আলাউদ্দিন আলীর এক চড়ে বদলে গিয়েছিল বিশ্বজিতের জীবন

আলাউদ্দিন আলীর এক চড়ে বদলে গিয়েছিল বিশ্বজিতের জীবন
বিনোদন ডেস্ক

প্রথম গান গাইতে এসে ভয়ে স্টুডিও থেকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন এক তরুণ। ভেবেছিলেন সংগীতের পথ ছেড়ে চট্টগ্রামে ফিরে যাবেন। কিন্তু সুরের জাদুকর আলাউদ্দিন আলী পিছু ডেকে সজোরে বসিয়ে দিলেন এক চড়! সেই স্নেহের শাসন আর অভিভাবকের মতো দেওয়া সাহসেই জন্ম হয়েছিল দেশের সংগীত জগতের কিংবদন্তির।
কালজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলীর প্রয়াণ দিবস আজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় কুমার বিশ্বজিৎ জানিয়েছেন ১৯৮২ সালের সেই স্মরণীয় অভিজ্ঞতার কথা। ‘ইনস্পেক্টর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম প্লেব্যাক করতে শ্রুতি স্টুডিওতে গিয়ে সংগীতের গুণীজনদের ভিড় দেখে ঘাবড়ে যান তিনি। ভয় পেয়ে স্টুডিও থেকে বের হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আলাউদ্দিন আলী তার পেছনে এসে দাঁড়ান। গান না গেয়ে চট্টগ্রামে ফিরে যাওয়ার জেদ দেখে বিশ্বজিতের গালে এক চড় বসিয়ে দেন তিনি। চড় দিয়েই বলেছিলেন, যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াবে, ভাববে তুমিই সেরা। আর যদি চট্টগ্রামে ফিরে যাও, তবে তুমি শেষ! সেই ভালোবাসার শাসনই ঢাকায় টিকে থাকার সাহস জুগিয়েছিল আজকের কিংবদন্তি শিল্পীকে।
সুর আর কথার জাদু দিয়ে বহু যুগ ধরে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছেন আলাউদ্দিন আলী। ২০২০ সালের আজকের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জে জন্ম নেওয়া এ সুরস্রষ্টার সংগীতে হাতেখড়ি বাবা ওস্তাদ জাবেদ আলী ও চাচা সাদেক আলীর কাছে। গুণী সুরকার আনোয়ার পারভেজের সহকারী হিসেবে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে নিজেই হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের সংগীতের এক বড় স্তম্ভ।
‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’ কিংবা ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র মতো বিখ্যাত চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। ‘সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’, ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’ ও ‘আছেন আমার মোক্তার’-এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা ক্যারিয়ারে আটবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সুরের ভুবনে যার অবদান আকাশসম, সেই মহাজনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

প্রথম গান গাইতে এসে ভয়ে স্টুডিও থেকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন এক তরুণ। ভেবেছিলেন সংগীতের পথ ছেড়ে চট্টগ্রামে ফিরে যাবেন। কিন্তু সুরের জাদুকর আলাউদ্দিন আলী পিছু ডেকে সজোরে বসিয়ে দিলেন এক চড়! সেই স্নেহের শাসন আর অভিভাবকের মতো দেওয়া সাহসেই জন্ম হয়েছিল দেশের সংগীত জগতের কিংবদন্তির।
কালজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলীর প্রয়াণ দিবস আজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় কুমার বিশ্বজিৎ জানিয়েছেন ১৯৮২ সালের সেই স্মরণীয় অভিজ্ঞতার কথা। ‘ইনস্পেক্টর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম প্লেব্যাক করতে শ্রুতি স্টুডিওতে গিয়ে সংগীতের গুণীজনদের ভিড় দেখে ঘাবড়ে যান তিনি। ভয় পেয়ে স্টুডিও থেকে বের হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আলাউদ্দিন আলী তার পেছনে এসে দাঁড়ান। গান না গেয়ে চট্টগ্রামে ফিরে যাওয়ার জেদ দেখে বিশ্বজিতের গালে এক চড় বসিয়ে দেন তিনি। চড় দিয়েই বলেছিলেন, যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াবে, ভাববে তুমিই সেরা। আর যদি চট্টগ্রামে ফিরে যাও, তবে তুমি শেষ! সেই ভালোবাসার শাসনই ঢাকায় টিকে থাকার সাহস জুগিয়েছিল আজকের কিংবদন্তি শিল্পীকে।
সুর আর কথার জাদু দিয়ে বহু যুগ ধরে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছেন আলাউদ্দিন আলী। ২০২০ সালের আজকের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জে জন্ম নেওয়া এ সুরস্রষ্টার সংগীতে হাতেখড়ি বাবা ওস্তাদ জাবেদ আলী ও চাচা সাদেক আলীর কাছে। গুণী সুরকার আনোয়ার পারভেজের সহকারী হিসেবে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে নিজেই হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের সংগীতের এক বড় স্তম্ভ।
‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’ কিংবা ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র মতো বিখ্যাত চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। ‘সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’, ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’ ও ‘আছেন আমার মোক্তার’-এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা ক্যারিয়ারে আটবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সুরের ভুবনে যার অবদান আকাশসম, সেই মহাজনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

আলাউদ্দিন আলীর এক চড়ে বদলে গিয়েছিল বিশ্বজিতের জীবন
বিনোদন ডেস্ক

প্রথম গান গাইতে এসে ভয়ে স্টুডিও থেকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন এক তরুণ। ভেবেছিলেন সংগীতের পথ ছেড়ে চট্টগ্রামে ফিরে যাবেন। কিন্তু সুরের জাদুকর আলাউদ্দিন আলী পিছু ডেকে সজোরে বসিয়ে দিলেন এক চড়! সেই স্নেহের শাসন আর অভিভাবকের মতো দেওয়া সাহসেই জন্ম হয়েছিল দেশের সংগীত জগতের কিংবদন্তির।
কালজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলীর প্রয়াণ দিবস আজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় কুমার বিশ্বজিৎ জানিয়েছেন ১৯৮২ সালের সেই স্মরণীয় অভিজ্ঞতার কথা। ‘ইনস্পেক্টর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম প্লেব্যাক করতে শ্রুতি স্টুডিওতে গিয়ে সংগীতের গুণীজনদের ভিড় দেখে ঘাবড়ে যান তিনি। ভয় পেয়ে স্টুডিও থেকে বের হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আলাউদ্দিন আলী তার পেছনে এসে দাঁড়ান। গান না গেয়ে চট্টগ্রামে ফিরে যাওয়ার জেদ দেখে বিশ্বজিতের গালে এক চড় বসিয়ে দেন তিনি। চড় দিয়েই বলেছিলেন, যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াবে, ভাববে তুমিই সেরা। আর যদি চট্টগ্রামে ফিরে যাও, তবে তুমি শেষ! সেই ভালোবাসার শাসনই ঢাকায় টিকে থাকার সাহস জুগিয়েছিল আজকের কিংবদন্তি শিল্পীকে।
সুর আর কথার জাদু দিয়ে বহু যুগ ধরে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছেন আলাউদ্দিন আলী। ২০২০ সালের আজকের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জে জন্ম নেওয়া এ সুরস্রষ্টার সংগীতে হাতেখড়ি বাবা ওস্তাদ জাবেদ আলী ও চাচা সাদেক আলীর কাছে। গুণী সুরকার আনোয়ার পারভেজের সহকারী হিসেবে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে নিজেই হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের সংগীতের এক বড় স্তম্ভ।
‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’ কিংবা ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র মতো বিখ্যাত চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। ‘সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি’, ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’ ও ‘আছেন আমার মোক্তার’-এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা ক্যারিয়ারে আটবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সুরের ভুবনে যার অবদান আকাশসম, সেই মহাজনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

শ্রোতাদের জন্য রাজেশ ঘোষের নতুন উপহার






