গাবতলী হাটে লাখ টাকার গরু নিয়ে অপেক্ষায় বিক্রেতারা

গাবতলী হাটে লাখ টাকার গরু নিয়ে অপেক্ষায় বিক্রেতারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বড়, মাঝারি ও ছোট আকারের গরু নিয়ে গাবতলী হাটে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। ১ লাখ থেকে শুরু করে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত দামের গরু থাকলেও এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ বিক্রেতাই কোনো পশু বিক্রি করতে পারেননি।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাটজুড়ে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে ক্রেতাদের বেশিরভাগকেই গরু কেনার চেয়ে বিভিন্ন গরুর দাম জিজ্ঞেস করতে এবং ঘুরে ঘুরে পশু দেখতে দেখা গেছে। বিশেষ করে বড় আকারের গরুগুলোর সামনে ভিড় ছিল বেশি। অনেককে আবার সেসব গরুর সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির স্থানেও ছিল একই চিত্র। সেখানে ক্রেতারা পশুর আকার, দাম ও স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নিলেও ছাগল কিনতে দেখা যায়নি।
হাটে আসা সাধারণ মানুষ জানান, এখনই পশু কেনার পরিকল্পনা নেই। আপাতত বাজার পরিস্থিতি বুঝতে, পশু দেখতে এবং দাম সম্পর্কে ধারণা নিতেই তারা হাটে এসেছেন।
ফরিদপুর সদর থেকে গরু নিয়ে এসেছেন মো. এমরান হোসেন। তিনি জানান, আজ ভোরে ৬টি গরু নিয়ে হাটে এসেছেন। সবগুলোই বড় আকারের গরু, ছোট কোনো গরু নেই। প্রতিটি গরু থেকে ১৫ মনের বেশি মাংস পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। গরুগুলোর দাম রাখা হয়েছে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার মধ্যে। তবে এখনো পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি হয়নি। ক্রেতারা এসে শুধু দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমার এই ৬টি ফ্রিজেন ক্রস জাতের গরুর মধ্যে ২টি আমার বাড়িতে জন্ম নেওয়া। বাকি ৪টি ছোট অবস্থায় কিনেছিলাম, যার পেছনে খরচ হয়েছিল মোট ৮ লাখ টাকা। গত দুই বছর ধরে গরুগুলো লালন-পালন করেছি। প্রতিটি গরুর পেছনে ৩ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে একেকটি গরু বড় করতে প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। তাই গরুর আকার ও খরচ বিবেচনা করে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা দাম চেয়েছি। এতদিন ধরে যত্ন করে গরুগুলো বড় করেছি, সে হিসেবে লাভ তো করতেই হবে।
গত বছরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এমরান হোসেন। তিনি বলেন, গতবার ৯টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। এর মধ্যে মাত্র একটি ছিল বড়, বাকিগুলো ছোট। এবার সবগুলোই বড় গরু নিয়ে এসেছি।
অন্যদিকে মো. তুহিন জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে দুই দিন আগে তিনি ৬২টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ৫০টি বড় গরু এবং বাকি ১২টির মধ্যে ৪টির দাম রাখা হয়েছে ২ লাখ টাকা করে। অন্যগুলোর দাম ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যে। বড় গরুগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত। তার দাবি, এসব গরু থেকে সর্বনিম্ন ২৫ মনের বেশি মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি করতে পারিনি। তবে আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বেচাকেনা জমে উঠবে। মানুষ গরু দেখতে ভিড় করছে, দাম জিজ্ঞেস করছে, কিন্তু এখনো কেনাবেচা শুরু হয়নি।
কুষ্টিয়ার মেহেরপুর থেকে আসা মো. রাজিব উদ্দিন জানান, এবার তিনি মাঝারি আকারের ৩২টি গরু নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি গরুর দাম রাখা হয়েছে ৫ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত।
তিনি বলেন, প্রতিটি গরু থেকে আনুমানিক ৭ থেকে ১০ মণ পর্যন্ত মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রেতারা এসে গরুর দাম জিজ্ঞেস করছেন, তবে এখনো বেচাকেনা তেমন জমে ওঠেনি। গতবারও ২৬টি মাঝারি আকারের গরু এনেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সবগুলোই বিক্রি করতে পেরেছিলাম। এবারও ইনশাআল্লাহ সব গরু বিক্রি করতে পারবো।
অন্যদিকে মো. হাবিবুল ইসলাম জানান, তিনি মানিকগঞ্জ থেকে ১৪টি ছোট আকারের গরু নিয়ে এসেছেন। এসব গরু থেকে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ মণ পর্যন্ত মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, গরুগুলোর দাম রেখেছি ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ছাগল ও ভেড়া বিক্রেতা মো. বাশার জানান, বাজারে ছোট আকারের ছাগল ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব ছাগল থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ কেজি মাংস পাওয়া যাবে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ছোট আকারের ভেড়াও।
