আজ পরীক্ষা শেষে ‘লংমার্চ’ শিক্ষার্থীদের

আজ পরীক্ষা শেষে ‘লংমার্চ’ শিক্ষার্থীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বন্যা পরিস্থিতি ও পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যেও দেশের ৫৯ জেলায় আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা শেষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে ‘লংমার্চে’ অংশ নেবেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হয় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনের পরীক্ষা। তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর আওতাধীন মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন জেলার পরীক্ষা আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থগিত রয়েছে।
আজ দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র এবং মানবিক বিভাগের যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোও ছিল সরগরম। আন্দোলনের মধ্যেও পরীক্ষায় অংশ নেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শেষে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে লংমার্চ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। পরে মিছিল নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নিলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলন চলাকালে পুলিশ সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা অবস্থান অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
পরে পুলিশ সংসদ ভবনের সামনের এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেট এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানেও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা কর্মসূচি চালিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীরা সেদিনের কর্মসূচি স্থগিত করে রাজপথ ছাড়েন।
আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি থেকে তারা সরে আসছেন না। রাতেই পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে এবং তা লংমার্চ বা অন্য কোনো কর্মসূচি হতে পারে।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
এদিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি জানিয়েছে, জলাবদ্ধতার কারণে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা গ্রহণের উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

বন্যা পরিস্থিতি ও পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যেও দেশের ৫৯ জেলায় আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা শেষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে ‘লংমার্চে’ অংশ নেবেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হয় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনের পরীক্ষা। তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর আওতাধীন মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন জেলার পরীক্ষা আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থগিত রয়েছে।
আজ দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র এবং মানবিক বিভাগের যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোও ছিল সরগরম। আন্দোলনের মধ্যেও পরীক্ষায় অংশ নেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শেষে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে লংমার্চ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। পরে মিছিল নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নিলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলন চলাকালে পুলিশ সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা অবস্থান অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
পরে পুলিশ সংসদ ভবনের সামনের এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেট এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানেও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা কর্মসূচি চালিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীরা সেদিনের কর্মসূচি স্থগিত করে রাজপথ ছাড়েন।
আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি থেকে তারা সরে আসছেন না। রাতেই পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে এবং তা লংমার্চ বা অন্য কোনো কর্মসূচি হতে পারে।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
এদিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি জানিয়েছে, জলাবদ্ধতার কারণে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা গ্রহণের উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

আজ পরীক্ষা শেষে ‘লংমার্চ’ শিক্ষার্থীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বন্যা পরিস্থিতি ও পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যেও দেশের ৫৯ জেলায় আজ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা শেষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে ‘লংমার্চে’ অংশ নেবেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হয় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনের পরীক্ষা। তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর আওতাধীন মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন জেলার পরীক্ষা আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থগিত রয়েছে।
আজ দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র এবং মানবিক বিভাগের যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যায়। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোও ছিল সরগরম। আন্দোলনের মধ্যেও পরীক্ষায় অংশ নেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শেষে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে লংমার্চ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। পরে মিছিল নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নিলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলন চলাকালে পুলিশ সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা অবস্থান অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
পরে পুলিশ সংসদ ভবনের সামনের এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেট এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানেও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা কর্মসূচি চালিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীরা সেদিনের কর্মসূচি স্থগিত করে রাজপথ ছাড়েন।
আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি থেকে তারা সরে আসছেন না। রাতেই পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে এবং তা লংমার্চ বা অন্য কোনো কর্মসূচি হতে পারে।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
এদিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি জানিয়েছে, জলাবদ্ধতার কারণে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা গ্রহণের উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ






