কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী
বিনোদন ডেস্ক

স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে হাজির হন আলভী। পরে ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। এ সময় অভিনেতা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তার পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়াসহ একাধিক আইনজীবী অংশ নেন। অভিনেতার জামিন আবেদন করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান।
জামিন আবেদনে বলা হয়, স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার সঙ্গে আসামি জড়িত নন। এটি সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক মামলা। সেখানে দাবি করা হয়, প্রেম করে বিয়ে করার কারণে এবং পারিবারিক জটিলতার জেরে বাদীপক্ষ ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে মামলা দায়ের করেছে। এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়। মামলার সময় তিনি নাটকের শুটিংয়ের জন্য নেপালে অবস্থান করছিলেন বলেও জানানো হয়।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিনই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আলভীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যায় বাধ্য হন বলে দাবি করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে হাজির হন আলভী। পরে ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। এ সময় অভিনেতা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তার পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়াসহ একাধিক আইনজীবী অংশ নেন। অভিনেতার জামিন আবেদন করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান।
জামিন আবেদনে বলা হয়, স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার সঙ্গে আসামি জড়িত নন। এটি সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক মামলা। সেখানে দাবি করা হয়, প্রেম করে বিয়ে করার কারণে এবং পারিবারিক জটিলতার জেরে বাদীপক্ষ ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে মামলা দায়ের করেছে। এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়। মামলার সময় তিনি নাটকের শুটিংয়ের জন্য নেপালে অবস্থান করছিলেন বলেও জানানো হয়।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিনই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আলভীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যায় বাধ্য হন বলে দাবি করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী
বিনোদন ডেস্ক

স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে হাজির হন আলভী। পরে ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। এ সময় অভিনেতা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তার পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়াসহ একাধিক আইনজীবী অংশ নেন। অভিনেতার জামিন আবেদন করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান।
জামিন আবেদনে বলা হয়, স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার সঙ্গে আসামি জড়িত নন। এটি সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক মামলা। সেখানে দাবি করা হয়, প্রেম করে বিয়ে করার কারণে এবং পারিবারিক জটিলতার জেরে বাদীপক্ষ ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে মামলা দায়ের করেছে। এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়। মামলার সময় তিনি নাটকের শুটিংয়ের জন্য নেপালে অবস্থান করছিলেন বলেও জানানো হয়।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিনই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আলভীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যায় বাধ্য হন বলে দাবি করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

দেশে ফিরেই আত্মগোপনে আলভী, খুঁজছে পুলিশ
ইকরার আত্মহত্যা: আলভীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদনের নির্দেশ


