আপত্তির মুখে একের পর এক কনসার্ট বন্ধ, যা বলছেন শিল্পীরা

আপত্তির মুখে একের পর এক কনসার্ট বন্ধ, যা বলছেন শিল্পীরা
বিনোদন ডেস্ক

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ মহলের আপত্তির মুখে একের পর এক কনসার্ট বাতিলের ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিশেষ মহলের মধ্যে রয়েছে কিছু উগ্রপন্থী মানুষ। তৌহিদি জনতা অথবা বিভিন্ন নামে তারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটে। তবে গত দুই দিনের ব্যবধানে ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জে কনসার্ট বাতিলের ঘটনায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন সুরকার, সংগীতশিল্পী, আয়োজক ও সংগীতপ্রেমীরা।
এ বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে বলে জানান প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গান-বাজনা এ দেশের মানুষের মননে মিশে আছে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কেউ বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন একটি বার্তা সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আসা দরকার। তিনি উগ্রপন্থী হয়ে যারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রকে নষ্ট করে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান জানান। সংস্কৃতি না বাঁচলে দেশটাকে টিকিয়ে রাখা যাবে না বলেও জানান তিনি।
কনসার্ট বন্ধ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন বলেন, এ ধরনের ঘটনা শিল্পচর্চার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গান কিংবা কোনো অনুষ্ঠান কারো পছন্দ না হলে সেটি না দেখার অধিকার তার আছে, কিন্তু বন্ধ করে দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই। সরকারের কাছে তার দাবি, গানবাজনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে হবে। তবে সেখানে কোনো ধরনের নোংরামি বা অনিয়ম থাকা যাবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাবিনা ইয়াসমিনের মতে, সবকিছু স্বচ্ছ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে হবে। কিন্তু গানবাজনা বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উগ্র গোষ্ঠীগুলো এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে মনে করছেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। তিনি বলেন, বারবার কনসার্ট বন্ধ করে দেওয়ায় শিল্পীরা নিরুৎসাহিত হবে। উগ্র গোষ্ঠীগুলো হয়তো এটাই চায়। তারা শিল্পীদের ভয় দেখিয়ে, নিরুৎসাহিত করে এবং একসময় তাদের কাজকর্ম বন্ধ করে দিতে চায়। অথচ শিল্পীদের প্রধান আয়ের জায়গাগুলোর একটি হলো সারা দেশের কনসার্ট। এজন্য কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বেবী নাজনীন বলেন, আমার চাওয়া হলো সারা দেশে নির্বিঘ্নে সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত থাকুক। শিল্পীরা যেন ভয় বা অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকেন। সংস্কৃতির মানুষ যেনো নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে তাদের কাজ করে যেতে পারেন এই নিশ্চয়তা চান গুণী এই শিল্পী।
এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন আরেক কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তার ভাষ্য, কনসার্ট একজন শিল্পীর আয়ের প্রধান জায়গা। সেখানে হঠাৎ করে একটি কনসার্ট বাতিল হয়ে যাওয়া একজন শিল্পীর জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এভাবে কনসার্ট বাতিল হওয়ার ঘটনা ভালো লক্ষণ নয় বলেও জানান তিনি।
গায়িকা বলেন, কোনো ধর্ম বা মতের লোকের অনেক কিছুই ভালো না লাগতে পারে। কিন্তু দু-একজনের ব্যক্তিগত চিন্তা বা অপছন্দের কারণে একটি দেশের সংস্কৃতি এভাবে হুমকির মুখে পড়তে পারে না।
