দেশের জিডিপি ছাড়ালো ৫০০ বিলিয়ন ডলার
দেশের জিডিপি ছাড়ালো ৫০০ বিলিয়ন ডলার
দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বেড়ে ৫০১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা দেশীয় মুদ্রায় দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা।


দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৫ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। তবে কৃষি শ্রমিকপ্রতি উৎপাদনশীলতায় দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

দেশের অর্থনীতি, জনসংখ্যা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি ও শিল্প উৎপাদনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব খাতের নীতিনির্ধারণে ভিত্তি হিসেবে কাজ করে সরকারি পরিসংখ্যান।

সরকারি ধান-চাল সংগ্রহে সাধারণ কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন কোনো সরকারের আমলেই হয়নি। চালকল মালিকরা যে সুবিধা পান সেই তুলনায় কৃষকের প্রাপ্তি খুবই সামান্য।

সরকারি কাজে গতিশীলতা আনা, দুর্নীতি ও অপচয় রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সরকারি খাতের বড় পাঁচটি সংস্থায় এক বিশাল সংস্কার কর্মসূচির সূচনা হতে যাচ্ছে।
দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বেড়ে ৫০১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা দেশীয় মুদ্রায় দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা।

আবারও ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গেল মূল্যস্ফীতি। সর্বশেষ এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ফলে জনসাধারণের ওপর চাপ আরেক দফা বাড়ল।

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির পরিসংখ্যানে মূল্যস্ফীতির পারদ কিছুটা নিম্নমুখী। তবে সাধারণ মানুষের পকেটে তার সুফল পৌঁছাচ্ছে না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ শতাংশের ওপরে।

বারবার মূল্যস্ফীতি কমানোর আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের শেষ সময়ে এসে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে। টানা তিন মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী এই প্রবণতায় নিম্নআয়ের ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরেও বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ডিসেম্বরে তা বেড়েছে হয়েছে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। দ্রব্যমূল্যের এ অস্বস্তি নিয়েই শেষ হলো ২০২৫ সাল।





