বয়স বা সামাজিক চাপে বিয়ে করার কোনো মানে নেই: সাফা

বয়স বা সামাজিক চাপে বিয়ে করার কোনো মানে নেই: সাফা
বিনোদন ডেস্ক

অভিনেত্রীদের প্রায়ই নানান ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে যাদের বয়স হয়েছে, কিন্তু এখনও বিয়ে করেননি, তাদের জন্য কমন একটি প্রশ্ন ‘কবে বিয়ে করছেন?’। ব্যতিক্রম নয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের বেলায়ও। তিনি প্রায়ই এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হন। তবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সমসাময়িক অনেক সহশিল্পী ও বন্ধুবান্ধবের বিয়ে হয়ে গেলেও এখনই বিয়ে নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাফা কবির বলেন, তার পরিবার থেকে বিয়ে নিয়ে কোনো ধরনের চাপ নেই। বরং ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা তাকে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে এসেছেন।
সাফা কবির বলেন, ‘আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু-আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তারা চাইলে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার প্রত্যাশা করতে পারতেন, কিন্তু তাঁদের কথা ছিল, যেটা মন চায় সেটাই করো, ভালো থাকো।’
অভিনয়ে আসার শুরুতে সমাজ ও আশপাশের মানুষের নানা মন্তব্য শুনতে হলেও বাবা-মা সব সময় তার পাশে ছিলেন বলেও জানান সাফা।
তিনি বলেন, ‘অনেক কথা শুনতে হয়েছে, আম্মু-আব্বুকেও শুনতে হয়েছে। কিন্তু তারা সব সময় বলেছেন, সাফা যেটা চাইবে সেটাই হবে। তারা তাদের মেয়েকে নিয়ে খুশি। আর আমার বিয়ে নিয়েও কোনো চাপ দেন না।’
বিয়ে নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন সাফা কবির। বয়স বা সামাজিক চাপের কারণে বিয়ে করার কোনো মানে নেই বলেই তার মত।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি এই কারণে বিয়ে করতে চাই না যে আমার বয়স হয়ে গেছে বা সবাই বিয়ে করে ফেলেছে। মানুষ কী বলবে, সে জন্য বিয়ে নয়। হুটহাট বিয়ে করে কিছুদিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
সাফা জানান, তিনি এমন একজন মানুষের অপেক্ষায় আছেন, যার সঙ্গে সারাজীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। আপাতত তেমন কাউকে এখনো খুঁজে পাননি বলেও স্বীকার করেন অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, ‘দোয়া করি, আল্লাহ আমাকে একজন ভালো মানুষ দেবেন। আমার বিশ্বাস আছে।’
ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গী কেমন হবে– এ প্রসঙ্গে সাফা স্পষ্ট করে বলেন, চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্য তার কাছে মুখ্য নয়।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘খুব সুদর্শন বা অসাধারণ হতে হবে– এমন কোনো শর্ত নেই। ভালো মানুষ হতে হবে। আর ভালো মানুষ বলতে আমি বুঝি, যে মন থেকে ভালো, সৎ, স্বচ্ছ, যত্নশীল, বোঝাপড়াশীল এবং সহযোগিতাপরায়ণ। যার সঙ্গে জীবন আরাম এবং সুখের সঙ্গে কাটানো যাবে।’

