শিরোনাম

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বেড়েছে ৩৩ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বেড়েছে ৩৩ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা
বাজেট ২০২৬-২৭। ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টা থেকে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে তিনি এ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, আগামি অর্থবছরের জন্য স্বাস্ত্যখাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। যা জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে মোট বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, সরকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদন শিল্পকে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত হিসেবে উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যাতে দেশের সীমিত আয়ের মানুষের পকেট থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমানো যায়। একইসঙ্গে মানসম্মত চিকিৎসা ও ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

দেশে স্বাস্থ্যখাতে ব্যক্তির পকেট থেকে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়। এই ব্যয়ের অধিকাংশই যায় ওষুধপত্রে। এছাড়া দেশের অধিকাংশ মেডিকেল ডিভাইসই আমদানি নির্ভর। সরকার মেডিকেল ডিভাইসের আমদানি নির্ভরতা কমাতে উৎপাদনের ওপর জোর দিয়েছে।

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় প্রত্যেক নাগরিককে ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেমের আওতায় আধুনিক ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

এছাড়াও স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, সরকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদন শিল্পকে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত হিসেবে উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ নিয়েছে। যাতে দেশের সীমিত আয়ের মানুষের পকেট থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমানো যায়।

একইসঙ্গে মানসম্মত ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য বিষয়টি ওঠে আসে।

তিনি আরও বলেন, দেশে স্বাস্থ্যখাতে ব্যক্তির পকেট থেকে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়। এই ব্যয়ের অধিকাংশই যায় ওষুধপত্রে। এছাড়া দেশের অধিকাংশ মেডিকেল ডিভাইসই আমদানি নির্ভর। সরকার মেডিকেল ডিভাইসের আমদানি নির্ভরতা কমাতে উৎপাদনের ওপর জোর দিচ্ছে।

এর আগে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।

এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ। ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।