নেপালের গ্রামে আটকা তাসরিফ খান

নেপালের গ্রামে আটকা তাসরিফ খান
সিজেডএন ডেস্ক
-CznNewsLab-4a580c.jpg)
নেপালে ভালো আছেন তাসরিফ খান। তবে এখনই দেশে ফেরা হচ্ছে না এই সংগীতশিল্পীর। বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির রাসুয়া-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে একাধিক ভবন, রাস্তাঘাঁট ও বিভিন্ন স্থাপনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজারের অধিক মানুষ। যার মধ্যে চার শতাধিক বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
গত ২০ আগস্ট অবসর কাটাতে নেপালে যান তাসরিফ খান ও তার সঙ্গীরা। মূল স্পট থেকে প্রায় ১৫৫ কিলোমিটার দূরত্বে পর্যটন এলাকা ঘান্দ্রুক গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বুধবারের ওই দুর্যোগে বিরেঠাঁটি-ঘান্দ্রুক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য চাইলেও তারা দেশে ফিরতে পারছেন না।
তাসরিফ খান বলেন, দুই দিন ধরে নেপালের ঘান্দ্রুক গ্রামে আটকে আছি। সবাই সুস্থ থাকলেও কবে এখান থেকে বের হতে পারব বলা যাচ্ছে না।
বড় ধরনের প্রাণহানি বা ধ্বংসযজ্ঞ দেখেননি জানিয়ে এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘মোদি খোলার বন্যা ও পাহাড়ধসে বিরেঠাঁটি-ঘান্দ্রুক সড়কের একাধিক অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোথাও সেতু ভেঙেছে। প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচল বন্ধ রেখেছে। মূল স্পট এখান থেকে অনেক দূরে হলেও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলের দুর্যোগের খবর এবং আমাদের ফেরার পথের অবস্থা দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে।’
তিনি বলেন, আমরা মঙ্গলবার ঘান্দ্রুকে এসেছিলাম। বুধবার ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও বের হতে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। তখন গাইড এসে বলেন, ‘আজ আর যাওয়া যাবে না, বড় ঝুঁকি আছে। পরে জানতে পারি, আমরা যে পথ দিয়ে ফিরতাম, সেটির বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। সময়মতো বের হলে হয়তো আমরাও বিপদের মধ্যে পড়তাম।’
বিকল্প পথে দেশে ফেরার চিন্তা করছেন তাসরিফরা। তবে আপাতত আরও দুই-তিন দিন সেখানে থাকতে হতে পারে বলেও জানান তিনি।
দেশে ফেরার নতুন টিকিট পাচ্ছেন না তাসরিফরা। এজন্য বিকল্প পথে দেশে ফেরার চিন্তা করছেন। স্বাভাবিক সড়কপথ ব্যবহার করা না গেলে নদীর পাশ দিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ট্রেকিং করে যেতে হবে। কিন্তু পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের মধ্যে সেটিও বিপজ্জনক। ফলে পরিস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চান না এই শিল্পী। সেখানে আরও দুই-তিন দিন অবস্থান করতে হতে পারে বলেও জানান তিনি।
-CznNewsLab-4a580c.jpg)
নেপালে ভালো আছেন তাসরিফ খান। তবে এখনই দেশে ফেরা হচ্ছে না এই সংগীতশিল্পীর। বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির রাসুয়া-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে একাধিক ভবন, রাস্তাঘাঁট ও বিভিন্ন স্থাপনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজারের অধিক মানুষ। যার মধ্যে চার শতাধিক বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
গত ২০ আগস্ট অবসর কাটাতে নেপালে যান তাসরিফ খান ও তার সঙ্গীরা। মূল স্পট থেকে প্রায় ১৫৫ কিলোমিটার দূরত্বে পর্যটন এলাকা ঘান্দ্রুক গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বুধবারের ওই দুর্যোগে বিরেঠাঁটি-ঘান্দ্রুক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য চাইলেও তারা দেশে ফিরতে পারছেন না।
তাসরিফ খান বলেন, দুই দিন ধরে নেপালের ঘান্দ্রুক গ্রামে আটকে আছি। সবাই সুস্থ থাকলেও কবে এখান থেকে বের হতে পারব বলা যাচ্ছে না।
বড় ধরনের প্রাণহানি বা ধ্বংসযজ্ঞ দেখেননি জানিয়ে এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘মোদি খোলার বন্যা ও পাহাড়ধসে বিরেঠাঁটি-ঘান্দ্রুক সড়কের একাধিক অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোথাও সেতু ভেঙেছে। প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচল বন্ধ রেখেছে। মূল স্পট এখান থেকে অনেক দূরে হলেও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলের দুর্যোগের খবর এবং আমাদের ফেরার পথের অবস্থা দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে।’
তিনি বলেন, আমরা মঙ্গলবার ঘান্দ্রুকে এসেছিলাম। বুধবার ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও বের হতে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। তখন গাইড এসে বলেন, ‘আজ আর যাওয়া যাবে না, বড় ঝুঁকি আছে। পরে জানতে পারি, আমরা যে পথ দিয়ে ফিরতাম, সেটির বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। সময়মতো বের হলে হয়তো আমরাও বিপদের মধ্যে পড়তাম।’
বিকল্প পথে দেশে ফেরার চিন্তা করছেন তাসরিফরা। তবে আপাতত আরও দুই-তিন দিন সেখানে থাকতে হতে পারে বলেও জানান তিনি।
দেশে ফেরার নতুন টিকিট পাচ্ছেন না তাসরিফরা। এজন্য বিকল্প পথে দেশে ফেরার চিন্তা করছেন। স্বাভাবিক সড়কপথ ব্যবহার করা না গেলে নদীর পাশ দিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ট্রেকিং করে যেতে হবে। কিন্তু পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের মধ্যে সেটিও বিপজ্জনক। ফলে পরিস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চান না এই শিল্পী। সেখানে আরও দুই-তিন দিন অবস্থান করতে হতে পারে বলেও জানান তিনি।