তিনি বলেন, মাঝারি আকারের ছাগল ও ভেড়ার দাম রাখা হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর বড় আকারের পশুগুলোর দাম ১৬ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। তবে এখনো বাজারে বেচাকেনা জমে ওঠেনি।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বড়, মাঝারি ও ছোট আকারের গরু নিয়ে গাবতলী হাটে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। ১ লাখ থেকে শুরু করে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত দামের গরু থাকলেও এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ বিক্রেতাই কোনো পশু বিক্রি করতে পারেননি।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাটজুড়ে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে ক্রেতাদের বেশিরভাগকেই গরু কেনার চেয়ে বিভিন্ন গরুর দাম জিজ্ঞেস করতে এবং ঘুরে ঘুরে পশু দেখতে দেখা গেছে। বিশেষ করে বড় আকারের গরুগুলোর সামনে ভিড় ছিল বেশি। অনেককে আবার সেসব গরুর সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির স্থানেও ছিল একই চিত্র। সেখানে ক্রেতারা পশুর আকার, দাম ও স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নিলেও ছাগল কিনতে দেখা যায়নি।
হাটে আসা সাধারণ মানুষ জানান, এখনই পশু কেনার পরিকল্পনা নেই। আপাতত বাজার পরিস্থিতি বুঝতে, পশু দেখতে এবং দাম সম্পর্কে ধারণা নিতেই তারা হাটে এসেছেন।
ফরিদপুর সদর থেকে গরু নিয়ে এসেছেন মো. এমরান হোসেন। তিনি জানান, আজ ভোরে ৬টি গরু নিয়ে হাটে এসেছেন। সবগুলোই বড় আকারের গরু, ছোট কোনো গরু নেই। প্রতিটি গরু থেকে ১৫ মনের বেশি মাংস পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। গরুগুলোর দাম রাখা হয়েছে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার মধ্যে। তবে এখনো পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি হয়নি। ক্রেতারা এসে শুধু দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমার এই ৬টি ফ্রিজেন ক্রস জাতের গরুর মধ্যে ২টি আমার বাড়িতে জন্ম নেওয়া। বাকি ৪টি ছোট অবস্থায় কিনেছিলাম, যার পেছনে খরচ হয়েছিল মোট ৮ লাখ টাকা। গত দুই বছর ধরে গরুগুলো লালন-পালন করেছি। প্রতিটি গরুর পেছনে ৩ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে একেকটি গরু বড় করতে প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। তাই গরুর আকার ও খরচ বিবেচনা করে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা দাম চেয়েছি। এতদিন ধরে যত্ন করে গরুগুলো বড় করেছি, সে হিসেবে লাভ তো করতেই হবে।
গত বছরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এমরান হোসেন। তিনি বলেন, গতবার ৯টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। এর মধ্যে মাত্র একটি ছিল বড়, বাকিগুলো ছোট। এবার সবগুলোই বড় গরু নিয়ে এসেছি।
অন্যদিকে মো. তুহিন জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে দুই দিন আগে তিনি ৬২টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ৫০টি বড় গরু এবং বাকি ১২টির মধ্যে ৪টির দাম রাখা হয়েছে ২ লাখ টাকা করে। অন্যগুলোর দাম ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যে। বড় গরুগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত। তার দাবি, এসব গরু থেকে সর্বনিম্ন ২৫ মনের বেশি মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি করতে পারিনি। তবে আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বেচাকেনা জমে উঠবে। মানুষ গরু দেখতে ভিড় করছে, দাম জিজ্ঞেস করছে, কিন্তু এখনো কেনাবেচা শুরু হয়নি।
কুষ্টিয়ার মেহেরপুর থেকে আসা মো. রাজিব উদ্দিন জানান, এবার তিনি মাঝারি আকারের ৩২টি গরু নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি গরুর দাম রাখা হয়েছে ৫ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত।
তিনি বলেন, প্রতিটি গরু থেকে আনুমানিক ৭ থেকে ১০ মণ পর্যন্ত মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রেতারা এসে গরুর দাম জিজ্ঞেস করছেন, তবে এখনো বেচাকেনা তেমন জমে ওঠেনি। গতবারও ২৬টি মাঝারি আকারের গরু এনেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সবগুলোই বিক্রি করতে পেরেছিলাম। এবারও ইনশাআল্লাহ সব গরু বিক্রি করতে পারবো।
অন্যদিকে মো. হাবিবুল ইসলাম জানান, তিনি মানিকগঞ্জ থেকে ১৪টি ছোট আকারের গরু নিয়ে এসেছেন। এসব গরু থেকে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ মণ পর্যন্ত মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, গরুগুলোর দাম রেখেছি ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ছাগল ও ভেড়া বিক্রেতা মো. বাশার জানান, বাজারে ছোট আকারের ছাগল ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব ছাগল থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ কেজি মাংস পাওয়া যাবে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ছোট আকারের ভেড়াও।
তিনি বলেন, মাঝারি আকারের ছাগল ও ভেড়ার দাম রাখা হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর বড় আকারের পশুগুলোর দাম ১৬ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। তবে এখনো বাজারে বেচাকেনা জমে ওঠেনি।

