কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৯

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৯
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত আরও একজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে ৩ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলো।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ছাত্তারের ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, পাহাড়ের একটি অংশ আলী আকবরের ঘরের ওপর ধসে পড়ে। এতে তিনিসহ পরিবারের তিন সদস্য মাটির নিচে চাপা পড়েন। আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৮ জনের মৃত্যু
রবিবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে নারী-শিশুসহ অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়। উখিয়ার পালংখালী, কুতুপালং ও বালুখালী আশ্রয়শিবিরে এসব পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে আশ্রিত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের ঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে। এতে কামাল হোসাইন ও তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং পুত্র মোহাম্মদ আনাসের মৃত্যু হয়।
রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড়ি ঢলে আসা মাটি চাপায় একরাম নামে ৭ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত একরাম ঐ ক্যাম্পের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।
এরপর রাত ৩টার দিকে উপজেলার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন– ক্যাম্পের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে উম্মে হাবিবা ও তার বোন তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ রিহান ও তার ভাই হারুনুর রশিদ।
উখিয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আরও দুইদিন ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত আরও একজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে ৩ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলো।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ছাত্তারের ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, পাহাড়ের একটি অংশ আলী আকবরের ঘরের ওপর ধসে পড়ে। এতে তিনিসহ পরিবারের তিন সদস্য মাটির নিচে চাপা পড়েন। আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৮ জনের মৃত্যু
রবিবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে নারী-শিশুসহ অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়। উখিয়ার পালংখালী, কুতুপালং ও বালুখালী আশ্রয়শিবিরে এসব পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে আশ্রিত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের ঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে। এতে কামাল হোসাইন ও তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং পুত্র মোহাম্মদ আনাসের মৃত্যু হয়।
রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড়ি ঢলে আসা মাটি চাপায় একরাম নামে ৭ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত একরাম ঐ ক্যাম্পের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।
এরপর রাত ৩টার দিকে উপজেলার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন– ক্যাম্পের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে উম্মে হাবিবা ও তার বোন তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ রিহান ও তার ভাই হারুনুর রশিদ।
উখিয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আরও দুইদিন ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৯
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত আরও একজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে ৩ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলো।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ছাত্তারের ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, পাহাড়ের একটি অংশ আলী আকবরের ঘরের ওপর ধসে পড়ে। এতে তিনিসহ পরিবারের তিন সদস্য মাটির নিচে চাপা পড়েন। আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৮ জনের মৃত্যু
রবিবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে নারী-শিশুসহ অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়। উখিয়ার পালংখালী, কুতুপালং ও বালুখালী আশ্রয়শিবিরে এসব পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে আশ্রিত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের ঘরের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে। এতে কামাল হোসাইন ও তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং পুত্র মোহাম্মদ আনাসের মৃত্যু হয়।
রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড়ি ঢলে আসা মাটি চাপায় একরাম নামে ৭ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত একরাম ঐ ক্যাম্পের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।
এরপর রাত ৩টার দিকে উপজেলার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন– ক্যাম্পের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে উম্মে হাবিবা ও তার বোন তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ রিহান ও তার ভাই হারুনুর রশিদ।
উখিয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আরও দুইদিন ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত ৮