নেপালের গ্রামে আটকা তাসরিফ খান
সিজেডএন ডেস্ক
-CznNewsLab-4a580c.jpg)
নেপালে ভালো আছেন তাসরিফ খান। তবে এখনই দেশে ফেরা হচ্ছে না এই সংগীতশিল্পীর। বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির রাসুয়া-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে একাধিক ভবন, রাস্তাঘাঁট ও বিভিন্ন স্থাপনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজারের অধিক মানুষ। যার মধ্যে চার শতাধিক বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
গত ২০ আগস্ট অবসর কাটাতে নেপালে যান তাসরিফ খান ও তার সঙ্গীরা। মূল স্পট থেকে প্রায় ১৫৫ কিলোমিটার দূরত্বে পর্যটন এলাকা ঘান্দ্রুক গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বুধবারের ওই দুর্যোগে বিরেঠাঁটি-ঘান্দ্রুক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য চাইলেও তারা দেশে ফিরতে পারছেন না।
তাসরিফ খান বলেন, দুই দিন ধরে নেপালের ঘান্দ্রুক গ্রামে আটকে আছি। সবাই সুস্থ থাকলেও কবে এখান থেকে বের হতে পারব বলা যাচ্ছে না।
বড় ধরনের প্রাণহানি বা ধ্বংসযজ্ঞ দেখেননি জানিয়ে এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘মোদি খোলার বন্যা ও পাহাড়ধসে বিরেঠাঁটি-ঘান্দ্রুক সড়কের একাধিক অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোথাও সেতু ভেঙেছে। প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পথে চলাচল বন্ধ রেখেছে। মূল স্পট এখান থেকে অনেক দূরে হলেও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলের দুর্যোগের খবর এবং আমাদের ফেরার পথের অবস্থা দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে।’
তিনি বলেন, আমরা মঙ্গলবার ঘান্দ্রুকে এসেছিলাম। বুধবার ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও বের হতে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। তখন গাইড এসে বলেন, ‘আজ আর যাওয়া যাবে না, বড় ঝুঁকি আছে। পরে জানতে পারি, আমরা যে পথ দিয়ে ফিরতাম, সেটির বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। সময়মতো বের হলে হয়তো আমরাও বিপদের মধ্যে পড়তাম।’
বিকল্প পথে দেশে ফেরার চিন্তা করছেন তাসরিফরা। তবে আপাতত আরও দুই-তিন দিন সেখানে থাকতে হতে পারে বলেও জানান তিনি।
দেশে ফেরার নতুন টিকিট পাচ্ছেন না তাসরিফরা। এজন্য বিকল্প পথে দেশে ফেরার চিন্তা করছেন। স্বাভাবিক সড়কপথ ব্যবহার করা না গেলে নদীর পাশ দিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ট্রেকিং করে যেতে হবে। কিন্তু পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের মধ্যে সেটিও বিপজ্জনক। ফলে পরিস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চান না এই শিল্পী। সেখানে আরও দুই-তিন দিন অবস্থান করতে হতে পারে বলেও জানান তিনি।

নেপালে কেমন আছেন তাসরিফ খান







