ফুটবলের প্রেমে বলিউড, বিশ্বকাপ ঘিরে তারকাদের উচ্ছ্বাস

ফুটবলের প্রেমে বলিউড, বিশ্বকাপ ঘিরে তারকাদের উচ্ছ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

বলিউড তারকারা কেবল ক্রিকেট নয়, ফুটবলেরও কড়া ভক্ত। বিশ্বকাপ এলেই বলিউড তারকাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সাক্ষাৎকার, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনেও ফুটবল জায়গা করে নেয়। বিশ্বকাপের আবহে চলুন জেনে নেওয়া যাক বলিউডের সবচেয়ে ‘ফুটবলপাগল’ কয়েকজন তারকার গল্প।
বলিউডের ‘কিং খান’ খ্যাত শাহরুখ খান বহুবার বলেছেন, ফুটবল তার অন্যতম প্রিয় খেলা। ক্রিকেটে আইপিএল দল থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি ফুটবলের প্রতি বিশেষ দুর্বল। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সময় থেকে শুরু করে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি ম্যাচ নিয়ে টুইট করেছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের খেলা নিয়ে তার আগ্রহ বরাবরই আলোচনায় এসেছে। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে তিনি বলেছিলেন, লিওনেল মেসির হাতে বিশ্বকাপ দেখাটা হবে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আবেগের মুহূর্ত।
ফুটবলপ্রীতির কথা উঠলে প্রথম সারিতেই থাকবে রণবীর কাপুরের নাম। তিনি শুধু দর্শক নন, নিয়মিত ফুটবল খেলেনও। রণবীরের সবচেয়ে বড় পরিচয়, তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির একনিষ্ঠ সমর্থক। বহুবার তিনি ম্যানচেস্টার সিটির ম্যাচ দেখতে ইংল্যান্ডে গেছেন। ক্লাবটির খেলোয়াড়দের সঙ্গেও তার দেখা হয়েছে। বলিউডে ‘অল স্টার ফুটবল ক্লাব’-এর অন্যতম সক্রিয় সদস্য রণবীর। নিয়মিত চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নেন। বিশ্বকাপ চলাকালে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবল নিয়ে পোস্টের সংখ্যা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। ২০২২ সালে মেসির বিশ্বকাপ জয়ের পর রণবীর প্রকাশ্যে বলেন, তিনি ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন।
অভিষেক বচ্চনের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাও বহুদিনের। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ সব ধরনের বড় টুর্নামেন্টই তিনি আগ্রহ নিয়ে অনুসরণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে প্রায়ই বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং একাধিকবার তাকে স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে দেখা গেছে। ফুটবল নিয়ে তার বিশ্লেষণও ভক্তদের কাছে বেশ সমাদৃত। দেশের তরুণদের মধ্যে ফুটবলের বিস্তার ঘটাতে বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। তার মতে, ভারতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।
বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহাম শুধু ফুটবলের ভক্ত নন, ভারতীয় ফুটবলের বিকাশে সরাসরি ভূমিকা রাখারও চেষ্টা করেছেন। একসময় তিনির্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন। ভারতীয় ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে নানা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন তিনি।
তার মতে, আগামী দিনে ভারতের অন্যতম প্রধান খেলায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ফুটবলের। বিশ্বকাপ চলাকালে ম্যাচ বিশ্লেষণ ও নিজের মতামত ভাগ করে নেওয়াও তার নিয়মিত অভ্যাস। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও জার্মানির খেলার প্রতি তার আলাদা আগ্রহ রয়েছে।
অর্জুন কাপুর ফুটবল নিয়ে গভীর জ্ঞানের জন্য বন্ধু মহলে পরিচিত। বিশেষ করে ইংলিশ ফুটবলের প্রতি তার আগ্রহ অনেক দিনের। বিশ্বকাপের সময় শুধু খেলা দেখা নয়, দলগুলোর কৌশল, খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম ও সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েও আলোচনা করতে পছন্দ করেন তিনি। বন্ধুদের সঙ্গে বসে ম্যাচ দেখা তার বিশ্বকাপ উদযাপনের অন্যতম অংশ।
শৈশব থেকেই ফুটবল খেলার সঙ্গে যুক্ত সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। অভিনয়জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও খেলাটির সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট রয়েছে। বিভিন্ন দাতব্য ম্যাচে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যায় তাকে। বিশ্বকাপের সময় প্রিয় দলের জার্সি পরে ছবি প্রকাশ করা এবং ম্যাচ নিয়ে মন্তব্য করা তার স্বভাবসিদ্ধ বিষয়।
ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কাজের চাপ না থাকলে প্রায় পুরো টুর্নামেন্টই অনুসরণ করেন তিনি।
বলিউডে ফুটবল সংস্কৃতির অন্যতম বড় পরিচয় ‘অল স্টার ফুটবল ক্লাব’। এই প্ল্যাটফর্মে রণবীর কাপুর, অভিষেক বচ্চন, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, অর্জুন কাপুর ও কার্তিক আরিয়ানের মতো অনেক তারকা একসঙ্গে খেলেছেন। মূলত দাতব্য উদ্দেশ্যে আয়োজিত এসব ম্যাচে বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত হন। ম্যাচ থেকে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে ব্যয় করা হয়।
ফুটবল নিয়ে আরেকটি চিরন্তন বিতর্ক হলো মেসি না রোনালদো? বলিউডও এর ব্যতিক্রম নয়। রণবীর কাপুর ও কার্তিক আরিয়ানের মতো বেশ কয়েকজন তারকা প্রকাশ্যে মেসির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে টাইগার শ্রফসহ কয়েকজন অভিনেতা বরাবরই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দুই শিবিরের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
ব্যস্ত শুটিং সূচি, প্রচারণা কার্যক্রম এবং ব্যবসায়িক ব্যস্ততার মাঝেও বিশ্বকাপ এলেই বদলে যায় অনেক বলিউড তারকার জীবনযাত্রা। রাত জেগে ম্যাচ দেখা, বন্ধুদের নিয়ে ওয়াচ পার্টির আয়োজন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্লেষণ প্রকাশ কিংবা প্রিয় দলের জার্সি পরে ছবি তোলা সব মিলিয়ে ফুটবল তাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এ কারণেই বলিউডের ঝলমলে জগতেও বিশ্বকাপের উন্মাদনা সমান তালে অনুভূত হয়।

বলিউড তারকারা কেবল ক্রিকেট নয়, ফুটবলেরও কড়া ভক্ত। বিশ্বকাপ এলেই বলিউড তারকাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সাক্ষাৎকার, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনেও ফুটবল জায়গা করে নেয়। বিশ্বকাপের আবহে চলুন জেনে নেওয়া যাক বলিউডের সবচেয়ে ‘ফুটবলপাগল’ কয়েকজন তারকার গল্প।
বলিউডের ‘কিং খান’ খ্যাত শাহরুখ খান বহুবার বলেছেন, ফুটবল তার অন্যতম প্রিয় খেলা। ক্রিকেটে আইপিএল দল থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি ফুটবলের প্রতি বিশেষ দুর্বল। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সময় থেকে শুরু করে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি ম্যাচ নিয়ে টুইট করেছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের খেলা নিয়ে তার আগ্রহ বরাবরই আলোচনায় এসেছে। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে তিনি বলেছিলেন, লিওনেল মেসির হাতে বিশ্বকাপ দেখাটা হবে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আবেগের মুহূর্ত।
ফুটবলপ্রীতির কথা উঠলে প্রথম সারিতেই থাকবে রণবীর কাপুরের নাম। তিনি শুধু দর্শক নন, নিয়মিত ফুটবল খেলেনও। রণবীরের সবচেয়ে বড় পরিচয়, তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির একনিষ্ঠ সমর্থক। বহুবার তিনি ম্যানচেস্টার সিটির ম্যাচ দেখতে ইংল্যান্ডে গেছেন। ক্লাবটির খেলোয়াড়দের সঙ্গেও তার দেখা হয়েছে। বলিউডে ‘অল স্টার ফুটবল ক্লাব’-এর অন্যতম সক্রিয় সদস্য রণবীর। নিয়মিত চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নেন। বিশ্বকাপ চলাকালে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবল নিয়ে পোস্টের সংখ্যা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। ২০২২ সালে মেসির বিশ্বকাপ জয়ের পর রণবীর প্রকাশ্যে বলেন, তিনি ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন।
অভিষেক বচ্চনের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাও বহুদিনের। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ সব ধরনের বড় টুর্নামেন্টই তিনি আগ্রহ নিয়ে অনুসরণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে প্রায়ই বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং একাধিকবার তাকে স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে দেখা গেছে। ফুটবল নিয়ে তার বিশ্লেষণও ভক্তদের কাছে বেশ সমাদৃত। দেশের তরুণদের মধ্যে ফুটবলের বিস্তার ঘটাতে বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। তার মতে, ভারতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।
বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহাম শুধু ফুটবলের ভক্ত নন, ভারতীয় ফুটবলের বিকাশে সরাসরি ভূমিকা রাখারও চেষ্টা করেছেন। একসময় তিনির্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন। ভারতীয় ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে নানা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন তিনি।
