৫১৪ শিক্ষার্থীর শিক্ষক মাত্র একজন

৫১৪ শিক্ষার্থীর শিক্ষক মাত্র একজন
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই একর ৫১ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৫ সালে গড়ে উঠেছে পাটগ্রামের দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৯৬ সালে এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলটি সরকারি হয়েছে ২০১৩-এ। স্কুলটির বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১৪ জন। কিন্তু শিক্ষক মাত্র একজন।
শুধু শিক্ষক-সংকটই নয়, দহগ্রাম সরকারি স্কুলটিতে সংকট তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদেও। এই দুই শ্রেণিতে ৭টি পদের বিপরীতে এখানে রয়েছেন মাত্র দুজন। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্কুলটিতে শিক্ষকের ২৭টি পদ রয়েছে। কিন্তু ৫১৪ জন শিক্ষার্থীকে নির্ভর থাকতে হচ্ছে মাত্র একজন শিক্ষকের ওপর।
বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, সামাজিকবিজ্ঞান, ধর্ম, ভূগোল, কৃষিশিক্ষা, চারুকলা, শারীরিক শিক্ষাসহ অধিকাংশ বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকের পদও শূন্য। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই যোগ দেওয়া প্রধান শিক্ষক ২০২৪ সালের ১২ মে অবসরে চলে গেছেন। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি। বর্তমানে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
স্কুলটির শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, একজন শিক্ষককে একই সময়ে তিন-চারটি শ্রেণি সামলাতে হয়। একটি শ্রেণিতে লিখিত কাজ দিয়ে অন্য শ্রেণিতে গিয়ে পাঠদান করতে হয়। এতে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও ফলাফল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয় পরিচালনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিমাসেই শিক্ষক সংকটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখনো কোনো পদায়ন হয়নি।

দুই একর ৫১ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৫ সালে গড়ে উঠেছে পাটগ্রামের দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৯৬ সালে এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলটি সরকারি হয়েছে ২০১৩-এ। স্কুলটির বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১৪ জন। কিন্তু শিক্ষক মাত্র একজন।
শুধু শিক্ষক-সংকটই নয়, দহগ্রাম সরকারি স্কুলটিতে সংকট তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদেও। এই দুই শ্রেণিতে ৭টি পদের বিপরীতে এখানে রয়েছেন মাত্র দুজন। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্কুলটিতে শিক্ষকের ২৭টি পদ রয়েছে। কিন্তু ৫১৪ জন শিক্ষার্থীকে নির্ভর থাকতে হচ্ছে মাত্র একজন শিক্ষকের ওপর।
বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, সামাজিকবিজ্ঞান, ধর্ম, ভূগোল, কৃষিশিক্ষা, চারুকলা, শারীরিক শিক্ষাসহ অধিকাংশ বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকের পদও শূন্য। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই যোগ দেওয়া প্রধান শিক্ষক ২০২৪ সালের ১২ মে অবসরে চলে গেছেন। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি। বর্তমানে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
স্কুলটির শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, একজন শিক্ষককে একই সময়ে তিন-চারটি শ্রেণি সামলাতে হয়। একটি শ্রেণিতে লিখিত কাজ দিয়ে অন্য শ্রেণিতে গিয়ে পাঠদান করতে হয়। এতে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও ফলাফল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয় পরিচালনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিমাসেই শিক্ষক সংকটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখনো কোনো পদায়ন হয়নি।

৫১৪ শিক্ষার্থীর শিক্ষক মাত্র একজন
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই একর ৫১ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৫ সালে গড়ে উঠেছে পাটগ্রামের দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৯৬ সালে এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলটি সরকারি হয়েছে ২০১৩-এ। স্কুলটির বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১৪ জন। কিন্তু শিক্ষক মাত্র একজন।
শুধু শিক্ষক-সংকটই নয়, দহগ্রাম সরকারি স্কুলটিতে সংকট তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদেও। এই দুই শ্রেণিতে ৭টি পদের বিপরীতে এখানে রয়েছেন মাত্র দুজন। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্কুলটিতে শিক্ষকের ২৭টি পদ রয়েছে। কিন্তু ৫১৪ জন শিক্ষার্থীকে নির্ভর থাকতে হচ্ছে মাত্র একজন শিক্ষকের ওপর।
বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, সামাজিকবিজ্ঞান, ধর্ম, ভূগোল, কৃষিশিক্ষা, চারুকলা, শারীরিক শিক্ষাসহ অধিকাংশ বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকের পদও শূন্য। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই যোগ দেওয়া প্রধান শিক্ষক ২০২৪ সালের ১২ মে অবসরে চলে গেছেন। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি। বর্তমানে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
স্কুলটির শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, একজন শিক্ষককে একই সময়ে তিন-চারটি শ্রেণি সামলাতে হয়। একটি শ্রেণিতে লিখিত কাজ দিয়ে অন্য শ্রেণিতে গিয়ে পাঠদান করতে হয়। এতে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও ফলাফল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয় পরিচালনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিমাসেই শিক্ষক সংকটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখনো কোনো পদায়ন হয়নি।