এ বিষয়ে প্রশাসনকে ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান ন্যান্সি। তিনি বলেন, কোনো বৈধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি থাকলে তার যৌক্তিকতা যাচাই করতে হবে। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে কেন একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে? আমরা তো কোনো জঙ্গি রাষ্ট্রে বাস করছি না। আমাদের পরিস্থিতি পাকিস্তানের মতোও নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কোনো অনুষ্ঠানে সমস্যা বা হুমকি তৈরি হলে সেটি মোকাবিলা করে শিল্পী ও দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ মহলের আপত্তির মুখে একের পর এক কনসার্ট বাতিলের ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিশেষ মহলের মধ্যে রয়েছে কিছু উগ্রপন্থী মানুষ। তৌহিদি জনতা অথবা বিভিন্ন নামে তারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটে। তবে গত দুই দিনের ব্যবধানে ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জে কনসার্ট বাতিলের ঘটনায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন সুরকার, সংগীতশিল্পী, আয়োজক ও সংগীতপ্রেমীরা।
এ বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে বলে জানান প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গান-বাজনা এ দেশের মানুষের মননে মিশে আছে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কেউ বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন একটি বার্তা সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আসা দরকার। তিনি উগ্রপন্থী হয়ে যারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রকে নষ্ট করে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান জানান। সংস্কৃতি না বাঁচলে দেশটাকে টিকিয়ে রাখা যাবে না বলেও জানান তিনি।
কনসার্ট বন্ধ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন বলেন, এ ধরনের ঘটনা শিল্পচর্চার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গান কিংবা কোনো অনুষ্ঠান কারো পছন্দ না হলে সেটি না দেখার অধিকার তার আছে, কিন্তু বন্ধ করে দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই। সরকারের কাছে তার দাবি, গানবাজনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে হবে। তবে সেখানে কোনো ধরনের নোংরামি বা অনিয়ম থাকা যাবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাবিনা ইয়াসমিনের মতে, সবকিছু স্বচ্ছ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে হবে। কিন্তু গানবাজনা বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উগ্র গোষ্ঠীগুলো এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে মনে করছেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। তিনি বলেন, বারবার কনসার্ট বন্ধ করে দেওয়ায় শিল্পীরা নিরুৎসাহিত হবে। উগ্র গোষ্ঠীগুলো হয়তো এটাই চায়। তারা শিল্পীদের ভয় দেখিয়ে, নিরুৎসাহিত করে এবং একসময় তাদের কাজকর্ম বন্ধ করে দিতে চায়। অথচ শিল্পীদের প্রধান আয়ের জায়গাগুলোর একটি হলো সারা দেশের কনসার্ট। এজন্য কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বেবী নাজনীন বলেন, আমার চাওয়া হলো সারা দেশে নির্বিঘ্নে সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত থাকুক। শিল্পীরা যেন ভয় বা অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকেন। সংস্কৃতির মানুষ যেনো নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে তাদের কাজ করে যেতে পারেন এই নিশ্চয়তা চান গুণী এই শিল্পী।
এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন আরেক কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তার ভাষ্য, কনসার্ট একজন শিল্পীর আয়ের প্রধান জায়গা। সেখানে হঠাৎ করে একটি কনসার্ট বাতিল হয়ে যাওয়া একজন শিল্পীর জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এভাবে কনসার্ট বাতিল হওয়ার ঘটনা ভালো লক্ষণ নয় বলেও জানান তিনি।
গায়িকা বলেন, কোনো ধর্ম বা মতের লোকের অনেক কিছুই ভালো না লাগতে পারে। কিন্তু দু-একজনের ব্যক্তিগত চিন্তা বা অপছন্দের কারণে একটি দেশের সংস্কৃতি এভাবে হুমকির মুখে পড়তে পারে না।
এ বিষয়ে প্রশাসনকে ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান ন্যান্সি। তিনি বলেন, কোনো বৈধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি থাকলে তার যৌক্তিকতা যাচাই করতে হবে। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে কেন একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে? আমরা তো কোনো জঙ্গি রাষ্ট্রে বাস করছি না। আমাদের পরিস্থিতি পাকিস্তানের মতোও নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কোনো অনুষ্ঠানে সমস্যা বা হুমকি তৈরি হলে সেটি মোকাবিলা করে শিল্পী ও দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

