স্বাস্থ্যখাতে ১০০ টাকায় ৭৯ টাকা যাচ্ছে ব্যক্তির পকেট থেকে

স্বাস্থ্যখাতে ১০০ টাকায় ৭৯ টাকা যাচ্ছে ব্যক্তির পকেট থেকে
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে ১০০ টাকার মধ্যে ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে ৭৯ টাকা। এই ব্যয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ। অন্যদিকে থাইল্যান্ডে ১০০ টাকার মধ্যে মাত্র ১০ টাকা ব্যয় হচ্ছে ব্যক্তির পকেট থেকে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে নিজের পকেট থেকে খরচের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের ২০২৩ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে চিকিৎসাসেবায় এই ব্যয়ের চিত্র দেখা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো একটি দেশের নাগরিকদের চিকিৎসা বিষয়ক ব্যক্তিগত খরচ মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ২০ শতাংশ বা তার নিচে থাকা উচিত। তবে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কেবল থাইল্যান্ড ও মালদ্বীপ এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পেরেছে।
থাইল্যান্ডে ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে এই খরচের হার ১৮ শতাংশ ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে। ভুটানে এই হার ৪২ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৬ শতাংশ, ভারতে ৪৯ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ৫৬ শতাংশ। এই তালিকায় ৭৯ শতাংশ খরচ নিয়ে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় চার গুণ বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ওষুধের উচ্চমূল্য, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষার অতিরিক্ত খরচ এবং সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অযাচিত পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যক্তির পকেট থেকে বেশি খরচ হচ্ছে।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে ১০০ টাকার মধ্যে ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে ৭৯ টাকা। এই ব্যয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ। অন্যদিকে থাইল্যান্ডে ১০০ টাকার মধ্যে মাত্র ১০ টাকা ব্যয় হচ্ছে ব্যক্তির পকেট থেকে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে নিজের পকেট থেকে খরচের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের ২০২৩ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে চিকিৎসাসেবায় এই ব্যয়ের চিত্র দেখা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো একটি দেশের নাগরিকদের চিকিৎসা বিষয়ক ব্যক্তিগত খরচ মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ২০ শতাংশ বা তার নিচে থাকা উচিত। তবে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কেবল থাইল্যান্ড ও মালদ্বীপ এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পেরেছে।
থাইল্যান্ডে ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে এই খরচের হার ১৮ শতাংশ ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে। ভুটানে এই হার ৪২ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৬ শতাংশ, ভারতে ৪৯ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ৫৬ শতাংশ। এই তালিকায় ৭৯ শতাংশ খরচ নিয়ে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় চার গুণ বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ওষুধের উচ্চমূল্য, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষার অতিরিক্ত খরচ এবং সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অযাচিত পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যক্তির পকেট থেকে বেশি খরচ হচ্ছে।

স্বাস্থ্যখাতে ১০০ টাকায় ৭৯ টাকা যাচ্ছে ব্যক্তির পকেট থেকে
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে ১০০ টাকার মধ্যে ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে ৭৯ টাকা। এই ব্যয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ। অন্যদিকে থাইল্যান্ডে ১০০ টাকার মধ্যে মাত্র ১০ টাকা ব্যয় হচ্ছে ব্যক্তির পকেট থেকে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে নিজের পকেট থেকে খরচের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের ২০২৩ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে চিকিৎসাসেবায় এই ব্যয়ের চিত্র দেখা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো একটি দেশের নাগরিকদের চিকিৎসা বিষয়ক ব্যক্তিগত খরচ মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ২০ শতাংশ বা তার নিচে থাকা উচিত। তবে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কেবল থাইল্যান্ড ও মালদ্বীপ এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পেরেছে।
থাইল্যান্ডে ১০ শতাংশ এবং মালদ্বীপে এই খরচের হার ১৮ শতাংশ ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয় হচ্ছে। ভুটানে এই হার ৪২ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪৬ শতাংশ, ভারতে ৪৯ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ৫৬ শতাংশ। এই তালিকায় ৭৯ শতাংশ খরচ নিয়ে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় চার গুণ বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ওষুধের উচ্চমূল্য, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষার অতিরিক্ত খরচ এবং সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অযাচিত পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যক্তির পকেট থেকে বেশি খরচ হচ্ছে।




