মানসিক চাপ থেকে হতে পারে মাথাব্যথা, জানুন মুক্তির উপায়

মানসিক চাপ থেকে হতে পারে মাথাব্যথা, জানুন মুক্তির উপায়
সিজেডএন ডেস্ক

হঠাৎ করেই অনুভব করলেন আপনার মাথায় তীব্র ব্যথা ফিল হচ্ছে। তবে এটা কাকতালীয় নয়। কর্মক্ষেত্রে কিংবা সংসার জীবনে বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে মাথাব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে টেনশন-টাইপ হেডেক ও মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে স্ট্রেস বড় ভূমিকা রাখে। তবে জীবনযাপনে সহজ কিছু পরিবর্তনে চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব, এতে মাথাব্যথার ঝুঁকিও কমতে সহায়ক হতে পারে।
চলুন জেনে নেই মানসিক চাপ ও এর কারণে সৃষ্ট মাথাব্যথা কমানোর উপায়-
পছন্দের কাজ করুন
মানসিক চাপ কমাতে নিজের পছন্দের কাজ করতে পারেন। সেটা হতে পারে গান শোনা, নাচ করা, খেলাধুলা, বই পড়া কিংবা অন্য কিছু। এসব কর্মকাণ্ড মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট নিরিবিলি নিজেকে সময় দিন।
কাজের চাপ কমান
কাজ ছাড়া মানুষের জীবনধারণ করা কঠিন। তবে অতিরিক্ত কাজ মানসিক চাপ তৈরি করে। এজন্য একসঙ্গে অনেক দায়িত্ব নেওয়ার বদলে প্রতিদিনের কাজের তালিকা ছোট ও বাস্তবসম্মত রাখুন। কোন কাজটি বেশি জরুরি সেটি বাছাই করে সবার প্রথমে করুন। কোনটি পরে করা যাবে এবং কোন কাজটি আদৌ আপনার করা প্রয়োজন আছে কি না সেটিও ঠিক করে নিন।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও কিছু সময় শরীরচর্চা করা জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। তবে হঠাৎ করে খুব বেশি ব্যায়াম করা যাবে না, ধীরে ধীরে করতে হবে। ব্যায়াম মানসিক চাপের পাশাপাশি মাথাব্যথা কমাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান
প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ফল, শাকসবজি ও পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার রাখুন। পুষ্টিকর খাবার শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগানোর পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুমান
মানসিক চাপ দূর করার সবচেয়ে বড় উপায় পর্যাপ্ত ঘুম। রাতে ঘুমের ব্যাঘাত হলে স্ট্রেস মোকাবিলা করা কঠিন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে চাপ বাড়তে পারে এবং স্ট্রেস-সংশ্লিষ্ট হরমোনের নিঃসরণও বেড়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
পছন্দের মানুষের সহযোগিতা নিন
আপনি যদি বুঝতে পারেন মানসিক চাপ বাড়ছে, তখন পছন্দের মানুষের সাহায্য নিতে পারেন। তাদের সান্নিধ্য মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
কাজের ফাঁকে বিরতি নিন
কাজের মধ্যে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করলে বিরতি নিন। একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসুন বা চা খান। এতে চাপ অনেকটাই কমে যাবে।
হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন
হাসি মানসিক চাপ কমানোর বড় উপায়। হাসলে শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, যা মন ভালো রাখতে এবং ইতিবাচক অনুভূতি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই অবসরে মজার বই পড়া বা কমেডি সিনেমা দেখা যেতে পারে।
রুটিনে পরিবর্তন আনুন
প্রতিদিনের একই রুটিনে আটকে থাকলে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। তাই মাঝে মাঝে নতুন কিছু করা জরুরি। নিজেকে আলাদা করে সময় দিন, ছুটি কাটানো, স্বল্প সময়ের ভ্রমণ কিংবা সপ্তাহান্তে নতুন কোনো জায়গায় ঘুরতে যান। এতে মানসিক চাপ কমে যাবে, সেইসঙ্গে মাথা ব্যথাও দূর হতে সাহায্য করবে।
তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ অনুভব করলে বা মাথাব্যথা করলে থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলুন। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হঠাৎ করেই অনুভব করলেন আপনার মাথায় তীব্র ব্যথা ফিল হচ্ছে। তবে এটা কাকতালীয় নয়। কর্মক্ষেত্রে কিংবা সংসার জীবনে বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে মাথাব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে টেনশন-টাইপ হেডেক ও মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে স্ট্রেস বড় ভূমিকা রাখে। তবে জীবনযাপনে সহজ কিছু পরিবর্তনে চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব, এতে মাথাব্যথার ঝুঁকিও কমতে সহায়ক হতে পারে।
চলুন জেনে নেই মানসিক চাপ ও এর কারণে সৃষ্ট মাথাব্যথা কমানোর উপায়-
পছন্দের কাজ করুন
মানসিক চাপ কমাতে নিজের পছন্দের কাজ করতে পারেন। সেটা হতে পারে গান শোনা, নাচ করা, খেলাধুলা, বই পড়া কিংবা অন্য কিছু। এসব কর্মকাণ্ড মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট নিরিবিলি নিজেকে সময় দিন।
কাজের চাপ কমান
কাজ ছাড়া মানুষের জীবনধারণ করা কঠিন। তবে অতিরিক্ত কাজ মানসিক চাপ তৈরি করে। এজন্য একসঙ্গে অনেক দায়িত্ব নেওয়ার বদলে প্রতিদিনের কাজের তালিকা ছোট ও বাস্তবসম্মত রাখুন। কোন কাজটি বেশি জরুরি সেটি বাছাই করে সবার প্রথমে করুন। কোনটি পরে করা যাবে এবং কোন কাজটি আদৌ আপনার করা প্রয়োজন আছে কি না সেটিও ঠিক করে নিন।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও কিছু সময় শরীরচর্চা করা জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। তবে হঠাৎ করে খুব বেশি ব্যায়াম করা যাবে না, ধীরে ধীরে করতে হবে। ব্যায়াম মানসিক চাপের পাশাপাশি মাথাব্যথা কমাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান
প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ফল, শাকসবজি ও পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার রাখুন। পুষ্টিকর খাবার শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগানোর পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুমান
মানসিক চাপ দূর করার সবচেয়ে বড় উপায় পর্যাপ্ত ঘুম। রাতে ঘুমের ব্যাঘাত হলে স্ট্রেস মোকাবিলা করা কঠিন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে চাপ বাড়তে পারে এবং স্ট্রেস-সংশ্লিষ্ট হরমোনের নিঃসরণও বেড়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
পছন্দের মানুষের সহযোগিতা নিন
আপনি যদি বুঝতে পারেন মানসিক চাপ বাড়ছে, তখন পছন্দের মানুষের সাহায্য নিতে পারেন। তাদের সান্নিধ্য মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
কাজের ফাঁকে বিরতি নিন
কাজের মধ্যে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করলে বিরতি নিন। একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসুন বা চা খান। এতে চাপ অনেকটাই কমে যাবে।
হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন
হাসি মানসিক চাপ কমানোর বড় উপায়। হাসলে শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, যা মন ভালো রাখতে এবং ইতিবাচক অনুভূতি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই অবসরে মজার বই পড়া বা কমেডি সিনেমা দেখা যেতে পারে।
রুটিনে পরিবর্তন আনুন
প্রতিদিনের একই রুটিনে আটকে থাকলে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। তাই মাঝে মাঝে নতুন কিছু করা জরুরি। নিজেকে আলাদা করে সময় দিন, ছুটি কাটানো, স্বল্প সময়ের ভ্রমণ কিংবা সপ্তাহান্তে নতুন কোনো জায়গায় ঘুরতে যান। এতে মানসিক চাপ কমে যাবে, সেইসঙ্গে মাথা ব্যথাও দূর হতে সাহায্য করবে।
তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ অনুভব করলে বা মাথাব্যথা করলে থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলুন। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মানসিক চাপ থেকে হতে পারে মাথাব্যথা, জানুন মুক্তির উপায়
