সরকারের শেষ সময়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়লো

সরকারের শেষ সময়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়লো
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বারবার মূল্যস্ফীতি কমানোর আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের শেষ সময়ে এসে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে। টানা তিন মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী এই প্রবণতায় নিম্নআয়ের ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিবিএস জানুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, খাদ্য খাতে মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। চাল, ডাল, মাছ, মুরগি, ডিম, দুধ, সবজি ও মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। খাদ্য খাতে টানা চার মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং এক বছর আগে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নির্বাচনের পর নতুন সরকার সাড়ে আট শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতির ভার বহন করবে, যা নিয়ন্ত্রণে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
গত তিন বছর ধরেই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। বিবিএসের হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর চাপ বাড়ছে
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি কার্যত এক ধরনের অদৃশ্য কর। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের বড় অংশই নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ে খরচ হয়ে যায়। এ অবস্থায় হঠাৎ জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং সেই অনুযায়ী আয় না বাড়লে মানুষকে ধারদেনা করতে হয় কিংবা খাদ্য, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাতে হয়।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম। অর্থাৎ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানেই জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। এর অর্থ হলো, আগের মাসগুলোর তুলনায় দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে—দাম আগের উচ্চ অবস্থানেই থেকে গেছে।

বারবার মূল্যস্ফীতি কমানোর আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের শেষ সময়ে এসে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে। টানা তিন মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী এই প্রবণতায় নিম্নআয়ের ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিবিএস জানুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, খাদ্য খাতে মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। চাল, ডাল, মাছ, মুরগি, ডিম, দুধ, সবজি ও মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। খাদ্য খাতে টানা চার মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং এক বছর আগে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নির্বাচনের পর নতুন সরকার সাড়ে আট শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতির ভার বহন করবে, যা নিয়ন্ত্রণে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
গত তিন বছর ধরেই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। বিবিএসের হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর চাপ বাড়ছে
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি কার্যত এক ধরনের অদৃশ্য কর। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের বড় অংশই নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ে খরচ হয়ে যায়। এ অবস্থায় হঠাৎ জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং সেই অনুযায়ী আয় না বাড়লে মানুষকে ধারদেনা করতে হয় কিংবা খাদ্য, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাতে হয়।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম। অর্থাৎ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানেই জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। এর অর্থ হলো, আগের মাসগুলোর তুলনায় দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে—দাম আগের উচ্চ অবস্থানেই থেকে গেছে।

সরকারের শেষ সময়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়লো
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বারবার মূল্যস্ফীতি কমানোর আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের শেষ সময়ে এসে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে। টানা তিন মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী এই প্রবণতায় নিম্নআয়ের ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং নভেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিবিএস জানুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, খাদ্য খাতে মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। চাল, ডাল, মাছ, মুরগি, ডিম, দুধ, সবজি ও মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। খাদ্য খাতে টানা চার মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং এক বছর আগে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নির্বাচনের পর নতুন সরকার সাড়ে আট শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতির ভার বহন করবে, যা নিয়ন্ত্রণে আনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
গত তিন বছর ধরেই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। বিবিএসের হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর চাপ বাড়ছে
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি কার্যত এক ধরনের অদৃশ্য কর। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের বড় অংশই নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ে খরচ হয়ে যায়। এ অবস্থায় হঠাৎ জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং সেই অনুযায়ী আয় না বাড়লে মানুষকে ধারদেনা করতে হয় কিংবা খাদ্য, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাতে হয়।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে কম। অর্থাৎ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানেই জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। এর অর্থ হলো, আগের মাসগুলোর তুলনায় দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে—দাম আগের উচ্চ অবস্থানেই থেকে গেছে।




