ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলনকারীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সন্দেহ

ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলনকারীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সন্দেহ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, ‘রাস্তার কোনো আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে না। আন্দোলনকারীরা প্রকৃত আমানতকারী কিনা তা সন্দেহ রয়েছে। তারা বিভিন্ন নামে বেনামে ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।’
মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরিফ হোসেন এ কথা বলেন।
ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের অন্যতম শক্তিশালী একটি ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক সবসময়ই ইসলামী ব্যাংকের পাশে আছে।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পাশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকবে। তাদের অবস্থান আরও মজবুত হবে। তাই ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক, আমানতকারী, রেমিট্যান্স প্রেরক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আরিফ হোসেন খান বলেন, ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। সোমবার (১ জুন) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদত্যাগ গ্রহণ এবং স্থায়ী এমডি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত এমডি দায়িত্ব পালন করে যাবেন- এই সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ধরনের আন্দোলন বা চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে না। জনস্বার্থ ও ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো পক্ষের আন্দোলনের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা বাতিল করার সংস্কৃতি বাংলাদেশ ব্যাংক সমর্থন করে না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম সারির ইসলামী ধারার ব্যাংক। বিভিন্ন সময়ে নানা সংকট ও অস্থিরতার মধ্য দিয়েও ব্যাংকটি টিকে আছে এবং শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সাময়িক কিছু ঘটনা ব্যাংকের ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মৌলিক শক্তি অটুট রয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের গ্রাহক বা আমানতকারী ব্যাংকের মালিকানা নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে পারেন না। বিষয়টি বাস্তবসম্মত নয়। তবে আমানতকারীদের যৌক্তিক দাবি হওয়া উচিত, ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় এমন ব্যক্তিরা থাকবেন, যাদের কাছে গ্রাহকদের আমানত নিরাপদ থাকবে।
নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে আর্থিক বা নৈতিক অনিয়মের প্রমাণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নেই। অতীতে যে অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে তদন্তে সেসব অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সে কারণে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তও সংশোধন করা হয়েছে।
খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগের পেছনে রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করেনি বলেও দাবি করেন আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব মূল্যায়ন ইতিবাচক।
ভার্চ্যুয়াল বোর্ড সভার বৈধতা বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সভাটি আয়োজনের অনুমতি দিয়েছিল। চেয়ারম্যানের ব্যাংকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার আশঙ্কা ও সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্যাংকটির আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে দেশের ব্যাংকিং খাতের গর্ব করার মতো প্রতিষ্ঠান। অতীতেও নানা ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলা করে প্রতিষ্ঠানটি টিকে ছিল; বর্তমানে ব্যাংকটির তারল্য বা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই।
এদিকে, ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবিতে মঙ্গলবার (২ জুন) দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যাংকটির ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা। তারা ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহালের দাবি করেছেন। পাশাপাশি এ আন্দোলন বুধবারও (৩ জুন) চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, ‘রাস্তার কোনো আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে না। আন্দোলনকারীরা প্রকৃত আমানতকারী কিনা তা সন্দেহ রয়েছে। তারা বিভিন্ন নামে বেনামে ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।’
মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরিফ হোসেন এ কথা বলেন।
ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের অন্যতম শক্তিশালী একটি ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক সবসময়ই ইসলামী ব্যাংকের পাশে আছে।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পাশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকবে। তাদের অবস্থান আরও মজবুত হবে। তাই ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক, আমানতকারী, রেমিট্যান্স প্রেরক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আরিফ হোসেন খান বলেন, ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। সোমবার (১ জুন) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদত্যাগ গ্রহণ এবং স্থায়ী এমডি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত এমডি দায়িত্ব পালন করে যাবেন- এই সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ধরনের আন্দোলন বা চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে না। জনস্বার্থ ও ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো পক্ষের আন্দোলনের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা বাতিল করার সংস্কৃতি বাংলাদেশ ব্যাংক সমর্থন করে না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম সারির ইসলামী ধারার ব্যাংক। বিভিন্ন সময়ে নানা সংকট ও অস্থিরতার মধ্য দিয়েও ব্যাংকটি টিকে আছে এবং শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সাময়িক কিছু ঘটনা ব্যাংকের ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মৌলিক শক্তি অটুট রয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের গ্রাহক বা আমানতকারী ব্যাংকের মালিকানা নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে পারেন না। বিষয়টি বাস্তবসম্মত নয়। তবে আমানতকারীদের যৌক্তিক দাবি হওয়া উচিত, ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় এমন ব্যক্তিরা থাকবেন, যাদের কাছে গ্রাহকদের আমানত নিরাপদ থাকবে।
নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে আর্থিক বা নৈতিক অনিয়মের প্রমাণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নেই। অতীতে যে অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে তদন্তে সেসব অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সে কারণে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তও সংশোধন করা হয়েছে।
খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগের পেছনে রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করেনি বলেও দাবি করেন আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব মূল্যায়ন ইতিবাচক।
ভার্চ্যুয়াল বোর্ড সভার বৈধতা বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সভাটি আয়োজনের অনুমতি দিয়েছিল। চেয়ারম্যানের ব্যাংকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার আশঙ্কা ও সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্যাংকটির আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে দেশের ব্যাংকিং খাতের গর্ব করার মতো প্রতিষ্ঠান। অতীতেও নানা ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলা করে প্রতিষ্ঠানটি টিকে ছিল; বর্তমানে ব্যাংকটির তারল্য বা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই।
এদিকে, ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবিতে মঙ্গলবার (২ জুন) দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যাংকটির ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা। তারা ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহালের দাবি করেছেন। পাশাপাশি এ আন্দোলন বুধবারও (৩ জুন) চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলনকারীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সন্দেহ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, ‘রাস্তার কোনো আন্দোলন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে না। আন্দোলনকারীরা প্রকৃত আমানতকারী কিনা তা সন্দেহ রয়েছে। তারা বিভিন্ন নামে বেনামে ব্যানার নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।’
মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরিফ হোসেন এ কথা বলেন।
ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের অন্যতম শক্তিশালী একটি ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক সবসময়ই ইসলামী ব্যাংকের পাশে আছে।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পাশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকবে। তাদের অবস্থান আরও মজবুত হবে। তাই ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক, আমানতকারী, রেমিট্যান্স প্রেরক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আরিফ হোসেন খান বলেন, ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। সোমবার (১ জুন) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদত্যাগ গ্রহণ এবং স্থায়ী এমডি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত এমডি দায়িত্ব পালন করে যাবেন- এই সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ধরনের আন্দোলন বা চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে না। জনস্বার্থ ও ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেয়। কোনো পক্ষের আন্দোলনের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা বাতিল করার সংস্কৃতি বাংলাদেশ ব্যাংক সমর্থন করে না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম সারির ইসলামী ধারার ব্যাংক। বিভিন্ন সময়ে নানা সংকট ও অস্থিরতার মধ্য দিয়েও ব্যাংকটি টিকে আছে এবং শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সাময়িক কিছু ঘটনা ব্যাংকের ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মৌলিক শক্তি অটুট রয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের গ্রাহক বা আমানতকারী ব্যাংকের মালিকানা নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে পারেন না। বিষয়টি বাস্তবসম্মত নয়। তবে আমানতকারীদের যৌক্তিক দাবি হওয়া উচিত, ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় এমন ব্যক্তিরা থাকবেন, যাদের কাছে গ্রাহকদের আমানত নিরাপদ থাকবে।
নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে আর্থিক বা নৈতিক অনিয়মের প্রমাণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নেই। অতীতে যে অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে তদন্তে সেসব অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সে কারণে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তও সংশোধন করা হয়েছে।
খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগের পেছনে রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করেনি বলেও দাবি করেন আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকারী এই কর্মকর্তা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব মূল্যায়ন ইতিবাচক।
ভার্চ্যুয়াল বোর্ড সভার বৈধতা বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সভাটি আয়োজনের অনুমতি দিয়েছিল। চেয়ারম্যানের ব্যাংকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার আশঙ্কা ও সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্যাংকটির আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে দেশের ব্যাংকিং খাতের গর্ব করার মতো প্রতিষ্ঠান। অতীতেও নানা ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলা করে প্রতিষ্ঠানটি টিকে ছিল; বর্তমানে ব্যাংকটির তারল্য বা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই।
এদিকে, ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ ৭ দফা দাবিতে মঙ্গলবার (২ জুন) দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যাংকটির ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা। তারা ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহালের দাবি করেছেন। পাশাপাশি এ আন্দোলন বুধবারও (৩ জুন) চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

৭ দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের সমাবেশ


