কোরবানির পশু কিনতে সামারাই ক্যাটেল ফার্মে মানুষের ভিড়

কোরবানির পশু কিনতে সামারাই ক্যাটেল ফার্মে মানুষের ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত সামারাই ক্যাটেল ফার্মে কোরবানির পশু কিনতে ও দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা-সাধারণ মানুষ। পছন্দের গরু বেছে নিতে কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসছেন, আবার কেউ পশুর দাম ও মান যাচাই করে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফার্মটিতে ক্রেতাদের উপস্থিতি আরও বাড়ছে।
শনিবার (২৩ মে) ফার্মে প্রবেশ করতেই প্রথমে একটি উট চোখে পড়ে। অনেক দর্শনার্থীকে উটের সঙ্গে ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে দেখা গেছে।

খামারটিতে ঐতিহ্যবাহী খোলা হাটের চেয়ে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত পরিবেশ দেখা গেছে। একটি বিশাল ছাউনির নিচে পশুগুলোকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেঝেতে কাদা-পানি এড়াতে এবং পশুদের আরামদায়ক অবস্থানের জন্য চট বিছানো হয়েছে। এছাড়াও তীব্র গরম থেকে পশুদের বাঁচাতে বড় আকৃতির স্ট্যান্ড ফ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে।
খামারে ক্রেতাদের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে সপরিবারে, এমনকি ছোট সন্তানদের সাথে নিয়ে এসেছেন।
মো. লিয়ন নামের একজন ক্রেতা বলেন, ছোট গরু কিনতে এসেছি। কিন্তু, আমার কাছে দাম বেশি মনে হয়েছে। তাই, এখনও কিনিনি।
মো. ইমাম নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, আজকে গরু কিনতে আসিনি। শুনেছি এখানে কোরবানির পশু বিক্রি করে, তাই আমার ছেলেকে নিয়ে দেখতে এসেছি।
ফার্মের কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে অনেক মানুষ এসে পশু দেখতে আসছেন এবং দাম জিজ্ঞেস করছেন। আজকে কোনো পশু বিক্রি না হলেও গতকাল ৭ টি মাঝারি ও ছোট সাইজের গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাইফুল ইসলাম বলেন, সামারাই ক্যাটেল ফার্মের মূল শাখা হচ্ছে রামপুরার নন্দীপাড়ায়। আর এখানেও (হাতিরঝিল) আমাদের শাখা রয়েছে। নন্দীপাড়া থেকে পশু নিয়ে এসে এখানে ডিসপ্লে করাসহ বিক্রি করা হয়।
তিনি জানান, ফার্মের হাতিরঝিলের এই শাখায় বড় ২ টি ছাগল এবং ছোট ১৫ টির মতো ছাগল রয়েছে। তবে, ছাগলগুলোর দাম কত সেটি তিনি জানেন না। এদিকে, উটের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এই উটটিকে গত পরশুদিন নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাইফুল ইসলামের তথ্যমতে, খামারটির হাতিরঝিলের এই শাখায় ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু রয়েছে ৪৫ টির মতো। বড় কোনো গরু খামারে আপাতত নেই। ছোট গরুর দাম ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর মাঝারি সাইজের গরুর দাম ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত সামারাই ক্যাটেল ফার্মে কোরবানির পশু কিনতে ও দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা-সাধারণ মানুষ। পছন্দের গরু বেছে নিতে কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসছেন, আবার কেউ পশুর দাম ও মান যাচাই করে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফার্মটিতে ক্রেতাদের উপস্থিতি আরও বাড়ছে।
শনিবার (২৩ মে) ফার্মে প্রবেশ করতেই প্রথমে একটি উট চোখে পড়ে। অনেক দর্শনার্থীকে উটের সঙ্গে ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে দেখা গেছে।

