মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারে ধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারে ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি রপ্তানি ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। গত এক বছরে দেশের জনবল রপ্তানি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে। ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৯ লাখ ৬৯ হাজার বাংলাদেশি, যা গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা কমেছে। চলতি বছরও এই ধারা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈদেশিক অর্থনীতির চাপ সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে রেমিট্যান্স।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৬৯ জন কর্মী বিদেশে গিয়েছেন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ কর্মী গিয়েছেন সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। ২০২৩ সালে ১৩ লাখ ৭ হাজার ৮৯০ জন কর্মী বিদেশ গিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
খাত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তায় সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রধান গন্তব্যগুলোতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত চার দশক ধরে বাংলাদেশি কর্মীদের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের বাজার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস ছিল মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলো। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ৬০ থেকে ৭০ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে অনেক শ্রমিক দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। বিকল্প শ্রমবাজার তৈরি করতে না পারলে রেমিট্যান্সে এর প্রভাব পড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত জুলাই মাসে রেমিট্যান্স আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো তা ৩০০ কোটি ডলারের নিচে রয়েছে।
এমতাবস্থায় শ্রমবাজার বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি রপ্তানি ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। গত এক বছরে দেশের জনবল রপ্তানি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে। ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৯ লাখ ৬৯ হাজার বাংলাদেশি, যা গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা কমেছে। চলতি বছরও এই ধারা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈদেশিক অর্থনীতির চাপ সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে রেমিট্যান্স।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৬৯ জন কর্মী বিদেশে গিয়েছেন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ কর্মী গিয়েছেন সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। ২০২৩ সালে ১৩ লাখ ৭ হাজার ৮৯০ জন কর্মী বিদেশ গিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
খাত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তায় সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রধান গন্তব্যগুলোতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত চার দশক ধরে বাংলাদেশি কর্মীদের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের বাজার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস ছিল মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলো। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ৬০ থেকে ৭০ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে অনেক শ্রমিক দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। বিকল্প শ্রমবাজার তৈরি করতে না পারলে রেমিট্যান্সে এর প্রভাব পড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত জুলাই মাসে রেমিট্যান্স আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো তা ৩০০ কোটি ডলারের নিচে রয়েছে।
এমতাবস্থায় শ্রমবাজার বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারে ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি রপ্তানি ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। গত এক বছরে দেশের জনবল রপ্তানি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে। ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৯ লাখ ৬৯ হাজার বাংলাদেশি, যা গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত দুই বছর ধরে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা কমেছে। চলতি বছরও এই ধারা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈদেশিক অর্থনীতির চাপ সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে রেমিট্যান্স।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৬৯ জন কর্মী বিদেশে গিয়েছেন। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ কর্মী গিয়েছেন সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম। ২০২৩ সালে ১৩ লাখ ৭ হাজার ৮৯০ জন কর্মী বিদেশ গিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ১২ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
খাত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তায় সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রধান গন্তব্যগুলোতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত চার দশক ধরে বাংলাদেশি কর্মীদের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের বাজার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস ছিল মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলো। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ৬০ থেকে ৭০ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে অনেক শ্রমিক দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। বিকল্প শ্রমবাজার তৈরি করতে না পারলে রেমিট্যান্সে এর প্রভাব পড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত জুলাই মাসে রেমিট্যান্স আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো তা ৩০০ কোটি ডলারের নিচে রয়েছে।
এমতাবস্থায় শ্রমবাজার বাড়াতে না পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

১৫ হাজার বিদেশি কর্মী নেবে মালয়েশিয়া






