আদ্-দ্বীন হাসপাতালে আবদ্ধ পরিবেশ, ভোগান্তি

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে আবদ্ধ পরিবেশ, ভোগান্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অব্যবস্থাপনার কারণে রোগী ও তাদের স্বজনেরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্রগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। ভেতরে আবদ্ধ পরিবেশ। চলাচলের জায়গা সরু। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রগুলো দৃশ্যমান স্থানে রাখা হয়নি। জরুরি বহির্গমনের রাস্তাও সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। এতে রোগী ও স্বজনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। হাসপাতালের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর।
২৭ মে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে একে একে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটি আলোচনায় আসে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মারা যাওয়া এক শিশুর স্বজন। এ ছাড়া ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বুধবার (২৭ মে) রাত ৯টার দিকে হাসপাতালে ভেতরে প্রবেশ করেন সিটিজেন জার্নালের এই প্রতিবেদক। প্রবেশমুখের ডান পাশে সিড়ি আর বাম পাশে রয়েছে ক্যাশ কাউন্টার ও ফার্মেসি। একটু সামনে এগোলেই লিফট।

প্রতিটি তলার লিফটের সামনে অবস্থান করে অব্যবস্থাপনার চিত্রই দেখা যায়, এক থেকে সাত তলা পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি তলায়ই এসি বন্ধ ছিল। এতে অতিরিক্ত গরম ও আবদ্ধ পরিবেশের কারণে রোগী ও তাদের স্বজনেরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সামনে স্বজনদের অপেক্ষা করার জায়গা খুবই কম। এ কারণে সেখানে অনেককে গাদাগাদি করে বসে থাকতে দেখা গেছে।
হাসপাতালের কয়েকটি স্থানের সামনে পর্যাপ্ত আলোও দেখা যায়নি। কিছু অংশ ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। পাশাপাশি লিফটের সামনে জরুরি বর্হিগমনের পথ বা বের হওয়ার পথ কোন দিকে—তা বোঝানোর কোনো স্পষ্ট কোনো চিহ্ন চোখে পড়েনি।
পুরো ভবনের চলাচলের পথ, লিফটের সামনে কিংবা অপেক্ষমাণ এলাকাগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দেখা যায়নি।
এদিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় থাকা ফুড কোর্ট বা ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশও সন্তোষজনক নয়।
অব্যবস্থাপনার বিষয় জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল সিটিজেন জার্নালকে প্রথমে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা নেই। ’ তবে কিছুক্ষণ পর আবার বলেন, এ হাসপাতালের যেসব ত্রুটি আছে তা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, সংকীর্ণ রাস্তা কিংবা দর্শনার্থীদের দাঁড়ানোর জায়গার বিষয়টি নিয়ে যা বলা হয়েছে তা সঠিক নয়।
তবে হাসপাতালে যে অব্যস্থাপনা আছে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রবিবার (৩১ মে) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম পাওয়ায় আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

ঢাকার মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অব্যবস্থাপনার কারণে রোগী ও তাদের স্বজনেরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্রগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। ভেতরে আবদ্ধ পরিবেশ। চলাচলের জায়গা সরু। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রগুলো দৃশ্যমান স্থানে রাখা হয়নি। জরুরি বহির্গমনের রাস্তাও সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। এতে রোগী ও স্বজনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। হাসপাতালের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর।
২৭ মে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে একে একে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটি আলোচনায় আসে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মারা যাওয়া এক শিশুর স্বজন। এ ছাড়া ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বুধবার (২৭ মে) রাত ৯টার দিকে হাসপাতালে ভেতরে প্রবেশ করেন সিটিজেন জার্নালের এই প্রতিবেদক। প্রবেশমুখের ডান পাশে সিড়ি আর বাম পাশে রয়েছে ক্যাশ কাউন্টার ও ফার্মেসি। একটু সামনে এগোলেই লিফট।

