বিদ্যুৎ খাতে ঋণের পাহাড়, জটিল পরিস্থিতির মধ্যে আছি: মন্ত্রী

বিদ্যুৎ খাতে ঋণের পাহাড়, জটিল পরিস্থিতির মধ্যে আছি: মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এমপি বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে পাহাড় পরিমাণ ঋণের বোঝা। বিশাল দায়-দেনা নিয়ে জটিল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। এখান থেকে বের হওয়ার পথ হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংলাপে ১৮ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতবদ্ধ। আমরা শুল্ক ছাড় দিয়েছি। আশা করছি ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবো। এটি করতে পারলে জ্বালানি আমদানি করতে হবে না, যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। যেভাবে বিনিয়োগকারী আসছে, আমার বিশ্বাস তা করতে পারবো।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ে আমার দ্বিতীয় ইনিংস। আমি বিদ্যুৎ উৎপাদন বেসরকারি খাতে দেওয়ার পক্ষে নই। কারণ তারা মুনাফা করবে। আর সরকার মুনাফা ছাড়া সেবা দিতে পারবে। তবে বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি খাতে দিতে পারলে ভালো হতো।
মন্ত্রী বলেন, রুফটপ সোলার সিস্টেম করতে পারলে সুবিধা হয়। ক্যাবল টিভি অপারেটররা বাড়ি বাড়ি লাইন দিয়ে যদি বিল আদায় করতে পারে রুফটপ কেন পারবে না। বলা হচ্ছে, ৭ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব, তাহলে ব্যবহারকারীর খুশি হওয়ার কথা।
তিনি আরও বলেন, সৌর বিদ্যুতের বিষয়ে রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথসহ বিভিন্ন সংস্থার পতিত জমি বিবেচনা করছি। প্রযুক্তির উন্নয়ন হয়েছে, এখন সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের নিচে সবজি চাষও হচ্ছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিগত (আওয়ামী লীগ) সরকার অনেক দায়-দেনায় ফেলে রেখে গেছে। ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর সঙ্গে প্রতি মাসে একটা দায় তৈরি হচ্ছে, সেটা পরিশোধ করতে হবে। ঠিকমতো পেমেন্ট না করতে পারলে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। আর জ্বালানি আমদানি না করলে বিদ্যুৎকেন্দ্র চলে না। এ রকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে আমাদেরকে রেখে যাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান সংকটের সময়ে আমরা শুধু তেল রেশনিং করেছিলাম। বলেছিলাম, বাইকে দিনে ৫০০ টাকার তেল ব্যবহার হয় না, আর প্রাইভেট কারে ২০০০ টাকার বেশি হয় না। কিন্তু কী দেখলাম– লম্বা লাইন। ওই হুজুগের কারণে বাড়তি দাম দিয়ে তেল কিনতে হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ হয়েছে। এখন আমরা মজুত ৩ মাস নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি।
ক্যাব উত্থাপিত ১৮ দফা সুপারিশ বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আমরা জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাদের মতামত প্রচ্ছন্নভাবে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে থাকবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এমপি বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে পাহাড় পরিমাণ ঋণের বোঝা। বিশাল দায়-দেনা নিয়ে জটিল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। এখান থেকে বের হওয়ার পথ হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংলাপে ১৮ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতবদ্ধ। আমরা শুল্ক ছাড় দিয়েছি। আশা করছি ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবো। এটি করতে পারলে জ্বালানি আমদানি করতে হবে না, যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। যেভাবে বিনিয়োগকারী আসছে, আমার বিশ্বাস তা করতে পারবো।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ে আমার দ্বিতীয় ইনিংস। আমি বিদ্যুৎ উৎপাদন বেসরকারি খাতে দেওয়ার পক্ষে নই। কারণ তারা মুনাফা করবে। আর সরকার মুনাফা ছাড়া সেবা দিতে পারবে। তবে বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি খাতে দিতে পারলে ভালো হতো।
মন্ত্রী বলেন, রুফটপ সোলার সিস্টেম করতে পারলে সুবিধা হয়। ক্যাবল টিভি অপারেটররা বাড়ি বাড়ি লাইন দিয়ে যদি বিল আদায় করতে পারে রুফটপ কেন পারবে না। বলা হচ্ছে, ৭ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব, তাহলে ব্যবহারকারীর খুশি হওয়ার কথা।
তিনি আরও বলেন, সৌর বিদ্যুতের বিষয়ে রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথসহ বিভিন্ন সংস্থার পতিত জমি বিবেচনা করছি। প্রযুক্তির উন্নয়ন হয়েছে, এখন সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের নিচে সবজি চাষও হচ্ছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিগত (আওয়ামী লীগ) সরকার অনেক দায়-দেনায় ফেলে রেখে গেছে। ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর সঙ্গে প্রতি মাসে একটা দায় তৈরি হচ্ছে, সেটা পরিশোধ করতে হবে। ঠিকমতো পেমেন্ট না করতে পারলে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। আর জ্বালানি আমদানি না করলে বিদ্যুৎকেন্দ্র চলে না। এ রকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে আমাদেরকে রেখে যাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান সংকটের সময়ে আমরা শুধু তেল রেশনিং করেছিলাম। বলেছিলাম, বাইকে দিনে ৫০০ টাকার তেল ব্যবহার হয় না, আর প্রাইভেট কারে ২০০০ টাকার বেশি হয় না। কিন্তু কী দেখলাম– লম্বা লাইন। ওই হুজুগের কারণে বাড়তি দাম দিয়ে তেল কিনতে হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ হয়েছে। এখন আমরা মজুত ৩ মাস নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি।
ক্যাব উত্থাপিত ১৮ দফা সুপারিশ বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আমরা জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাদের মতামত প্রচ্ছন্নভাবে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে থাকবে।

