মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালুর খবরে উচ্ছ্বাস

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালুর খবরে উচ্ছ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই বছরেরও অধিক সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলেছে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর ২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশের জন্য শ্রমবাজার বন্ধ করে দেয় দেশটি। ২৬ মাস পর গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। ফলে দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিবাসন প্রত্যাশী শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছেন।
গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দেন। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য ৮ শর্ত পূরণ করা ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা কুয়ালালামপুরকে দেয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করলো মালয়েশিয়া। এবার কর্মী নিয়োগে কিছু পরিবর্তন এসেছে। মাত্র ৬ হাজার টাকা ফি দিয়ে যেকোন এজেন্সি শ্রমিক পাঠাতে পারবে। অন্যদিকে নিয়োগদাতা ও নিয়োগানুমতি আনা প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমোদিত ২৫ এজেন্সি থেকে পছন্দমতো এজেন্সি বাছাই করতে পারবে। আর সরকারের অনুমোদনক্রমে ৩১২টি এজেন্সি ব্যবসা করতে পারবে। চেষ্টা চলছে অন্যসব এজেন্সিগুলোকেও এর আওতাভুক্ত করার। ২৫ এজেন্সির যে কারও অনুমোদন সাপেক্ষে যে লাইসেন্সে কাজ আসবে সে লাইসেন্সের অধীনে বিএমইটির ছাড়পত্র নেওয়ারও সুযোগ থাকবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং সব এজেন্সি অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলায় তারা ব্যাপক খুশি। সৌদি আরবের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশ। মালয়েশিয়ায় অধিক মজুরি ও কাজের পরিবেশ ভালো। তারা দক্ষ-অদক্ষ দু’ধরনের শ্রমিকই নেয়। এছাড়া ধর্মীয় দিক থেকেও দুই দেশের মিল রয়েছে। দুই বছরের বেশি সময় বাজারটি বন্ধ ছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টা এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টার ঐকান্তিক চেষ্টায় এই বাজারটি খোলা সম্ভব হয়েছে। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক শ্রমিক দেশে ফিরে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়া খুবই খুশির সংবাদ। আমরা আশা করছি শ্রমিকরা স্বল্প খরচে নিরাপদে মালয়েশিয়া যেতে পারবে। এর ফলে দেশের রেমিট্যান্সের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি স্বল্প খরচে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে। এছাড়া বায়রা সদস্যভুক্ত সকল এজেন্সি যেন কাজ পায়, সরকারের পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি সকল এজেন্সি কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং শ্রমিকরাও কম খরচে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।’

দুই বছরেরও অধিক সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলেছে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর ২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশের জন্য শ্রমবাজার বন্ধ করে দেয় দেশটি। ২৬ মাস পর গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। ফলে দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিবাসন প্রত্যাশী শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছেন।
গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দেন। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য ৮ শর্ত পূরণ করা ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা কুয়ালালামপুরকে দেয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করলো মালয়েশিয়া। এবার কর্মী নিয়োগে কিছু পরিবর্তন এসেছে। মাত্র ৬ হাজার টাকা ফি দিয়ে যেকোন এজেন্সি শ্রমিক পাঠাতে পারবে। অন্যদিকে নিয়োগদাতা ও নিয়োগানুমতি আনা প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমোদিত ২৫ এজেন্সি থেকে পছন্দমতো এজেন্সি বাছাই করতে পারবে। আর সরকারের অনুমোদনক্রমে ৩১২টি এজেন্সি ব্যবসা করতে পারবে। চেষ্টা চলছে অন্যসব এজেন্সিগুলোকেও এর আওতাভুক্ত করার। ২৫ এজেন্সির যে কারও অনুমোদন সাপেক্ষে যে লাইসেন্সে কাজ আসবে সে লাইসেন্সের অধীনে বিএমইটির ছাড়পত্র নেওয়ারও সুযোগ থাকবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং সব এজেন্সি অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলায় তারা ব্যাপক খুশি। সৌদি আরবের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশ। মালয়েশিয়ায় অধিক মজুরি ও কাজের পরিবেশ ভালো। তারা দক্ষ-অদক্ষ দু’ধরনের শ্রমিকই নেয়। এছাড়া ধর্মীয় দিক থেকেও দুই দেশের মিল রয়েছে। দুই বছরের বেশি সময় বাজারটি বন্ধ ছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টা এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টার ঐকান্তিক চেষ্টায় এই বাজারটি খোলা সম্ভব হয়েছে। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক শ্রমিক দেশে ফিরে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়া খুবই খুশির সংবাদ। আমরা আশা করছি শ্রমিকরা স্বল্প খরচে নিরাপদে মালয়েশিয়া যেতে পারবে। এর ফলে দেশের রেমিট্যান্সের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি স্বল্প খরচে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে। এছাড়া বায়রা সদস্যভুক্ত সকল এজেন্সি যেন কাজ পায়, সরকারের পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি সকল এজেন্সি কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং শ্রমিকরাও কম খরচে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।’

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালুর খবরে উচ্ছ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই বছরেরও অধিক সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলেছে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর ২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশের জন্য শ্রমবাজার বন্ধ করে দেয় দেশটি। ২৬ মাস পর গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। ফলে দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিবাসন প্রত্যাশী শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছেন।
গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দেন। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য ৮ শর্ত পূরণ করা ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা কুয়ালালামপুরকে দেয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করলো মালয়েশিয়া। এবার কর্মী নিয়োগে কিছু পরিবর্তন এসেছে। মাত্র ৬ হাজার টাকা ফি দিয়ে যেকোন এজেন্সি শ্রমিক পাঠাতে পারবে। অন্যদিকে নিয়োগদাতা ও নিয়োগানুমতি আনা প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমোদিত ২৫ এজেন্সি থেকে পছন্দমতো এজেন্সি বাছাই করতে পারবে। আর সরকারের অনুমোদনক্রমে ৩১২টি এজেন্সি ব্যবসা করতে পারবে। চেষ্টা চলছে অন্যসব এজেন্সিগুলোকেও এর আওতাভুক্ত করার। ২৫ এজেন্সির যে কারও অনুমোদন সাপেক্ষে যে লাইসেন্সে কাজ আসবে সে লাইসেন্সের অধীনে বিএমইটির ছাড়পত্র নেওয়ারও সুযোগ থাকবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং সব এজেন্সি অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলায় তারা ব্যাপক খুশি। সৌদি আরবের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশ। মালয়েশিয়ায় অধিক মজুরি ও কাজের পরিবেশ ভালো। তারা দক্ষ-অদক্ষ দু’ধরনের শ্রমিকই নেয়। এছাড়া ধর্মীয় দিক থেকেও দুই দেশের মিল রয়েছে। দুই বছরের বেশি সময় বাজারটি বন্ধ ছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টা এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টার ঐকান্তিক চেষ্টায় এই বাজারটি খোলা সম্ভব হয়েছে। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক শ্রমিক দেশে ফিরে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়া খুবই খুশির সংবাদ। আমরা আশা করছি শ্রমিকরা স্বল্প খরচে নিরাপদে মালয়েশিয়া যেতে পারবে। এর ফলে দেশের রেমিট্যান্সের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি স্বল্প খরচে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে। এছাড়া বায়রা সদস্যভুক্ত সকল এজেন্সি যেন কাজ পায়, সরকারের পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি সকল এজেন্সি কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং শ্রমিকরাও কম খরচে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।’

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশের যে ২৫ এজেন্সি






