বিয়েতে রাজি না হওয়ায় গায়িকা খুন

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় গায়িকা খুন
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের পাঞ্জাবি সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় নাম ইন্দর কৌর। তিনি যশিন্দর কৌর নামেও পরিচিত। গত ১৩ মে নিখোঁজ হওয়ার ৬ দিন পর লুধিয়ানার কাছে নীলো খাল থেকে ২৯ বছর বয়সী এই শিল্পীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঞ্জাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।
পাঞ্জাব নিউজ লাইভ ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুসারে, আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন ইন্দর কৌরকে বন্দুকের মুখে অপহরণ করা হয়েছিল। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের ভাষ্যমতে, তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহতের পরিবার জানান, গত ১৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাজার করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ইন্দর। এরপর বাড়ি না ফেরায় এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলে তার খোঁজ শুরু করেন। পরে পুলিশের কাছে যান।
তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মোগার গ্রামের বাসিন্দা সুখবিন্দর সিং নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে সে কানাডায় থাকেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সুখবিন্দর আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তানও আছে। এ ঘটনা জানার পর ইন্দর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি ইন্দরকে বিয়ে করার জন্য জোর করতে থাকেন। তবে সে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
পরিবারের অভিযোগ, এর জের ধরেই ১৩ মে সুখবিন্দর ও তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে ইন্দরকে অপহরণ করে এবং পরে হত্যা করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, অভিযুক্ত কানাডা থেকে নেপাল হয়ে পাঞ্জাবে আসে এবং খুন করার পর একই পথে পালিয়ে যায়।
গত ১৫ মে জামালপুর থানায় সুখবিন্দর সিং ও তার সহযোগী করমজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ইন্দর কৌরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সামরালার সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।
পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো পুলিশ ব্যবস্থা নিলে হয়তো জনপ্রিয় এই শিল্পীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
ইন্দর কৌর পাঞ্জাবি সংগীত জগতের পরিচিত মুখ ছিলেন। ‘আফগান জট্টি’, ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’ ও ‘সোনে দি ওয়াং’-এর মতো জনপ্রিয় গান দিয়ে তিনি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। গানের পাশাপাশি তিনি পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা ছিল ব্যাপক। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার।
জনপ্রিয় এই শিল্পীর মৃত্যুতে পাঞ্জাবি সংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও ভক্তরা দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পাঞ্জাবি সংগীত জগতে ইন্দর কৌর এক পরিচিত নাম। ‘আফগান জট্টি’, ‘আতে দি চিড়ি’ ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’ ও ‘সোনে দি ওয়াং’-এর মতো জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তার ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি ফলোয়ার রয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ভক্তদের মধ্যে শোকের বন্যা বয়ে গেছে।
একজন ফলোয়ার লিখেছেন, ‘শান্তিতে থাকুন’। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘হৃদয়বিদারক।’ তৃতীয় একজন শুধু লিখেছেন, ‘খুবই দুঃখজনক’।
কর্তৃপক্ষ অপহরণ এবং জোরপূর্বক বিয়ের চাপের অভিযোগসহ সমস্ত প্রমাণ খতিয়ে দেখছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
সূত্র: টাইমস ইন্টারটেইনমেন্ট

ভারতের পাঞ্জাবি সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় নাম ইন্দর কৌর। তিনি যশিন্দর কৌর নামেও পরিচিত। গত ১৩ মে নিখোঁজ হওয়ার ৬ দিন পর লুধিয়ানার কাছে নীলো খাল থেকে ২৯ বছর বয়সী এই শিল্পীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঞ্জাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।
পাঞ্জাব নিউজ লাইভ ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুসারে, আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন ইন্দর কৌরকে বন্দুকের মুখে অপহরণ করা হয়েছিল। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের ভাষ্যমতে, তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহতের পরিবার জানান, গত ১৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাজার করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ইন্দর। এরপর বাড়ি না ফেরায় এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলে তার খোঁজ শুরু করেন। পরে পুলিশের কাছে যান।
তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মোগার গ্রামের বাসিন্দা সুখবিন্দর সিং নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে সে কানাডায় থাকেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সুখবিন্দর আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তানও আছে। এ ঘটনা জানার পর ইন্দর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি ইন্দরকে বিয়ে করার জন্য জোর করতে থাকেন। তবে সে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
পরিবারের অভিযোগ, এর জের ধরেই ১৩ মে সুখবিন্দর ও তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে ইন্দরকে অপহরণ করে এবং পরে হত্যা করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, অভিযুক্ত কানাডা থেকে নেপাল হয়ে পাঞ্জাবে আসে এবং খুন করার পর একই পথে পালিয়ে যায়।
গত ১৫ মে জামালপুর থানায় সুখবিন্দর সিং ও তার সহযোগী করমজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ইন্দর কৌরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সামরালার সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।
পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো পুলিশ ব্যবস্থা নিলে হয়তো জনপ্রিয় এই শিল্পীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
ইন্দর কৌর পাঞ্জাবি সংগীত জগতের পরিচিত মুখ ছিলেন। ‘আফগান জট্টি’, ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’ ও ‘সোনে দি ওয়াং’-এর মতো জনপ্রিয় গান দিয়ে তিনি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। গানের পাশাপাশি তিনি পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা ছিল ব্যাপক। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার।
জনপ্রিয় এই শিল্পীর মৃত্যুতে পাঞ্জাবি সংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও ভক্তরা দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পাঞ্জাবি সংগীত জগতে ইন্দর কৌর এক পরিচিত নাম। ‘আফগান জট্টি’, ‘আতে দি চিড়ি’ ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’ ও ‘সোনে দি ওয়াং’-এর মতো জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তার ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি ফলোয়ার রয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ভক্তদের মধ্যে শোকের বন্যা বয়ে গেছে।
একজন ফলোয়ার লিখেছেন, ‘শান্তিতে থাকুন’। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘হৃদয়বিদারক।’ তৃতীয় একজন শুধু লিখেছেন, ‘খুবই দুঃখজনক’।
কর্তৃপক্ষ অপহরণ এবং জোরপূর্বক বিয়ের চাপের অভিযোগসহ সমস্ত প্রমাণ খতিয়ে দেখছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
সূত্র: টাইমস ইন্টারটেইনমেন্ট