আপত্তির মুখে একের পর এক কনসার্ট বন্ধ, যা বলছেন শিল্পীরা
বিনোদন ডেস্ক

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ মহলের আপত্তির মুখে একের পর এক কনসার্ট বাতিলের ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিশেষ মহলের মধ্যে রয়েছে কিছু উগ্রপন্থী মানুষ। তৌহিদি জনতা অথবা বিভিন্ন নামে তারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটে। তবে গত দুই দিনের ব্যবধানে ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জে কনসার্ট বাতিলের ঘটনায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন সুরকার, সংগীতশিল্পী, আয়োজক ও সংগীতপ্রেমীরা।
এ বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে বলে জানান প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গান-বাজনা এ দেশের মানুষের মননে মিশে আছে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কেউ বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন একটি বার্তা সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আসা দরকার। তিনি উগ্রপন্থী হয়ে যারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রকে নষ্ট করে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান জানান। সংস্কৃতি না বাঁচলে দেশটাকে টিকিয়ে রাখা যাবে না বলেও জানান তিনি।
কনসার্ট বন্ধ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন বলেন, এ ধরনের ঘটনা শিল্পচর্চার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গান কিংবা কোনো অনুষ্ঠান কারো পছন্দ না হলে সেটি না দেখার অধিকার তার আছে, কিন্তু বন্ধ করে দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই। সরকারের কাছে তার দাবি, গানবাজনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে হবে। তবে সেখানে কোনো ধরনের নোংরামি বা অনিয়ম থাকা যাবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাবিনা ইয়াসমিনের মতে, সবকিছু স্বচ্ছ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে হবে। কিন্তু গানবাজনা বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উগ্র গোষ্ঠীগুলো এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে মনে করছেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। তিনি বলেন, বারবার কনসার্ট বন্ধ করে দেওয়ায় শিল্পীরা নিরুৎসাহিত হবে। উগ্র গোষ্ঠীগুলো হয়তো এটাই চায়। তারা শিল্পীদের ভয় দেখিয়ে, নিরুৎসাহিত করে এবং একসময় তাদের কাজকর্ম বন্ধ করে দিতে চায়। অথচ শিল্পীদের প্রধান আয়ের জায়গাগুলোর একটি হলো সারা দেশের কনসার্ট। এজন্য কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বেবী নাজনীন বলেন, আমার চাওয়া হলো সারা দেশে নির্বিঘ্নে সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত থাকুক। শিল্পীরা যেন ভয় বা অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকেন। সংস্কৃতির মানুষ যেনো নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে তাদের কাজ করে যেতে পারেন এই নিশ্চয়তা চান গুণী এই শিল্পী।
এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন আরেক কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তার ভাষ্য, কনসার্ট একজন শিল্পীর আয়ের প্রধান জায়গা। সেখানে হঠাৎ করে একটি কনসার্ট বাতিল হয়ে যাওয়া একজন শিল্পীর জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এভাবে কনসার্ট বাতিল হওয়ার ঘটনা ভালো লক্ষণ নয় বলেও জানান তিনি।
গায়িকা বলেন, কোনো ধর্ম বা মতের লোকের অনেক কিছুই ভালো না লাগতে পারে। কিন্তু দু-একজনের ব্যক্তিগত চিন্তা বা অপছন্দের কারণে একটি দেশের সংস্কৃতি এভাবে হুমকির মুখে পড়তে পারে না।
এ বিষয়ে প্রশাসনকে ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান ন্যান্সি। তিনি বলেন, কোনো বৈধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি থাকলে তার যৌক্তিকতা যাচাই করতে হবে। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে কেন একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে? আমরা তো কোনো জঙ্গি রাষ্ট্রে বাস করছি না। আমাদের পরিস্থিতি পাকিস্তানের মতোও নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কোনো অনুষ্ঠানে সমস্যা বা হুমকি তৈরি হলে সেটি মোকাবিলা করে শিল্পী ও দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

ইমাম-উলামাদের আপত্তির কারণে কিশোরগঞ্জে অ্যাশেজ ব্যান্ডের কনসার্ট স্থগিত
কমছে কনসার্টের ভেন্যু, সংকটে সংগীত আয়োজন