প্রতিটি তলার লিফটের সামনে অবস্থান করে অব্যবস্থাপনার চিত্রই দেখা যায়, এক থেকে সাত তলা পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি তলায়ই এসি বন্ধ ছিল। এতে অতিরিক্ত গরম ও আবদ্ধ পরিবেশের কারণে রোগী ও তাদের স্বজনেরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সামনে স্বজনদের অপেক্ষা করার জায়গা খুবই কম। এ কারণে সেখানে অনেককে গাদাগাদি করে বসে থাকতে দেখা গেছে।
হাসপাতালের কয়েকটি স্থানের সামনে পর্যাপ্ত আলোও দেখা যায়নি। কিছু অংশ ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। পাশাপাশি লিফটের সামনে জরুরি বর্হিগমনের পথ বা বের হওয়ার পথ কোন দিকে—তা বোঝানোর কোনো স্পষ্ট কোনো চিহ্ন চোখে পড়েনি।
পুরো ভবনের চলাচলের পথ, লিফটের সামনে কিংবা অপেক্ষমাণ এলাকাগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দেখা যায়নি।
এদিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় থাকা ফুড কোর্ট বা ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশও সন্তোষজনক নয়।
অব্যবস্থাপনার বিষয় জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল সিটিজেন জার্নালকে প্রথমে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা নেই। ’ তবে কিছুক্ষণ পর আবার বলেন, এ হাসপাতালের যেসব ত্রুটি আছে তা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, সংকীর্ণ রাস্তা কিংবা দর্শনার্থীদের দাঁড়ানোর জায়গার বিষয়টি নিয়ে যা বলা হয়েছে তা সঠিক নয়।
তবে হাসপাতালে যে অব্যস্থাপনা আছে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রবিবার (৩১ মে) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম পাওয়ায় আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে আবদ্ধ পরিবেশ, ভোগান্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অব্যবস্থাপনার কারণে রোগী ও তাদের স্বজনেরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্রগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। ভেতরে আবদ্ধ পরিবেশ। চলাচলের জায়গা সরু। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রগুলো দৃশ্যমান স্থানে রাখা হয়নি। জরুরি বহির্গমনের রাস্তাও সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। এতে রোগী ও স্বজনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। হাসপাতালের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর।
২৭ মে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে একে একে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটি আলোচনায় আসে। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মারা যাওয়া এক শিশুর স্বজন। এ ছাড়া ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বুধবার (২৭ মে) রাত ৯টার দিকে হাসপাতালে ভেতরে প্রবেশ করেন সিটিজেন জার্নালের এই প্রতিবেদক। প্রবেশমুখের ডান পাশে সিড়ি আর বাম পাশে রয়েছে ক্যাশ কাউন্টার ও ফার্মেসি। একটু সামনে এগোলেই লিফট।

প্রতিটি তলার লিফটের সামনে অবস্থান করে অব্যবস্থাপনার চিত্রই দেখা যায়, এক থেকে সাত তলা পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি তলায়ই এসি বন্ধ ছিল। এতে অতিরিক্ত গরম ও আবদ্ধ পরিবেশের কারণে রোগী ও তাদের স্বজনেরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।
হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সামনে স্বজনদের অপেক্ষা করার জায়গা খুবই কম। এ কারণে সেখানে অনেককে গাদাগাদি করে বসে থাকতে দেখা গেছে।
হাসপাতালের কয়েকটি স্থানের সামনে পর্যাপ্ত আলোও দেখা যায়নি। কিছু অংশ ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। পাশাপাশি লিফটের সামনে জরুরি বর্হিগমনের পথ বা বের হওয়ার পথ কোন দিকে—তা বোঝানোর কোনো স্পষ্ট কোনো চিহ্ন চোখে পড়েনি।
পুরো ভবনের চলাচলের পথ, লিফটের সামনে কিংবা অপেক্ষমাণ এলাকাগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দেখা যায়নি।
এদিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় থাকা ফুড কোর্ট বা ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশও সন্তোষজনক নয়।
অব্যবস্থাপনার বিষয় জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল সিটিজেন জার্নালকে প্রথমে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা নেই। ’ তবে কিছুক্ষণ পর আবার বলেন, এ হাসপাতালের যেসব ত্রুটি আছে তা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, সংকীর্ণ রাস্তা কিংবা দর্শনার্থীদের দাঁড়ানোর জায়গার বিষয়টি নিয়ে যা বলা হয়েছে তা সঠিক নয়।
তবে হাসপাতালে যে অব্যস্থাপনা আছে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রবিবার (৩১ মে) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম পাওয়ায় আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।



