মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশির মৃতদেহ, খোঁজ নেই স্বজনের

মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশির মৃতদেহ, খোঁজ নেই স্বজনের
সিজেডএন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালের মর্গে দীন মোহাম্মদ নামে এক প্রবাসীর মরদেহ পড়ে আছে। মৃতের পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী তিনি একজন বাংলাদেশি। তবে অনেক খোঁজ করেও তার কোনো স্বজনের হদিস মেলেনি। ফলে বিগত ১৫ দিন ধরে হাসপাতালের হিমঘরেই পড়ে রয়েছে দীন মোহাম্মদের মরদেহ।
মৃতের সহকর্মীদের তথ্যমতে, দীন মোহাম্মদ প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ছিলেন এবং মৃত্যুর ১৯ দিন আগে নতুন একটি প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন।
কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীন মোহাম্মদের মৃত্যুর তথ্য তারা পেয়েছেন এবং তার স্বজন বা অভিভাবক খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছেন। তবে পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী ঠিকানায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজ করেও তার কোনো স্বজনের হদিস মেলেনি।
এদিকে, মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য দীন মোহাম্মদের স্বজনদের খোঁজার চেষ্টা করছেন তার মালয়েশিয়ান বাংলাদেশি মালিক ও সুপারভাইজার। তবে স্বজন না পাওয়ায় এবং প্রতিদিন মর্গের ফি (৭৫ রিঙ্গিত) গুনতে হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিবারের সন্ধান মিললে মরদেহ ঢাকায় পাঠাতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
কে এই দীন মোহাম্মদ
পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, দীন মোহাম্মদের বাবার নাম আব্দুল হক ও মায়ের নাম সুক্কুরের নেসা। স্থায়ী ঠিকানার জায়গায় লেখা আছে– রাজা বাড়ি, কুমিল্লা সদর, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা। তার জন্ম তারিখ ১৯৭৫ সালের ২ মার্চ। আর জরুরি যোগাযোগের জন্য পিতা আব্দুল হকের নামের সাথেও একই স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু ওই এলাকার চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘প্রশাসনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ব্যাপক খোঁজ করেছি। আমি আমার এলাকার কমবেশি সবাইকে চিনি। আমার গ্রামের একটা পাড়ার নাম রাজাবাড়ি। কিন্তু দীন মোহাম্মদ, পিতা- আব্দুল হক এই নামে কাউকে পাইনি। এমনকি আব্দুল হক নামে কোনো পিতার সন্তান দীন মোহাম্মদ এমন কাউকেও পাইনি।’
দীন মোহাম্মদের পাসপোর্টে টেলিফোন নম্বরের জায়গায় শুধু লেখা আছে: ০০৮৮। পাসপোর্টটি সর্বশেষ নবায়ন হয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাই কমিশন থেকে, ২০২৩ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর। এর আগেও তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল, তার নম্বরও উল্লেখ আছে বর্তমান পাসপোর্টে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ২০১১ সালের দিকে মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের কাগজপত্র বৈধ করার একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তখন বহু বাংলাদেশি শ্রমিক হাই কমিশনে আবেদন করে পাসপোর্ট নিয়ে বৈধ হয়েছিলেন।
ওই সময়েই প্রথম পাসপোর্ট নিয়েছিলেন দীন মোহাম্মদ, এমন তথ্যও দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে এটি অন্য কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়ায় যায়নি। তবে তিনি যেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তারা বলছেন, দীন মোহাম্মদ গত প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালের মর্গে দীন মোহাম্মদ নামে এক প্রবাসীর মরদেহ পড়ে আছে। মৃতের পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী তিনি একজন বাংলাদেশি। তবে অনেক খোঁজ করেও তার কোনো স্বজনের হদিস মেলেনি। ফলে বিগত ১৫ দিন ধরে হাসপাতালের হিমঘরেই পড়ে রয়েছে দীন মোহাম্মদের মরদেহ।
মৃতের সহকর্মীদের তথ্যমতে, দীন মোহাম্মদ প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ছিলেন এবং মৃত্যুর ১৯ দিন আগে নতুন একটি প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন।
কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীন মোহাম্মদের মৃত্যুর তথ্য তারা পেয়েছেন এবং তার স্বজন বা অভিভাবক খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছেন। তবে পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী ঠিকানায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজ করেও তার কোনো স্বজনের হদিস মেলেনি।
এদিকে, মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য দীন মোহাম্মদের স্বজনদের খোঁজার চেষ্টা করছেন তার মালয়েশিয়ান বাংলাদেশি মালিক ও সুপারভাইজার। তবে স্বজন না পাওয়ায় এবং প্রতিদিন মর্গের ফি (৭৫ রিঙ্গিত) গুনতে হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিবারের সন্ধান মিললে মরদেহ ঢাকায় পাঠাতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
কে এই দীন মোহাম্মদ
পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, দীন মোহাম্মদের বাবার নাম আব্দুল হক ও মায়ের নাম সুক্কুরের নেসা। স্থায়ী ঠিকানার জায়গায় লেখা আছে– রাজা বাড়ি, কুমিল্লা সদর, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা। তার জন্ম তারিখ ১৯৭৫ সালের ২ মার্চ। আর জরুরি যোগাযোগের জন্য পিতা আব্দুল হকের নামের সাথেও একই স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু ওই এলাকার চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘প্রশাসনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ব্যাপক খোঁজ করেছি। আমি আমার এলাকার কমবেশি সবাইকে চিনি। আমার গ্রামের একটা পাড়ার নাম রাজাবাড়ি। কিন্তু দীন মোহাম্মদ, পিতা- আব্দুল হক এই নামে কাউকে পাইনি। এমনকি আব্দুল হক নামে কোনো পিতার সন্তান দীন মোহাম্মদ এমন কাউকেও পাইনি।’
দীন মোহাম্মদের পাসপোর্টে টেলিফোন নম্বরের জায়গায় শুধু লেখা আছে: ০০৮৮। পাসপোর্টটি সর্বশেষ নবায়ন হয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাই কমিশন থেকে, ২০২৩ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর। এর আগেও তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল, তার নম্বরও উল্লেখ আছে বর্তমান পাসপোর্টে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ২০১১ সালের দিকে মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের কাগজপত্র বৈধ করার একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তখন বহু বাংলাদেশি শ্রমিক হাই কমিশনে আবেদন করে পাসপোর্ট নিয়ে বৈধ হয়েছিলেন।
ওই সময়েই প্রথম পাসপোর্ট নিয়েছিলেন দীন মোহাম্মদ, এমন তথ্যও দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে এটি অন্য কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়ায় যায়নি। তবে তিনি যেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তারা বলছেন, দীন মোহাম্মদ গত প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশির মৃতদেহ, খোঁজ নেই স্বজনের
সিজেডএন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালের মর্গে দীন মোহাম্মদ নামে এক প্রবাসীর মরদেহ পড়ে আছে। মৃতের পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী তিনি একজন বাংলাদেশি। তবে অনেক খোঁজ করেও তার কোনো স্বজনের হদিস মেলেনি। ফলে বিগত ১৫ দিন ধরে হাসপাতালের হিমঘরেই পড়ে রয়েছে দীন মোহাম্মদের মরদেহ।
মৃতের সহকর্মীদের তথ্যমতে, দীন মোহাম্মদ প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ছিলেন এবং মৃত্যুর ১৯ দিন আগে নতুন একটি প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন।
কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীন মোহাম্মদের মৃত্যুর তথ্য তারা পেয়েছেন এবং তার স্বজন বা অভিভাবক খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছেন। তবে পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী ঠিকানায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মাধ্যমে খোঁজ করেও তার কোনো স্বজনের হদিস মেলেনি।
এদিকে, মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য দীন মোহাম্মদের স্বজনদের খোঁজার চেষ্টা করছেন তার মালয়েশিয়ান বাংলাদেশি মালিক ও সুপারভাইজার। তবে স্বজন না পাওয়ায় এবং প্রতিদিন মর্গের ফি (৭৫ রিঙ্গিত) গুনতে হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিবারের সন্ধান মিললে মরদেহ ঢাকায় পাঠাতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
কে এই দীন মোহাম্মদ
পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, দীন মোহাম্মদের বাবার নাম আব্দুল হক ও মায়ের নাম সুক্কুরের নেসা। স্থায়ী ঠিকানার জায়গায় লেখা আছে– রাজা বাড়ি, কুমিল্লা সদর, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা। তার জন্ম তারিখ ১৯৭৫ সালের ২ মার্চ। আর জরুরি যোগাযোগের জন্য পিতা আব্দুল হকের নামের সাথেও একই স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু ওই এলাকার চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘প্রশাসনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ব্যাপক খোঁজ করেছি। আমি আমার এলাকার কমবেশি সবাইকে চিনি। আমার গ্রামের একটা পাড়ার নাম রাজাবাড়ি। কিন্তু দীন মোহাম্মদ, পিতা- আব্দুল হক এই নামে কাউকে পাইনি। এমনকি আব্দুল হক নামে কোনো পিতার সন্তান দীন মোহাম্মদ এমন কাউকেও পাইনি।’
দীন মোহাম্মদের পাসপোর্টে টেলিফোন নম্বরের জায়গায় শুধু লেখা আছে: ০০৮৮। পাসপোর্টটি সর্বশেষ নবায়ন হয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাই কমিশন থেকে, ২০২৩ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর। এর আগেও তার কাছে যে পাসপোর্ট ছিল, তার নম্বরও উল্লেখ আছে বর্তমান পাসপোর্টে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ২০১১ সালের দিকে মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের কাগজপত্র বৈধ করার একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তখন বহু বাংলাদেশি শ্রমিক হাই কমিশনে আবেদন করে পাসপোর্ট নিয়ে বৈধ হয়েছিলেন।
ওই সময়েই প্রথম পাসপোর্ট নিয়েছিলেন দীন মোহাম্মদ, এমন তথ্যও দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে এটি অন্য কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়ায় যায়নি। তবে তিনি যেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তারা বলছেন, দীন মোহাম্মদ গত প্রায় ২০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এনআইডি সেবা উদ্বোধন






