‘যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, গেয়ে যাবো’

‘যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, গেয়ে যাবো’
বিনোদন ডেস্ক

গানে গানে সংগীতে দেড় যুগ পার করে দিলেন ইমরান মাহমুদুল। ২০০৮ থেকে ২০২৬—তার পথচলা যেন স্বপ্নের মতোই। শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছেছেন। যে কোনো গায়কের মনেই এমন স্বপ্ন থাকে। ইমরান তা করে দেখিয়েছেন।
২০০৮ সালে ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ইমরান। চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি বটে, হয়েছিলেন প্রথম রানারআপ। অথচ সেই ইমরানই কয়েক বছরের ব্যবধানে হয়ে ওঠেন দেশের সংগীতাঙ্গনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। একের পর এক সুপারহিট গান দিয়ে শ্রোতামনে জায়গা করে নেন। অডিও-মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে চলচ্চিত্রের গানেও হয়ে ওঠেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
২০০৮ সালের আজকের দিনেই সেরাকণ্ঠে প্রথম রানারআপের পুরস্কার নিয়েছিলেন ইমরান। আনুষ্ঠানিক সংগীত জীবনের এই দেড় যুগ পূর্তিতে উচ্ছ্বসিত শিল্পী। এক বার্তায় বললেন, ‘সে দিনের সেই ছোট্ট স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা। এই ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য, ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া, আপনাদের ভালোবাসা।’
শ্রোতা-ভক্তদের উদ্দেশে এই গায়ক বলেন, ‘আমি জানি না এই দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা সুর, প্রতিটা মঞ্চ, আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি। যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।’

গান নিয়ে আগামী জীবনটাও কাটিয়ে দিতে চান এই শিল্পী, ‘১৮ বছর শেষ নয়, এটা শুধু আরেকটা নতুন অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন গান করে যেতে চাই। আর আপনাদের ভালোবাসা নিয়েই পথটা পাড়ি দিতে চাই।’
বর্তমানে ইমরান রয়েছেন আমেরিকা ট্যুরে। সেখানে একের পর এক শহরে করছেন কনসার্ট। তার এই মিউজিক্যাল ট্যুর চলবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমার ‘তুই কি আমার হবি রে’ গানের জন্য গায়ক ও সুরকার
বিভাগে একসঙ্গে দুটি জাতীয় পুরস্কার পান ইমরান। পেয়েছেন ‘মেরিল প্রথম আলো’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’সহ আরও অনেক পুরস্কার।

গানে গানে সংগীতে দেড় যুগ পার করে দিলেন ইমরান মাহমুদুল। ২০০৮ থেকে ২০২৬—তার পথচলা যেন স্বপ্নের মতোই। শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছেছেন। যে কোনো গায়কের মনেই এমন স্বপ্ন থাকে। ইমরান তা করে দেখিয়েছেন।
২০০৮ সালে ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ইমরান। চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি বটে, হয়েছিলেন প্রথম রানারআপ। অথচ সেই ইমরানই কয়েক বছরের ব্যবধানে হয়ে ওঠেন দেশের সংগীতাঙ্গনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। একের পর এক সুপারহিট গান দিয়ে শ্রোতামনে জায়গা করে নেন। অডিও-মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে চলচ্চিত্রের গানেও হয়ে ওঠেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
২০০৮ সালের আজকের দিনেই সেরাকণ্ঠে প্রথম রানারআপের পুরস্কার নিয়েছিলেন ইমরান। আনুষ্ঠানিক সংগীত জীবনের এই দেড় যুগ পূর্তিতে উচ্ছ্বসিত শিল্পী। এক বার্তায় বললেন, ‘সে দিনের সেই ছোট্ট স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা। এই ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য, ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া, আপনাদের ভালোবাসা।’
শ্রোতা-ভক্তদের উদ্দেশে এই গায়ক বলেন, ‘আমি জানি না এই দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা সুর, প্রতিটা মঞ্চ, আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি। যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।’

গান নিয়ে আগামী জীবনটাও কাটিয়ে দিতে চান এই শিল্পী, ‘১৮ বছর শেষ নয়, এটা শুধু আরেকটা নতুন অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন গান করে যেতে চাই। আর আপনাদের ভালোবাসা নিয়েই পথটা পাড়ি দিতে চাই।’
বর্তমানে ইমরান রয়েছেন আমেরিকা ট্যুরে। সেখানে একের পর এক শহরে করছেন কনসার্ট। তার এই মিউজিক্যাল ট্যুর চলবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমার ‘তুই কি আমার হবি রে’ গানের জন্য গায়ক ও সুরকার
বিভাগে একসঙ্গে দুটি জাতীয় পুরস্কার পান ইমরান। পেয়েছেন ‘মেরিল প্রথম আলো’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’সহ আরও অনেক পুরস্কার।

‘যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, গেয়ে যাবো’
বিনোদন ডেস্ক

গানে গানে সংগীতে দেড় যুগ পার করে দিলেন ইমরান মাহমুদুল। ২০০৮ থেকে ২০২৬—তার পথচলা যেন স্বপ্নের মতোই। শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছেছেন। যে কোনো গায়কের মনেই এমন স্বপ্ন থাকে। ইমরান তা করে দেখিয়েছেন।
২০০৮ সালে ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ইমরান। চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি বটে, হয়েছিলেন প্রথম রানারআপ। অথচ সেই ইমরানই কয়েক বছরের ব্যবধানে হয়ে ওঠেন দেশের সংগীতাঙ্গনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। একের পর এক সুপারহিট গান দিয়ে শ্রোতামনে জায়গা করে নেন। অডিও-মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে চলচ্চিত্রের গানেও হয়ে ওঠেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
২০০৮ সালের আজকের দিনেই সেরাকণ্ঠে প্রথম রানারআপের পুরস্কার নিয়েছিলেন ইমরান। আনুষ্ঠানিক সংগীত জীবনের এই দেড় যুগ পূর্তিতে উচ্ছ্বসিত শিল্পী। এক বার্তায় বললেন, ‘সে দিনের সেই ছোট্ট স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা। এই ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য, ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া, আপনাদের ভালোবাসা।’
শ্রোতা-ভক্তদের উদ্দেশে এই গায়ক বলেন, ‘আমি জানি না এই দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা সুর, প্রতিটা মঞ্চ, আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি। যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।’

গান নিয়ে আগামী জীবনটাও কাটিয়ে দিতে চান এই শিল্পী, ‘১৮ বছর শেষ নয়, এটা শুধু আরেকটা নতুন অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন গান করে যেতে চাই। আর আপনাদের ভালোবাসা নিয়েই পথটা পাড়ি দিতে চাই।’
বর্তমানে ইমরান রয়েছেন আমেরিকা ট্যুরে। সেখানে একের পর এক শহরে করছেন কনসার্ট। তার এই মিউজিক্যাল ট্যুর চলবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমার ‘তুই কি আমার হবি রে’ গানের জন্য গায়ক ও সুরকার
বিভাগে একসঙ্গে দুটি জাতীয় পুরস্কার পান ইমরান। পেয়েছেন ‘মেরিল প্রথম আলো’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’সহ আরও অনেক পুরস্কার।








