দেশে ফিরেই আত্মগোপনে আলভী, খুঁজছে পুলিশ

দেশে ফিরেই আত্মগোপনে আলভী, খুঁজছে পুলিশ
বিনোদন ডেস্ক

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা মামলার প্রধান আসামি অভিনেতা জাহের আলভী দেশে ফিরেছেন। তবে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানা গেছে, রবিবার (১ মার্চ) বিকালে নেপাল থেকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান আলভী। বিমানবন্দরে কিছু সময় অবস্থানের পর তিনি একজন মধ্যস্থকারীর মাধ্যমে সেখান থেকে বের হয়ে যান। দেশে ফেরার পর থেকেই তার ফোন, ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রয়েছে। এতে তার অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
নেপালে অবস্থানকালে আলভী জানিয়েছিলেন, দেশে ফিরে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন। তবে দেশে ফেরার পর তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসেননি।

এদিকে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা। তার মৃত্যুর ঘটনায় জাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। একই মামলায় অভিনেত্রী তিথি ও আলভীর মাকেও আসামি করা হয়েছে। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভালোবেসে সংসার শুরু করেন আলভী ও ইকরা। তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে পরকীয়া ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। সামাজিক মাধ্যমে ইকরার ব্যক্তিগত কিছু চ্যাট ফাঁস হওয়ার পর এই বিষয়টি দেশে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা মামলার প্রধান আসামি অভিনেতা জাহের আলভী দেশে ফিরেছেন। তবে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানা গেছে, রবিবার (১ মার্চ) বিকালে নেপাল থেকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান আলভী। বিমানবন্দরে কিছু সময় অবস্থানের পর তিনি একজন মধ্যস্থকারীর মাধ্যমে সেখান থেকে বের হয়ে যান। দেশে ফেরার পর থেকেই তার ফোন, ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রয়েছে। এতে তার অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
নেপালে অবস্থানকালে আলভী জানিয়েছিলেন, দেশে ফিরে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন। তবে দেশে ফেরার পর তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসেননি।

এদিকে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা। তার মৃত্যুর ঘটনায় জাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। একই মামলায় অভিনেত্রী তিথি ও আলভীর মাকেও আসামি করা হয়েছে। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভালোবেসে সংসার শুরু করেন আলভী ও ইকরা। তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে পরকীয়া ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। সামাজিক মাধ্যমে ইকরার ব্যক্তিগত কিছু চ্যাট ফাঁস হওয়ার পর এই বিষয়টি দেশে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

দেশে ফিরেই আত্মগোপনে আলভী, খুঁজছে পুলিশ
বিনোদন ডেস্ক

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা মামলার প্রধান আসামি অভিনেতা জাহের আলভী দেশে ফিরেছেন। তবে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানা গেছে, রবিবার (১ মার্চ) বিকালে নেপাল থেকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান আলভী। বিমানবন্দরে কিছু সময় অবস্থানের পর তিনি একজন মধ্যস্থকারীর মাধ্যমে সেখান থেকে বের হয়ে যান। দেশে ফেরার পর থেকেই তার ফোন, ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রয়েছে। এতে তার অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
নেপালে অবস্থানকালে আলভী জানিয়েছিলেন, দেশে ফিরে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন। তবে দেশে ফেরার পর তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসেননি।

এদিকে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা। তার মৃত্যুর ঘটনায় জাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। একই মামলায় অভিনেত্রী তিথি ও আলভীর মাকেও আসামি করা হয়েছে। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভালোবেসে সংসার শুরু করেন আলভী ও ইকরা। তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে পরকীয়া ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। সামাজিক মাধ্যমে ইকরার ব্যক্তিগত কিছু চ্যাট ফাঁস হওয়ার পর এই বিষয়টি দেশে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।




