবেশ

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৭ দাবিতে সমাবেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৭ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত প্রতিনিধি সমাবেশে এসব দাবি জানান সংগঠনটির সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান।
সমাবেশে সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ৯ম পে-স্কেলের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। অর্ন্তবর্তী সরকার পে-কমিশন গঠনের মাধ্যমে কর্মচারীদেরকে আশা দিয়েও গেজেট প্রকাশ করেনি। এছাড়া, ৩৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখে, নির্বাচিত সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে দায় সারা কথা বলেছেন।
৩১ আগষ্টের মধ্যে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা না হলে কর্মসূচি ঘোষণা করার হুশিয়ারি দেন এ মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে সকাল দশটার সময় স্ব স্ব দপ্তরের মূল ফটকে ৩০ মিনিট অবস্থান ও অফিস প্রধানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এছাড়াও ১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার সময় নিজ নিজ দপ্তরের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এরপরে ২ অক্টোবর প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারীগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে হয়ে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গুলশান অভিমুখে পদযাত্রা করবে।
প্রতিনিধি সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান সাতটি দাবি তুলে ধরেছেন। দাবিগুলো হলো—
১. ৩১ আগষ্টের মধ্যে ১:৪ এর ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার টাকায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের নিমিত্ত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
২. ২০১৫ সালে পে-স্কেলের গেজেটে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল অথবা এক্ষেত্রে পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. ব্লক পোষ্টে কর্মরত কর্মচারিসহ সকল পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে। এছাড়াও টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারিদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।
৪. সকল স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি/আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া, পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
৫. উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত পদের পদধারীদের প্রকল্পের চাকুরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রদান করার অবকাশ নেই মর্মে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে জারীকৃত বৈষম্যমূলক আদেশের বিপরীতে দায়েরকৃত মামলার রায় অনুযায়ী উক্ত আদেশ বাতিল করতে হবে।
৬. বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সংগতি, জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যমান ভাতাদি পুনঃনির্ধারণ ও সামরিক/আধাসামরিক বহিনীর ন্যায় (১১-২০ গ্রেডের) কর্মচারিদের রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হবে।
৭. প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের মধ্যে বেতন ও পদ বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয়ের ন্যয় সকল সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে কর্মচারিদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দুর করতে হবে।
প্রতিনিধি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নান, মো. রফিকুল আলম, মো. সেলিম মিয়া, মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৭ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত প্রতিনিধি সমাবেশে এসব দাবি জানান সংগঠনটির সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান।
সমাবেশে সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ৯ম পে-স্কেলের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। অর্ন্তবর্তী সরকার পে-কমিশন গঠনের মাধ্যমে কর্মচারীদেরকে আশা দিয়েও গেজেট প্রকাশ করেনি। এছাড়া, ৩৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখে, নির্বাচিত সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে দায় সারা কথা বলেছেন।
৩১ আগষ্টের মধ্যে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা না হলে কর্মসূচি ঘোষণা করার হুশিয়ারি দেন এ মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে সকাল দশটার সময় স্ব স্ব দপ্তরের মূল ফটকে ৩০ মিনিট অবস্থান ও অফিস প্রধানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এছাড়াও ১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার সময় নিজ নিজ দপ্তরের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এরপরে ২ অক্টোবর প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারীগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে হয়ে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গুলশান অভিমুখে পদযাত্রা করবে।
প্রতিনিধি সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান সাতটি দাবি তুলে ধরেছেন। দাবিগুলো হলো—
১. ৩১ আগষ্টের মধ্যে ১:৪ এর ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার টাকায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের নিমিত্ত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
২. ২০১৫ সালে পে-স্কেলের গেজেটে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল অথবা এক্ষেত্রে পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. ব্লক পোষ্টে কর্মরত কর্মচারিসহ সকল পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে। এছাড়াও টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারিদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।
৪. সকল স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি/আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া, পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
৫. উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত পদের পদধারীদের প্রকল্পের চাকুরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রদান করার অবকাশ নেই মর্মে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে জারীকৃত বৈষম্যমূলক আদেশের বিপরীতে দায়েরকৃত মামলার রায় অনুযায়ী উক্ত আদেশ বাতিল করতে হবে।
৬. বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সংগতি, জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যমান ভাতাদি পুনঃনির্ধারণ ও সামরিক/আধাসামরিক বহিনীর ন্যায় (১১-২০ গ্রেডের) কর্মচারিদের রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হবে।
৭. প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের মধ্যে বেতন ও পদ বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয়ের ন্যয় সকল সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে কর্মচারিদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দুর করতে হবে।
প্রতিনিধি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নান, মো. রফিকুল আলম, মো. সেলিম মিয়া, মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৭ দাবিতে সমাবেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে দ্রুত বাস্তবায়নসহ ৭ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত প্রতিনিধি সমাবেশে এসব দাবি জানান সংগঠনটির সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান।
সমাবেশে সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ৯ম পে-স্কেলের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। অর্ন্তবর্তী সরকার পে-কমিশন গঠনের মাধ্যমে কর্মচারীদেরকে আশা দিয়েও গেজেট প্রকাশ করেনি। এছাড়া, ৩৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখে, নির্বাচিত সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে দায় সারা কথা বলেছেন।
৩১ আগষ্টের মধ্যে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা না হলে কর্মসূচি ঘোষণা করার হুশিয়ারি দেন এ মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে সকাল দশটার সময় স্ব স্ব দপ্তরের মূল ফটকে ৩০ মিনিট অবস্থান ও অফিস প্রধানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এছাড়াও ১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার সময় নিজ নিজ দপ্তরের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এরপরে ২ অক্টোবর প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারীগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে হয়ে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গুলশান অভিমুখে পদযাত্রা করবে।
প্রতিনিধি সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান সাতটি দাবি তুলে ধরেছেন। দাবিগুলো হলো—
১. ৩১ আগষ্টের মধ্যে ১:৪ এর ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার টাকায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের নিমিত্ত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
২. ২০১৫ সালে পে-স্কেলের গেজেটে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল অথবা এক্ষেত্রে পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. ব্লক পোষ্টে কর্মরত কর্মচারিসহ সকল পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে। এছাড়াও টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারিদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।
৪. সকল স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি/আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া, পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
৫. উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত পদের পদধারীদের প্রকল্পের চাকুরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রদান করার অবকাশ নেই মর্মে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে জারীকৃত বৈষম্যমূলক আদেশের বিপরীতে দায়েরকৃত মামলার রায় অনুযায়ী উক্ত আদেশ বাতিল করতে হবে।
৬. বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সংগতি, জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যমান ভাতাদি পুনঃনির্ধারণ ও সামরিক/আধাসামরিক বহিনীর ন্যায় (১১-২০ গ্রেডের) কর্মচারিদের রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হবে।
৭. প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের মধ্যে বেতন ও পদ বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয়ের ন্যয় সকল সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে কর্মচারিদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দুর করতে হবে।
প্রতিনিধি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নান, মো. রফিকুল আলম, মো. সেলিম মিয়া, মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

নবম পে স্কেল দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ আইএমএফের