বিদ্যুৎ খাতে ঋণের পাহাড়, জটিল পরিস্থিতির মধ্যে আছি: মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এমপি বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে পাহাড় পরিমাণ ঋণের বোঝা। বিশাল দায়-দেনা নিয়ে জটিল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। এখান থেকে বের হওয়ার পথ হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংলাপে ১৮ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতবদ্ধ। আমরা শুল্ক ছাড় দিয়েছি। আশা করছি ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবো। এটি করতে পারলে জ্বালানি আমদানি করতে হবে না, যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। যেভাবে বিনিয়োগকারী আসছে, আমার বিশ্বাস তা করতে পারবো।
তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়ে আমার দ্বিতীয় ইনিংস। আমি বিদ্যুৎ উৎপাদন বেসরকারি খাতে দেওয়ার পক্ষে নই। কারণ তারা মুনাফা করবে। আর সরকার মুনাফা ছাড়া সেবা দিতে পারবে। তবে বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি খাতে দিতে পারলে ভালো হতো।
মন্ত্রী বলেন, রুফটপ সোলার সিস্টেম করতে পারলে সুবিধা হয়। ক্যাবল টিভি অপারেটররা বাড়ি বাড়ি লাইন দিয়ে যদি বিল আদায় করতে পারে রুফটপ কেন পারবে না। বলা হচ্ছে, ৭ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব, তাহলে ব্যবহারকারীর খুশি হওয়ার কথা।
তিনি আরও বলেন, সৌর বিদ্যুতের বিষয়ে রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথসহ বিভিন্ন সংস্থার পতিত জমি বিবেচনা করছি। প্রযুক্তির উন্নয়ন হয়েছে, এখন সৌরবিদ্যুতের প্যানেলের নিচে সবজি চাষও হচ্ছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিগত (আওয়ামী লীগ) সরকার অনেক দায়-দেনায় ফেলে রেখে গেছে। ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর সঙ্গে প্রতি মাসে একটা দায় তৈরি হচ্ছে, সেটা পরিশোধ করতে হবে। ঠিকমতো পেমেন্ট না করতে পারলে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জ্বালানি আমদানি করতে পারবে না। আর জ্বালানি আমদানি না করলে বিদ্যুৎকেন্দ্র চলে না। এ রকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে আমাদেরকে রেখে যাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান সংকটের সময়ে আমরা শুধু তেল রেশনিং করেছিলাম। বলেছিলাম, বাইকে দিনে ৫০০ টাকার তেল ব্যবহার হয় না, আর প্রাইভেট কারে ২০০০ টাকার বেশি হয় না। কিন্তু কী দেখলাম– লম্বা লাইন। ওই হুজুগের কারণে বাড়তি দাম দিয়ে তেল কিনতে হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ হয়েছে। এখন আমরা মজুত ৩ মাস নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি।
ক্যাব উত্থাপিত ১৮ দফা সুপারিশ বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আমরা জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাদের মতামত প্রচ্ছন্নভাবে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে থাকবে।

ভারতের আপত্তি, বাংলাদেশে আসছে না নেপালের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ