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় গায়িকা খুন
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের পাঞ্জাবি সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় নাম ইন্দর কৌর। তিনি যশিন্দর কৌর নামেও পরিচিত। গত ১৩ মে নিখোঁজ হওয়ার ৬ দিন পর লুধিয়ানার কাছে নীলো খাল থেকে ২৯ বছর বয়সী এই শিল্পীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঞ্জাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।
পাঞ্জাব নিউজ লাইভ ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুসারে, আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন ইন্দর কৌরকে বন্দুকের মুখে অপহরণ করা হয়েছিল। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের ভাষ্যমতে, তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহতের পরিবার জানান, গত ১৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাজার করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ইন্দর। এরপর বাড়ি না ফেরায় এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলে তার খোঁজ শুরু করেন। পরে পুলিশের কাছে যান।
তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মোগার গ্রামের বাসিন্দা সুখবিন্দর সিং নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে সে কানাডায় থাকেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সুখবিন্দর আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তানও আছে। এ ঘটনা জানার পর ইন্দর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি ইন্দরকে বিয়ে করার জন্য জোর করতে থাকেন। তবে সে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
পরিবারের অভিযোগ, এর জের ধরেই ১৩ মে সুখবিন্দর ও তার সহযোগীরা অস্ত্রের মুখে ইন্দরকে অপহরণ করে এবং পরে হত্যা করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, অভিযুক্ত কানাডা থেকে নেপাল হয়ে পাঞ্জাবে আসে এবং খুন করার পর একই পথে পালিয়ে যায়।
গত ১৫ মে জামালপুর থানায় সুখবিন্দর সিং ও তার সহযোগী করমজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ইন্দর কৌরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সামরালার সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।
পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো পুলিশ ব্যবস্থা নিলে হয়তো জনপ্রিয় এই শিল্পীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
ইন্দর কৌর পাঞ্জাবি সংগীত জগতের পরিচিত মুখ ছিলেন। ‘আফগান জট্টি’, ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’ ও ‘সোনে দি ওয়াং’-এর মতো জনপ্রিয় গান দিয়ে তিনি শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। গানের পাশাপাশি তিনি পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার জনপ্রিয়তা ছিল ব্যাপক। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার।
জনপ্রিয় এই শিল্পীর মৃত্যুতে পাঞ্জাবি সংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও ভক্তরা দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পাঞ্জাবি সংগীত জগতে ইন্দর কৌর এক পরিচিত নাম। ‘আফগান জট্টি’, ‘আতে দি চিড়ি’ ‘সোহনা লাগদা’, ‘লানেদারনি’ ও ‘সোনে দি ওয়াং’-এর মতো জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তার ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি ফলোয়ার রয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ভক্তদের মধ্যে শোকের বন্যা বয়ে গেছে।
একজন ফলোয়ার লিখেছেন, ‘শান্তিতে থাকুন’। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘হৃদয়বিদারক।’ তৃতীয় একজন শুধু লিখেছেন, ‘খুবই দুঃখজনক’।
কর্তৃপক্ষ অপহরণ এবং জোরপূর্বক বিয়ের চাপের অভিযোগসহ সমস্ত প্রমাণ খতিয়ে দেখছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
সূত্র: টাইমস ইন্টারটেইনমেন্ট

শৈশবের সেই দুঃসহ স্মৃতি আজও তাড়া করে প্রিয়ন্তীর
কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশি শর্ট ফিল্ম ‘নুড়ি’