অভিনেত্রীদের প্রায়ই নানান ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে যাদের বয়স হয়েছে, কিন্তু এখনও বিয়ে করেননি, তাদের জন্য কমন একটি প্রশ্ন ‘কবে বিয়ে করছেন?’। ব্যতিক্রম নয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের বেলায়ও। তিনি প্রায়ই এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হন। তবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সমসাময়িক অনেক সহশিল্পী ও বন্ধুবান্ধবের বিয়ে হয়ে গেলেও এখনই বিয়ে নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাফা কবির বলেন, তার পরিবার থেকে বিয়ে নিয়ে কোনো ধরনের চাপ নেই। বরং ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা তাকে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে এসেছেন।
সাফা কবির বলেন, ‘আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু-আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তারা চাইলে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার প্রত্যাশা করতে পারতেন, কিন্তু তাঁদের কথা ছিল, যেটা মন চায় সেটাই করো, ভালো থাকো।’
অভিনয়ে আসার শুরুতে সমাজ ও আশপাশের মানুষের নানা মন্তব্য শুনতে হলেও বাবা-মা সব সময় তার পাশে ছিলেন বলেও জানান সাফা।
তিনি বলেন, ‘অনেক কথা শুনতে হয়েছে, আম্মু-আব্বুকেও শুনতে হয়েছে। কিন্তু তারা সব সময় বলেছেন, সাফা যেটা চাইবে সেটাই হবে। তারা তাদের মেয়েকে নিয়ে খুশি। আর আমার বিয়ে নিয়েও কোনো চাপ দেন না।’
বিয়ে নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন সাফা কবির। বয়স বা সামাজিক চাপের কারণে বিয়ে করার কোনো মানে নেই বলেই তার মত।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি এই কারণে বিয়ে করতে চাই না যে আমার বয়স হয়ে গেছে বা সবাই বিয়ে করে ফেলেছে। মানুষ কী বলবে, সে জন্য বিয়ে নয়। হুটহাট বিয়ে করে কিছুদিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
সাফা জানান, তিনি এমন একজন মানুষের অপেক্ষায় আছেন, যার সঙ্গে সারাজীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। আপাতত তেমন কাউকে এখনো খুঁজে পাননি বলেও স্বীকার করেন অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, ‘দোয়া করি, আল্লাহ আমাকে একজন ভালো মানুষ দেবেন। আমার বিশ্বাস আছে।’
ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গী কেমন হবে– এ প্রসঙ্গে সাফা স্পষ্ট করে বলেন, চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্য তার কাছে মুখ্য নয়।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘খুব সুদর্শন বা অসাধারণ হতে হবে– এমন কোনো শর্ত নেই। ভালো মানুষ হতে হবে। আর ভালো মানুষ বলতে আমি বুঝি, যে মন থেকে ভালো, সৎ, স্বচ্ছ, যত্নশীল, বোঝাপড়াশীল এবং সহযোগিতাপরায়ণ। যার সঙ্গে জীবন আরাম এবং সুখের সঙ্গে কাটানো যাবে।’

বয়স বা সামাজিক চাপে বিয়ে করার কোনো মানে নেই: সাফা
বিনোদন ডেস্ক

অভিনেত্রীদের প্রায়ই নানান ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে যাদের বয়স হয়েছে, কিন্তু এখনও বিয়ে করেননি, তাদের জন্য কমন একটি প্রশ্ন ‘কবে বিয়ে করছেন?’। ব্যতিক্রম নয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের বেলায়ও। তিনি প্রায়ই এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হন। তবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সমসাময়িক অনেক সহশিল্পী ও বন্ধুবান্ধবের বিয়ে হয়ে গেলেও এখনই বিয়ে নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাফা কবির বলেন, তার পরিবার থেকে বিয়ে নিয়ে কোনো ধরনের চাপ নেই। বরং ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা তাকে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে এসেছেন।
সাফা কবির বলেন, ‘আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু-আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তারা চাইলে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার প্রত্যাশা করতে পারতেন, কিন্তু তাঁদের কথা ছিল, যেটা মন চায় সেটাই করো, ভালো থাকো।’
অভিনয়ে আসার শুরুতে সমাজ ও আশপাশের মানুষের নানা মন্তব্য শুনতে হলেও বাবা-মা সব সময় তার পাশে ছিলেন বলেও জানান সাফা।
তিনি বলেন, ‘অনেক কথা শুনতে হয়েছে, আম্মু-আব্বুকেও শুনতে হয়েছে। কিন্তু তারা সব সময় বলেছেন, সাফা যেটা চাইবে সেটাই হবে। তারা তাদের মেয়েকে নিয়ে খুশি। আর আমার বিয়ে নিয়েও কোনো চাপ দেন না।’
বিয়ে নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন সাফা কবির। বয়স বা সামাজিক চাপের কারণে বিয়ে করার কোনো মানে নেই বলেই তার মত।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি এই কারণে বিয়ে করতে চাই না যে আমার বয়স হয়ে গেছে বা সবাই বিয়ে করে ফেলেছে। মানুষ কী বলবে, সে জন্য বিয়ে নয়। হুটহাট বিয়ে করে কিছুদিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
সাফা জানান, তিনি এমন একজন মানুষের অপেক্ষায় আছেন, যার সঙ্গে সারাজীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। আপাতত তেমন কাউকে এখনো খুঁজে পাননি বলেও স্বীকার করেন অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, ‘দোয়া করি, আল্লাহ আমাকে একজন ভালো মানুষ দেবেন। আমার বিশ্বাস আছে।’
ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গী কেমন হবে– এ প্রসঙ্গে সাফা স্পষ্ট করে বলেন, চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্য তার কাছে মুখ্য নয়।
অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘খুব সুদর্শন বা অসাধারণ হতে হবে– এমন কোনো শর্ত নেই। ভালো মানুষ হতে হবে। আর ভালো মানুষ বলতে আমি বুঝি, যে মন থেকে ভালো, সৎ, স্বচ্ছ, যত্নশীল, বোঝাপড়াশীল এবং সহযোগিতাপরায়ণ। যার সঙ্গে জীবন আরাম এবং সুখের সঙ্গে কাটানো যাবে।’