তার মতে, আগামী দিনে ভারতের অন্যতম প্রধান খেলায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ফুটবলের। বিশ্বকাপ চলাকালে ম্যাচ বিশ্লেষণ ও নিজের মতামত ভাগ করে নেওয়াও তার নিয়মিত অভ্যাস। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও জার্মানির খেলার প্রতি তার আলাদা আগ্রহ রয়েছে।
অর্জুন কাপুর ফুটবল নিয়ে গভীর জ্ঞানের জন্য বন্ধু মহলে পরিচিত। বিশেষ করে ইংলিশ ফুটবলের প্রতি তার আগ্রহ অনেক দিনের। বিশ্বকাপের সময় শুধু খেলা দেখা নয়, দলগুলোর কৌশল, খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম ও সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েও আলোচনা করতে পছন্দ করেন তিনি। বন্ধুদের সঙ্গে বসে ম্যাচ দেখা তার বিশ্বকাপ উদযাপনের অন্যতম অংশ।
শৈশব থেকেই ফুটবল খেলার সঙ্গে যুক্ত সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। অভিনয়জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও খেলাটির সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট রয়েছে। বিভিন্ন দাতব্য ম্যাচে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যায় তাকে। বিশ্বকাপের সময় প্রিয় দলের জার্সি পরে ছবি প্রকাশ করা এবং ম্যাচ নিয়ে মন্তব্য করা তার স্বভাবসিদ্ধ বিষয়।
ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কাজের চাপ না থাকলে প্রায় পুরো টুর্নামেন্টই অনুসরণ করেন তিনি।
বলিউডে ফুটবল সংস্কৃতির অন্যতম বড় পরিচয় ‘অল স্টার ফুটবল ক্লাব’। এই প্ল্যাটফর্মে রণবীর কাপুর, অভিষেক বচ্চন, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, অর্জুন কাপুর ও কার্তিক আরিয়ানের মতো অনেক তারকা একসঙ্গে খেলেছেন। মূলত দাতব্য উদ্দেশ্যে আয়োজিত এসব ম্যাচে বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত হন। ম্যাচ থেকে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে ব্যয় করা হয়।
ফুটবল নিয়ে আরেকটি চিরন্তন বিতর্ক হলো মেসি না রোনালদো? বলিউডও এর ব্যতিক্রম নয়। রণবীর কাপুর ও কার্তিক আরিয়ানের মতো বেশ কয়েকজন তারকা প্রকাশ্যে মেসির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে টাইগার শ্রফসহ কয়েকজন অভিনেতা বরাবরই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দুই শিবিরের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
ব্যস্ত শুটিং সূচি, প্রচারণা কার্যক্রম এবং ব্যবসায়িক ব্যস্ততার মাঝেও বিশ্বকাপ এলেই বদলে যায় অনেক বলিউড তারকার জীবনযাত্রা। রাত জেগে ম্যাচ দেখা, বন্ধুদের নিয়ে ওয়াচ পার্টির আয়োজন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্লেষণ প্রকাশ কিংবা প্রিয় দলের জার্সি পরে ছবি তোলা সব মিলিয়ে ফুটবল তাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এ কারণেই বলিউডের ঝলমলে জগতেও বিশ্বকাপের উন্মাদনা সমান তালে অনুভূত হয়।

ফুটবলের প্রেমে বলিউড, বিশ্বকাপ ঘিরে তারকাদের উচ্ছ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক

বলিউড তারকারা কেবল ক্রিকেট নয়, ফুটবলেরও কড়া ভক্ত। বিশ্বকাপ এলেই বলিউড তারকাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সাক্ষাৎকার, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনেও ফুটবল জায়গা করে নেয়। বিশ্বকাপের আবহে চলুন জেনে নেওয়া যাক বলিউডের সবচেয়ে ‘ফুটবলপাগল’ কয়েকজন তারকার গল্প।
বলিউডের ‘কিং খান’ খ্যাত শাহরুখ খান বহুবার বলেছেন, ফুটবল তার অন্যতম প্রিয় খেলা। ক্রিকেটে আইপিএল দল থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি ফুটবলের প্রতি বিশেষ দুর্বল। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সময় থেকে শুরু করে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তিনি ম্যাচ নিয়ে টুইট করেছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের খেলা নিয়ে তার আগ্রহ বরাবরই আলোচনায় এসেছে। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে তিনি বলেছিলেন, লিওনেল মেসির হাতে বিশ্বকাপ দেখাটা হবে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আবেগের মুহূর্ত।
