শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে

শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

দায়িত্বশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ সমপরিমাণ বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে সরকার। এ খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা ছিল মোট জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে তিনি এ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন।
বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাতগুলোর একটি ছিল শিক্ষা। তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, সেখানে অবশ্যই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। যেখানে শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামকে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্রের বিকাশ ঘটে।
আমরা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য এমন পরিবেশ করতে চাই, যাতে তারা আধুনিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নিজেদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে।
শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
প্রস্তাবনায় গবেষণা ও উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধি, বিদেশে অবস্থানরত উচ্চশিক্ষিত বাংলাদেশিদের দেশের শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং ‘ব্রেইন ড্রেইন’কে ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’-এ রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার মান উন্নয়ন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। সেইসঙ্গে গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব প্রদান করেছে। এসব কাজে পৃষ্ঠপোষকতা দেবে সরকার।

দায়িত্বশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ সমপরিমাণ বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে সরকার। এ খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা ছিল মোট জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে তিনি এ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন।
বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাতগুলোর একটি ছিল শিক্ষা। তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, সেখানে অবশ্যই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। যেখানে শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামকে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্রের বিকাশ ঘটে।
আমরা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য এমন পরিবেশ করতে চাই, যাতে তারা আধুনিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নিজেদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে।
শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
প্রস্তাবনায় গবেষণা ও উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধি, বিদেশে অবস্থানরত উচ্চশিক্ষিত বাংলাদেশিদের দেশের শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং ‘ব্রেইন ড্রেইন’কে ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’-এ রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার মান উন্নয়ন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। সেইসঙ্গে গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব প্রদান করেছে। এসব কাজে পৃষ্ঠপোষকতা দেবে সরকার।

শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

দায়িত্বশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ সমপরিমাণ বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে সরকার। এ খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা ছিল মোট জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে তিনি এ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন।
বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাতগুলোর একটি ছিল শিক্ষা। তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, সেখানে অবশ্যই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। যেখানে শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামকে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্রের বিকাশ ঘটে।
আমরা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য এমন পরিবেশ করতে চাই, যাতে তারা আধুনিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নিজেদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে।
শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
প্রস্তাবনায় গবেষণা ও উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা বৃদ্ধি, বিদেশে অবস্থানরত উচ্চশিক্ষিত বাংলাদেশিদের দেশের শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং ‘ব্রেইন ড্রেইন’কে ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’-এ রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার মান উন্নয়ন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। সেইসঙ্গে গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব প্রদান করেছে। এসব কাজে পৃষ্ঠপোষকতা দেবে সরকার।

বাজেটে বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম


