ইউএস-বাংলার নতুন টিকিটিং নীতিতে চাপে ট্রাভেল এজেন্সি

ইউএস-বাংলার নতুন টিকিটিং নীতিতে চাপে ট্রাভেল এজেন্সি
সিটিজেন ডেস্ক

বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্স জিডিএস (গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম)–ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এজেন্সি ডেবিট মেমো (এডিএম) এবং অনিয়মিত বুকিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
নতুন এ নীতিমালা নিয়ে টিকিটিং ও রিজার্ভেশন খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন এতে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখা, ফ্লাইটের নির্দিষ্ট অংশ (সেগমেন্ট) বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানো কিংবা যাত্রার একেবারে কাছাকাছি সময়ে বুকিং পরিবর্তনের মতো নানা অনিয়ম চলছিল। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে এয়ারলাইনটি।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যুকৃত টিকিট শুধুমাত্র একই দিনে বাতিল করা যাবে এবং তা অবশ্যই প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে হতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট অংশ একযোগে বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের মতো কোনো যাত্রাপথে একটি অংশ বহাল রেখে অন্য অংশ বাতিল করে পুরো টিকিট বাতিল দেখানো হলে তা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টিকিট বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গ করে টিকিট বাতিল, ফ্লাইট অংশ বহাল রেখে বাতিল দেখানো কিংবা নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে কোনো পরিবর্তন আনার চেষ্টা করলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা, প্রযোজ্য ‘নো-শো’ চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ মার্কিন ডলার প্রশাসনিক ফি আরোপ করা হতে পারে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগে অনেক ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক সমন্বয়ের সুযোগ থাকলেও এখন ছোটখাটো ভুলও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।
তবে অনেকেই এয়ারলাইনটির সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলছেন। তাদের মতে, অপ্রয়োজনীয় বুকিং, কৃত্রিমভাবে আসন আটকে রাখা এবং অনিয়মিত টিকিট বাতিলের কারণে আসন ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব বিষয়ে আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতে পারে।
রিজার্ভেশন ও টিকিটিং খাতের সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, যারা পেশাদারভাবে বুকিং, টিকিট ইস্যু, বাতিল ও পরিবর্তনের কাজ পরিচালনা করেন, দীর্ঘমেয়াদে তাদের জন্য এই নীতিমালা ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। তবে ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, যাত্রীর শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন কিংবা কর্মীদের অসতর্কতার মতো পরিস্থিতিতে এখন এজেন্সিগুলোকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
একই সঙ্গে যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে ভ্রমণের তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য ও সামগ্রিক ভ্রমণ পরিকল্পনা নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ যাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে অনেক ক্ষেত্রেই এজেন্সির হাতে আর কোনো বিকল্প থাকে না এবং এয়ারলাইন নীতিমালার কারণে জরিমানা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।

বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্স জিডিএস (গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম)–ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এজেন্সি ডেবিট মেমো (এডিএম) এবং অনিয়মিত বুকিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
নতুন এ নীতিমালা নিয়ে টিকিটিং ও রিজার্ভেশন খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন এতে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখা, ফ্লাইটের নির্দিষ্ট অংশ (সেগমেন্ট) বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানো কিংবা যাত্রার একেবারে কাছাকাছি সময়ে বুকিং পরিবর্তনের মতো নানা অনিয়ম চলছিল। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে এয়ারলাইনটি।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যুকৃত টিকিট শুধুমাত্র একই দিনে বাতিল করা যাবে এবং তা অবশ্যই প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে হতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট অংশ একযোগে বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের মতো কোনো যাত্রাপথে একটি অংশ বহাল রেখে অন্য অংশ বাতিল করে পুরো টিকিট বাতিল দেখানো হলে তা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টিকিট বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গ করে টিকিট বাতিল, ফ্লাইট অংশ বহাল রেখে বাতিল দেখানো কিংবা নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে কোনো পরিবর্তন আনার চেষ্টা করলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা, প্রযোজ্য ‘নো-শো’ চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ মার্কিন ডলার প্রশাসনিক ফি আরোপ করা হতে পারে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগে অনেক ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক সমন্বয়ের সুযোগ থাকলেও এখন ছোটখাটো ভুলও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।
তবে অনেকেই এয়ারলাইনটির সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলছেন। তাদের মতে, অপ্রয়োজনীয় বুকিং, কৃত্রিমভাবে আসন আটকে রাখা এবং অনিয়মিত টিকিট বাতিলের কারণে আসন ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব বিষয়ে আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতে পারে।
রিজার্ভেশন ও টিকিটিং খাতের সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, যারা পেশাদারভাবে বুকিং, টিকিট ইস্যু, বাতিল ও পরিবর্তনের কাজ পরিচালনা করেন, দীর্ঘমেয়াদে তাদের জন্য এই নীতিমালা ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। তবে ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, যাত্রীর শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন কিংবা কর্মীদের অসতর্কতার মতো পরিস্থিতিতে এখন এজেন্সিগুলোকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
একই সঙ্গে যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে ভ্রমণের তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য ও সামগ্রিক ভ্রমণ পরিকল্পনা নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ যাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে অনেক ক্ষেত্রেই এজেন্সির হাতে আর কোনো বিকল্প থাকে না এবং এয়ারলাইন নীতিমালার কারণে জরিমানা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।

ইউএস-বাংলার নতুন টিকিটিং নীতিতে চাপে ট্রাভেল এজেন্সি
সিটিজেন ডেস্ক

বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্স জিডিএস (গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম)–ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এজেন্সি ডেবিট মেমো (এডিএম) এবং অনিয়মিত বুকিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
নতুন এ নীতিমালা নিয়ে টিকিটিং ও রিজার্ভেশন খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন এতে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখা, ফ্লাইটের নির্দিষ্ট অংশ (সেগমেন্ট) বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানো কিংবা যাত্রার একেবারে কাছাকাছি সময়ে বুকিং পরিবর্তনের মতো নানা অনিয়ম চলছিল। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে এয়ারলাইনটি।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যুকৃত টিকিট শুধুমাত্র একই দিনে বাতিল করা যাবে এবং তা অবশ্যই প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে হতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট অংশ একযোগে বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের মতো কোনো যাত্রাপথে একটি অংশ বহাল রেখে অন্য অংশ বাতিল করে পুরো টিকিট বাতিল দেখানো হলে তা নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টিকিট বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গ করে টিকিট বাতিল, ফ্লাইট অংশ বহাল রেখে বাতিল দেখানো কিংবা নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে কোনো পরিবর্তন আনার চেষ্টা করলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা, প্রযোজ্য ‘নো-শো’ চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ মার্কিন ডলার প্রশাসনিক ফি আরোপ করা হতে পারে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগে অনেক ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক সমন্বয়ের সুযোগ থাকলেও এখন ছোটখাটো ভুলও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।
তবে অনেকেই এয়ারলাইনটির সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলছেন। তাদের মতে, অপ্রয়োজনীয় বুকিং, কৃত্রিমভাবে আসন আটকে রাখা এবং অনিয়মিত টিকিট বাতিলের কারণে আসন ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব বিষয়ে আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতে পারে।
রিজার্ভেশন ও টিকিটিং খাতের সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, যারা পেশাদারভাবে বুকিং, টিকিট ইস্যু, বাতিল ও পরিবর্তনের কাজ পরিচালনা করেন, দীর্ঘমেয়াদে তাদের জন্য এই নীতিমালা ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। তবে ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, যাত্রীর শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন কিংবা কর্মীদের অসতর্কতার মতো পরিস্থিতিতে এখন এজেন্সিগুলোকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
একই সঙ্গে যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে ভ্রমণের তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য ও সামগ্রিক ভ্রমণ পরিকল্পনা নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ যাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে অনেক ক্ষেত্রেই এজেন্সির হাতে আর কোনো বিকল্প থাকে না এবং এয়ারলাইন নীতিমালার কারণে জরিমানা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।