ফুটবলপ্রীতির কথা উঠলে প্রথম সারিতেই থাকবে রণবীর কাপুরের নাম। তিনি শুধু দর্শক নন, নিয়মিত ফুটবল খেলেনও। রণবীরের সবচেয়ে বড় পরিচয়, তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির একনিষ্ঠ সমর্থক। বহুবার তিনি ম্যানচেস্টার সিটির ম্যাচ দেখতে ইংল্যান্ডে গেছেন। ক্লাবটির খেলোয়াড়দের সঙ্গেও তার দেখা হয়েছে। বলিউডে ‘অল স্টার ফুটবল ক্লাব’-এর অন্যতম সক্রিয় সদস্য রণবীর। নিয়মিত চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নেন। বিশ্বকাপ চলাকালে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবল নিয়ে পোস্টের সংখ্যা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। ২০২২ সালে মেসির বিশ্বকাপ জয়ের পর রণবীর প্রকাশ্যে বলেন, তিনি ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন।
অভিষেক বচ্চনের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাও বহুদিনের। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ সব ধরনের বড় টুর্নামেন্টই তিনি আগ্রহ নিয়ে অনুসরণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে প্রায়ই বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং একাধিকবার তাকে স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে দেখা গেছে। ফুটবল নিয়ে তার বিশ্লেষণও ভক্তদের কাছে বেশ সমাদৃত। দেশের তরুণদের মধ্যে ফুটবলের বিস্তার ঘটাতে বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। তার মতে, ভারতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।
বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহাম শুধু ফুটবলের ভক্ত নন, ভারতীয় ফুটবলের বিকাশে সরাসরি ভূমিকা রাখারও চেষ্টা করেছেন। একসময় তিনির্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন। ভারতীয় ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে নানা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন তিনি।
তার মতে, আগামী দিনে ভারতের অন্যতম প্রধান খেলায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ফুটবলের। বিশ্বকাপ চলাকালে ম্যাচ বিশ্লেষণ ও নিজের মতামত ভাগ করে নেওয়াও তার নিয়মিত অভ্যাস। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও জার্মানির খেলার প্রতি তার আলাদা আগ্রহ রয়েছে।
অর্জুন কাপুর ফুটবল নিয়ে গভীর জ্ঞানের জন্য বন্ধু মহলে পরিচিত। বিশেষ করে ইংলিশ ফুটবলের প্রতি তার আগ্রহ অনেক দিনের। বিশ্বকাপের সময় শুধু খেলা দেখা নয়, দলগুলোর কৌশল, খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম ও সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েও আলোচনা করতে পছন্দ করেন তিনি। বন্ধুদের সঙ্গে বসে ম্যাচ দেখা তার বিশ্বকাপ উদযাপনের অন্যতম অংশ।
শৈশব থেকেই ফুটবল খেলার সঙ্গে যুক্ত সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। অভিনয়জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও খেলাটির সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট রয়েছে। বিভিন্ন দাতব্য ম্যাচে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যায় তাকে। বিশ্বকাপের সময় প্রিয় দলের জার্সি পরে ছবি প্রকাশ করা এবং ম্যাচ নিয়ে মন্তব্য করা তার স্বভাবসিদ্ধ বিষয়।
ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কাজের চাপ না থাকলে প্রায় পুরো টুর্নামেন্টই অনুসরণ করেন তিনি।
বলিউডে ফুটবল সংস্কৃতির অন্যতম বড় পরিচয় ‘অল স্টার ফুটবল ক্লাব’। এই প্ল্যাটফর্মে রণবীর কাপুর, অভিষেক বচ্চন, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, অর্জুন কাপুর ও কার্তিক আরিয়ানের মতো অনেক তারকা একসঙ্গে খেলেছেন। মূলত দাতব্য উদ্দেশ্যে আয়োজিত এসব ম্যাচে বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত হন। ম্যাচ থেকে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে ব্যয় করা হয়।
ফুটবল নিয়ে আরেকটি চিরন্তন বিতর্ক হলো মেসি না রোনালদো? বলিউডও এর ব্যতিক্রম নয়। রণবীর কাপুর ও কার্তিক আরিয়ানের মতো বেশ কয়েকজন তারকা প্রকাশ্যে মেসির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে টাইগার শ্রফসহ কয়েকজন অভিনেতা বরাবরই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দুই শিবিরের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
ব্যস্ত শুটিং সূচি, প্রচারণা কার্যক্রম এবং ব্যবসায়িক ব্যস্ততার মাঝেও বিশ্বকাপ এলেই বদলে যায় অনেক বলিউড তারকার জীবনযাত্রা। রাত জেগে ম্যাচ দেখা, বন্ধুদের নিয়ে ওয়াচ পার্টির আয়োজন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্লেষণ প্রকাশ কিংবা প্রিয় দলের জার্সি পরে ছবি তোলা সব মিলিয়ে ফুটবল তাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এ কারণেই বলিউডের ঝলমলে জগতেও বিশ্বকাপের উন্মাদনা সমান তালে অনুভূত হয়।

২০০ কোটি টাকার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জ্যাকলিন

