শিরোনাম

অফিসেই কেটে যায় দিন, সামাজিকতা বজায় রাখবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অফিসেই কেটে যায় দিন, সামাজিকতা বজায় রাখবেন যেভাবে

দিনভর ব্যস্ততার ভিড়ে নিজের জন্য কিংবা কাছের মানুষদের জন্য আলাদা সময় বের করা অনেকের কাছেই কঠিন হয়ে পড়ে। কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য ধরে রাখা সহজ নয়। তবে যারা এই সমন্বয় করতে পারেন, তারা যেমন বিচক্ষণ, তেমনি জীবন পরিচালনায়ও দক্ষ। কর্পোরেট জীবনে অনেকেরই দিনের ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা কেটে যায় অফিসে। এত দীর্ঘ সময় কাজের পর সামাজিক সম্পর্ক ধরে রাখা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং। তবু মানসিক স্বস্তি ও সম্পর্কের উষ্ণতা বজায় রাখতে যোগাযোগ ধরে রাখা জরুরি।

বর্তমানে সময়ের পরিমাণ নয়, বরং সময়ের গুণগত মানটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সবার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানো বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কর্মব্যস্ত দিনের বদলে ছুটির দিনে নির্দিষ্ট কিছু সময় বন্ধু বা আত্মীয়দের জন্য রাখুন। আর যখনই কারও সঙ্গে কথা বলবেন, অল্প সময়ের জন্য হলেও পুরো মনোযোগ দিন। কথা বলার সময় ফোনে ব্যস্ত না থাকাই শ্রেয়। আন্তরিক মনোযোগ সম্পর্ককে আরও গভীর করে। যা দায়সারা দীর্ঘ আলাপের চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান।

অফিসে যাওয়া-আসার সময় কিংবা লাঞ্চ ব্রেকও হতে পারে যোগাযোগ ধরে রাখার সুযোগ। ব্যস্ততার কারণে টাইপ করা সম্ভব না হলে ছোট্ট একটি ভয়েস নোট পাঠাতে পারেন বা ফোনে খোঁজ নিতে পারেন। এতে প্রিয়জনেরা বুঝতে পারবে, ব্যস্ততার মাঝেও আপনি তাদের কথা ভাবছেন। বন্ধু বা পরিবারের গ্রুপ চ্যাটে ছোটখাটো কথাবার্তায় সক্রিয় থাকলেও সম্পর্কের বন্ধন অটুট থাকে।

সামাজিকতাকে কখনও বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে না দেখে মানসিক প্রশান্তির জায়গা হিসেবে ভাবা ভালো। আলাদা সময় বের করার চাপ না নিয়ে প্রতিদিনের কাজের সঙ্গেই সামাজিক মুহূর্তগুলো জুড়ে নিতে পারেন। তবে সবকিছু যেন স্বাভাবিক ও আন্তরিক হয়। জোর করে কিছু করলে সেখানে মন থাকে না, আর অপর পাশের মানুষটিও তা সহজেই বুঝতে পারেন। ফলে সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

/এসবি/