গাবতলী হাটে লাখ টাকার গরু নিয়ে অপেক্ষায় বিক্রেতারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বড়, মাঝারি ও ছোট আকারের গরু নিয়ে গাবতলী হাটে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। ১ লাখ থেকে শুরু করে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত দামের গরু থাকলেও এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ বিক্রেতাই কোনো পশু বিক্রি করতে পারেননি।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাটজুড়ে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে ক্রেতাদের বেশিরভাগকেই গরু কেনার চেয়ে বিভিন্ন গরুর দাম জিজ্ঞেস করতে এবং ঘুরে ঘুরে পশু দেখতে দেখা গেছে। বিশেষ করে বড় আকারের গরুগুলোর সামনে ভিড় ছিল বেশি। অনেককে আবার সেসব গরুর সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির স্থানেও ছিল একই চিত্র। সেখানে ক্রেতারা পশুর আকার, দাম ও স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নিলেও ছাগল কিনতে দেখা যায়নি।
হাটে আসা সাধারণ মানুষ জানান, এখনই পশু কেনার পরিকল্পনা নেই। আপাতত বাজার পরিস্থিতি বুঝতে, পশু দেখতে এবং দাম সম্পর্কে ধারণা নিতেই তারা হাটে এসেছেন।
ফরিদপুর সদর থেকে গরু নিয়ে এসেছেন মো. এমরান হোসেন। তিনি জানান, আজ ভোরে ৬টি গরু নিয়ে হাটে এসেছেন। সবগুলোই বড় আকারের গরু, ছোট কোনো গরু নেই। প্রতিটি গরু থেকে ১৫ মনের বেশি মাংস পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। গরুগুলোর দাম রাখা হয়েছে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার মধ্যে। তবে এখনো পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি হয়নি। ক্রেতারা এসে শুধু দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমার এই ৬টি ফ্রিজেন ক্রস জাতের গরুর মধ্যে ২টি আমার বাড়িতে জন্ম নেওয়া। বাকি ৪টি ছোট অবস্থায় কিনেছিলাম, যার পেছনে খরচ হয়েছিল মোট ৮ লাখ টাকা। গত দুই বছর ধরে গরুগুলো লালন-পালন করেছি। প্রতিটি গরুর পেছনে ৩ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে একেকটি গরু বড় করতে প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। তাই গরুর আকার ও খরচ বিবেচনা করে ৭ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা দাম চেয়েছি। এতদিন ধরে যত্ন করে গরুগুলো বড় করেছি, সে হিসেবে লাভ তো করতেই হবে।
গত বছরের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এমরান হোসেন। তিনি বলেন, গতবার ৯টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। এর মধ্যে মাত্র একটি ছিল বড়, বাকিগুলো ছোট। এবার সবগুলোই বড় গরু নিয়ে এসেছি।
অন্যদিকে মো. তুহিন জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে দুই দিন আগে তিনি ৬২টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ৫০টি বড় গরু এবং বাকি ১২টির মধ্যে ৪টির দাম রাখা হয়েছে ২ লাখ টাকা করে। অন্যগুলোর দাম ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যে। বড় গরুগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত। তার দাবি, এসব গরু থেকে সর্বনিম্ন ২৫ মনের বেশি মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি করতে পারিনি। তবে আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বেচাকেনা জমে উঠবে। মানুষ গরু দেখতে ভিড় করছে, দাম জিজ্ঞেস করছে, কিন্তু এখনো কেনাবেচা শুরু হয়নি।
কুষ্টিয়ার মেহেরপুর থেকে আসা মো. রাজিব উদ্দিন জানান, এবার তিনি মাঝারি আকারের ৩২টি গরু নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি গরুর দাম রাখা হয়েছে ৫ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত।
তিনি বলেন, প্রতিটি গরু থেকে আনুমানিক ৭ থেকে ১০ মণ পর্যন্ত মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রেতারা এসে গরুর দাম জিজ্ঞেস করছেন, তবে এখনো বেচাকেনা তেমন জমে ওঠেনি। গতবারও ২৬টি মাঝারি আকারের গরু এনেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সবগুলোই বিক্রি করতে পেরেছিলাম। এবারও ইনশাআল্লাহ সব গরু বিক্রি করতে পারবো।
অন্যদিকে মো. হাবিবুল ইসলাম জানান, তিনি মানিকগঞ্জ থেকে ১৪টি ছোট আকারের গরু নিয়ে এসেছেন। এসব গরু থেকে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ মণ পর্যন্ত মাংস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, গরুগুলোর দাম রেখেছি ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ছাগল ও ভেড়া বিক্রেতা মো. বাশার জানান, বাজারে ছোট আকারের ছাগল ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব ছাগল থেকে প্রায় ৭ থেকে ৮ কেজি মাংস পাওয়া যাবে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ছোট আকারের ভেড়াও।
তিনি বলেন, মাঝারি আকারের ছাগল ও ভেড়ার দাম রাখা হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। আর বড় আকারের পশুগুলোর দাম ১৬ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। তবে এখনো বাজারে বেচাকেনা জমে ওঠেনি।




