যেভাবে ‘বকশিশ’ পরিণত হলো ঘুষে

যেভাবে ‘বকশিশ’ পরিণত হলো ঘুষে
সিটিজেন ডেস্ক

একসময় ‘বকশিশ’ শব্দটি ছিল সন্তুষ্টি আর কৃতজ্ঞতার প্রতীক। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটি সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় বিড়ম্বনা ও আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বেচ্ছায় দেওয়ার বদলে এটি এখন বাধ্যবাধকতায় রূপ নিয়েছে। আদতে ‘ভদ্রবেশী ঘুষ’ বা চাঁদাবাজিতে পরিণত হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সরকারি অফিস থেকে শুরু করে পশুর হাট-সবখানেই বকশিশের দাপট। বিশেষ করে সরকারি দপ্তরে কোনো ফাইল সত্যায়ন বা জরুরি কাজে গেলে বকশিশ ছাড়া কাজ সম্পন্ন হওয়া প্রায় অসম্ভব। আবার পেনশনভোগী প্রবীণ নাগরিকরাও এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। কয়েক লাখ টাকার পেনশন তুলতে গিয়ে বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে।
হাসপাতালের মতো জরুরি সেবার স্থানেও বকশিশ ছাড়া স্ট্রেচার মেলানো দায়। অন্যদিকে, ট্রাফিক পুলিশ কিংবা থানা-পুলিশের ক্ষেত্রেও চিত্রটি একই। ট্রাফিক সিগন্যালে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে আইন ভাঙার সুযোগ দেওয়া কিংবা থানায় আসামিকে খাবার পৌঁছে দিতেও গুনতে হচ্ছে বকশিশ। এই প্রথা এখন সেবাদানকারীদের অধিকার এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়ে ওয়েটারকে বাড়তি টাকা (টিপস) না দিলে ‘অভদ্র’ তকমা পেতে হয়।
ষোড়শ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে যখন এই প্রথা চালু হয়েছিল, তখন এটি ছিল সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অনৈতিক সংস্কৃতিতে রূপ নিয়েছে। কম দিলে ‘কৃপণ’ আর না দিলে ‘অসামাজিক’ হওয়ার ভয় থেকে মানুষ বাধ্য হয়েই টাকা দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল আইনের মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন:
- সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি।
- রাষ্ট্রীয় সেবা খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
- মানুষের নৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তন।
আন্তরিকতার প্রতীক বকশিশ আজ অনিয়ম ও দুর্নীতির সামাজিক মোড়কে ঢাকা পড়েছে। এই প্রথা থেকে মুক্তি পেতে সদিচ্ছা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।

একসময় ‘বকশিশ’ শব্দটি ছিল সন্তুষ্টি আর কৃতজ্ঞতার প্রতীক। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটি সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় বিড়ম্বনা ও আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বেচ্ছায় দেওয়ার বদলে এটি এখন বাধ্যবাধকতায় রূপ নিয়েছে। আদতে ‘ভদ্রবেশী ঘুষ’ বা চাঁদাবাজিতে পরিণত হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সরকারি অফিস থেকে শুরু করে পশুর হাট-সবখানেই বকশিশের দাপট। বিশেষ করে সরকারি দপ্তরে কোনো ফাইল সত্যায়ন বা জরুরি কাজে গেলে বকশিশ ছাড়া কাজ সম্পন্ন হওয়া প্রায় অসম্ভব। আবার পেনশনভোগী প্রবীণ নাগরিকরাও এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। কয়েক লাখ টাকার পেনশন তুলতে গিয়ে বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে।
হাসপাতালের মতো জরুরি সেবার স্থানেও বকশিশ ছাড়া স্ট্রেচার মেলানো দায়। অন্যদিকে, ট্রাফিক পুলিশ কিংবা থানা-পুলিশের ক্ষেত্রেও চিত্রটি একই। ট্রাফিক সিগন্যালে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে আইন ভাঙার সুযোগ দেওয়া কিংবা থানায় আসামিকে খাবার পৌঁছে দিতেও গুনতে হচ্ছে বকশিশ। এই প্রথা এখন সেবাদানকারীদের অধিকার এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়ে ওয়েটারকে বাড়তি টাকা (টিপস) না দিলে ‘অভদ্র’ তকমা পেতে হয়।
ষোড়শ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে যখন এই প্রথা চালু হয়েছিল, তখন এটি ছিল সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অনৈতিক সংস্কৃতিতে রূপ নিয়েছে। কম দিলে ‘কৃপণ’ আর না দিলে ‘অসামাজিক’ হওয়ার ভয় থেকে মানুষ বাধ্য হয়েই টাকা দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল আইনের মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন:
- সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি।
- রাষ্ট্রীয় সেবা খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
- মানুষের নৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তন।
আন্তরিকতার প্রতীক বকশিশ আজ অনিয়ম ও দুর্নীতির সামাজিক মোড়কে ঢাকা পড়েছে। এই প্রথা থেকে মুক্তি পেতে সদিচ্ছা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।

যেভাবে ‘বকশিশ’ পরিণত হলো ঘুষে
সিটিজেন ডেস্ক

একসময় ‘বকশিশ’ শব্দটি ছিল সন্তুষ্টি আর কৃতজ্ঞতার প্রতীক। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটি সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় বিড়ম্বনা ও আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বেচ্ছায় দেওয়ার বদলে এটি এখন বাধ্যবাধকতায় রূপ নিয়েছে। আদতে ‘ভদ্রবেশী ঘুষ’ বা চাঁদাবাজিতে পরিণত হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সরকারি অফিস থেকে শুরু করে পশুর হাট-সবখানেই বকশিশের দাপট। বিশেষ করে সরকারি দপ্তরে কোনো ফাইল সত্যায়ন বা জরুরি কাজে গেলে বকশিশ ছাড়া কাজ সম্পন্ন হওয়া প্রায় অসম্ভব। আবার পেনশনভোগী প্রবীণ নাগরিকরাও এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। কয়েক লাখ টাকার পেনশন তুলতে গিয়ে বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে।
হাসপাতালের মতো জরুরি সেবার স্থানেও বকশিশ ছাড়া স্ট্রেচার মেলানো দায়। অন্যদিকে, ট্রাফিক পুলিশ কিংবা থানা-পুলিশের ক্ষেত্রেও চিত্রটি একই। ট্রাফিক সিগন্যালে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে আইন ভাঙার সুযোগ দেওয়া কিংবা থানায় আসামিকে খাবার পৌঁছে দিতেও গুনতে হচ্ছে বকশিশ। এই প্রথা এখন সেবাদানকারীদের অধিকার এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়ে ওয়েটারকে বাড়তি টাকা (টিপস) না দিলে ‘অভদ্র’ তকমা পেতে হয়।
ষোড়শ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে যখন এই প্রথা চালু হয়েছিল, তখন এটি ছিল সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি একটি অনৈতিক সংস্কৃতিতে রূপ নিয়েছে। কম দিলে ‘কৃপণ’ আর না দিলে ‘অসামাজিক’ হওয়ার ভয় থেকে মানুষ বাধ্য হয়েই টাকা দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল আইনের মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন:
- সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি।
- রাষ্ট্রীয় সেবা খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
- মানুষের নৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তন।
আন্তরিকতার প্রতীক বকশিশ আজ অনিয়ম ও দুর্নীতির সামাজিক মোড়কে ঢাকা পড়েছে। এই প্রথা থেকে মুক্তি পেতে সদিচ্ছা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।