সিজেডএন ডেস্ক

হঠাৎ করেই অনুভব করলেন আপনার মাথায় তীব্র ব্যথা ফিল হচ্ছে। তবে এটা কাকতালীয় নয়। কর্মক্ষেত্রে কিংবা সংসার জীবনে বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে মাথাব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে টেনশন-টাইপ হেডেক ও মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে স্ট্রেস বড় ভূমিকা রাখে। তবে জীবনযাপনে সহজ কিছু পরিবর্তনে চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব, এতে মাথাব্যথার ঝুঁকিও কমতে সহায়ক হতে পারে।
চলুন জেনে নেই মানসিক চাপ ও এর কারণে সৃষ্ট মাথাব্যথা কমানোর উপায়-
পছন্দের কাজ করুন
মানসিক চাপ কমাতে নিজের পছন্দের কাজ করতে পারেন। সেটা হতে পারে গান শোনা, নাচ করা, খেলাধুলা, বই পড়া কিংবা অন্য কিছু। এসব কর্মকাণ্ড মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট নিরিবিলি নিজেকে সময় দিন।
কাজের চাপ কমান
কাজ ছাড়া মানুষের জীবনধারণ করা কঠিন। তবে অতিরিক্ত কাজ মানসিক চাপ তৈরি করে। এজন্য একসঙ্গে অনেক দায়িত্ব নেওয়ার বদলে প্রতিদিনের কাজের তালিকা ছোট ও বাস্তবসম্মত রাখুন। কোন কাজটি বেশি জরুরি সেটি বাছাই করে সবার প্রথমে করুন। কোনটি পরে করা যাবে এবং কোন কাজটি আদৌ আপনার করা প্রয়োজন আছে কি না সেটিও ঠিক করে নিন।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও কিছু সময় শরীরচর্চা করা জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। তবে হঠাৎ করে খুব বেশি ব্যায়াম করা যাবে না, ধীরে ধীরে করতে হবে। ব্যায়াম মানসিক চাপের পাশাপাশি মাথাব্যথা কমাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান
প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ফল, শাকসবজি ও পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার রাখুন। পুষ্টিকর খাবার শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগানোর পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুমান
মানসিক চাপ দূর করার সবচেয়ে বড় উপায় পর্যাপ্ত ঘুম। রাতে ঘুমের ব্যাঘাত হলে স্ট্রেস মোকাবিলা করা কঠিন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে চাপ বাড়তে পারে এবং স্ট্রেস-সংশ্লিষ্ট হরমোনের নিঃসরণও বেড়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
পছন্দের মানুষের সহযোগিতা নিন
আপনি যদি বুঝতে পারেন মানসিক চাপ বাড়ছে, তখন পছন্দের মানুষের সাহায্য নিতে পারেন। তাদের সান্নিধ্য মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
কাজের ফাঁকে বিরতি নিন
কাজের মধ্যে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করলে বিরতি নিন। একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসুন বা চা খান। এতে চাপ অনেকটাই কমে যাবে।
হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন
হাসি মানসিক চাপ কমানোর বড় উপায়। হাসলে শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, যা মন ভালো রাখতে এবং ইতিবাচক অনুভূতি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই অবসরে মজার বই পড়া বা কমেডি সিনেমা দেখা যেতে পারে।
রুটিনে পরিবর্তন আনুন
প্রতিদিনের একই রুটিনে আটকে থাকলে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। তাই মাঝে মাঝে নতুন কিছু করা জরুরি। নিজেকে আলাদা করে সময় দিন, ছুটি কাটানো, স্বল্প সময়ের ভ্রমণ কিংবা সপ্তাহান্তে নতুন কোনো জায়গায় ঘুরতে যান। এতে মানসিক চাপ কমে যাবে, সেইসঙ্গে মাথা ব্যথাও দূর হতে সাহায্য করবে।
তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ অনুভব করলে বা মাথাব্যথা করলে থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলুন। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পটেটো চিপস খাচ্ছেন? হতে পারে যে বিপদ



-CznNewsLab-d7eff9.jpg)