খামারটিতে ঐতিহ্যবাহী খোলা হাটের চেয়ে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত পরিবেশ দেখা গেছে। একটি বিশাল ছাউনির নিচে পশুগুলোকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেঝেতে কাদা-পানি এড়াতে এবং পশুদের আরামদায়ক অবস্থানের জন্য চট বিছানো হয়েছে। এছাড়াও তীব্র গরম থেকে পশুদের বাঁচাতে বড় আকৃতির স্ট্যান্ড ফ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে।
খামারে ক্রেতাদের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে সপরিবারে, এমনকি ছোট সন্তানদের সাথে নিয়ে এসেছেন।
মো. লিয়ন নামের একজন ক্রেতা বলেন, ছোট গরু কিনতে এসেছি। কিন্তু, আমার কাছে দাম বেশি মনে হয়েছে। তাই, এখনও কিনিনি।
মো. ইমাম নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, আজকে গরু কিনতে আসিনি। শুনেছি এখানে কোরবানির পশু বিক্রি করে, তাই আমার ছেলেকে নিয়ে দেখতে এসেছি।
ফার্মের কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে অনেক মানুষ এসে পশু দেখতে আসছেন এবং দাম জিজ্ঞেস করছেন। আজকে কোনো পশু বিক্রি না হলেও গতকাল ৭ টি মাঝারি ও ছোট সাইজের গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাইফুল ইসলাম বলেন, সামারাই ক্যাটেল ফার্মের মূল শাখা হচ্ছে রামপুরার নন্দীপাড়ায়। আর এখানেও (হাতিরঝিল) আমাদের শাখা রয়েছে। নন্দীপাড়া থেকে পশু নিয়ে এসে এখানে ডিসপ্লে করাসহ বিক্রি করা হয়।
তিনি জানান, ফার্মের হাতিরঝিলের এই শাখায় বড় ২ টি ছাগল এবং ছোট ১৫ টির মতো ছাগল রয়েছে। তবে, ছাগলগুলোর দাম কত সেটি তিনি জানেন না। এদিকে, উটের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এই উটটিকে গত পরশুদিন নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাইফুল ইসলামের তথ্যমতে, খামারটির হাতিরঝিলের এই শাখায় ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু রয়েছে ৪৫ টির মতো। বড় কোনো গরু খামারে আপাতত নেই। ছোট গরুর দাম ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর মাঝারি সাইজের গরুর দাম ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কোরবানির পশু কিনতে সামারাই ক্যাটেল ফার্মে মানুষের ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত সামারাই ক্যাটেল ফার্মে কোরবানির পশু কিনতে ও দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা-সাধারণ মানুষ। পছন্দের গরু বেছে নিতে কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসছেন, আবার কেউ পশুর দাম ও মান যাচাই করে আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফার্মটিতে ক্রেতাদের উপস্থিতি আরও বাড়ছে।
শনিবার (২৩ মে) ফার্মে প্রবেশ করতেই প্রথমে একটি উট চোখে পড়ে। অনেক দর্শনার্থীকে উটের সঙ্গে ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে দেখা গেছে।

খামারটিতে ঐতিহ্যবাহী খোলা হাটের চেয়ে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত পরিবেশ দেখা গেছে। একটি বিশাল ছাউনির নিচে পশুগুলোকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেঝেতে কাদা-পানি এড়াতে এবং পশুদের আরামদায়ক অবস্থানের জন্য চট বিছানো হয়েছে। এছাড়াও তীব্র গরম থেকে পশুদের বাঁচাতে বড় আকৃতির স্ট্যান্ড ফ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে।
খামারে ক্রেতাদের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে সপরিবারে, এমনকি ছোট সন্তানদের সাথে নিয়ে এসেছেন।
মো. লিয়ন নামের একজন ক্রেতা বলেন, ছোট গরু কিনতে এসেছি। কিন্তু, আমার কাছে দাম বেশি মনে হয়েছে। তাই, এখনও কিনিনি।
মো. ইমাম নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, আজকে গরু কিনতে আসিনি। শুনেছি এখানে কোরবানির পশু বিক্রি করে, তাই আমার ছেলেকে নিয়ে দেখতে এসেছি।
ফার্মের কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে অনেক মানুষ এসে পশু দেখতে আসছেন এবং দাম জিজ্ঞেস করছেন। আজকে কোনো পশু বিক্রি না হলেও গতকাল ৭ টি মাঝারি ও ছোট সাইজের গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাইফুল ইসলাম বলেন, সামারাই ক্যাটেল ফার্মের মূল শাখা হচ্ছে রামপুরার নন্দীপাড়ায়। আর এখানেও (হাতিরঝিল) আমাদের শাখা রয়েছে। নন্দীপাড়া থেকে পশু নিয়ে এসে এখানে ডিসপ্লে করাসহ বিক্রি করা হয়।
তিনি জানান, ফার্মের হাতিরঝিলের এই শাখায় বড় ২ টি ছাগল এবং ছোট ১৫ টির মতো ছাগল রয়েছে। তবে, ছাগলগুলোর দাম কত সেটি তিনি জানেন না। এদিকে, উটের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এই উটটিকে গত পরশুদিন নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাইফুল ইসলামের তথ্যমতে, খামারটির হাতিরঝিলের এই শাখায় ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু রয়েছে ৪৫ টির মতো। বড় কোনো গরু খামারে আপাতত নেই। ছোট গরুর দাম ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর মাঝারি সাইজের গরুর দাম ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

গাবতলী হাটে কোরবানির পশুর সরবরাহ বাড়লেও বিক্রিতে ধীরগতি
গাবতলী হাটে লাখ টাকার গরু নিয়ে অপেক্ষায় বিক্রেতারা


