কমতে পারে এসি ও ফ্রিজের দাম

কমতে পারে এসি ও ফ্রিজের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে। এতে গ্রাহক পর্যায়ে এসি ও ফ্রিজের দাম কমতে পারে।
দেশে বর্তমানে সিঙ্গার বাংলাদেশ, বাটারফ্লাই, র্যাংগ্স, মিনিস্টার, ওয়ালটন, ট্রান্সকম, ভিশন, এলজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট বেশি থাকায় সম্প্রতি দেশে ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর ও এসির আমদানি তুলনামূলক বেড়েছিলো। তাই আমদানির হার কমাতে ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজ ও এসির ক্ষেত্রে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাটের হার ছিল ৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছিল।
সরকারে ভ্যাট ছাড়ের বিষয়টি এ খাতের ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলেন, বর্তমান গরমের কারণে ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর ও এসির চাহিদা বেড়েছে। তাই এ সময়ে নতুন করে ভ্যাট ছাড়ের সিদ্ধান্ত গ্রাহক পর্যায়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে। এতে গ্রাহক পর্যায়ে এসি ও ফ্রিজের দাম কমতে পারে।
দেশে বর্তমানে সিঙ্গার বাংলাদেশ, বাটারফ্লাই, র্যাংগ্স, মিনিস্টার, ওয়ালটন, ট্রান্সকম, ভিশন, এলজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট বেশি থাকায় সম্প্রতি দেশে ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর ও এসির আমদানি তুলনামূলক বেড়েছিলো। তাই আমদানির হার কমাতে ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজ ও এসির ক্ষেত্রে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাটের হার ছিল ৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছিল।
সরকারে ভ্যাট ছাড়ের বিষয়টি এ খাতের ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলেন, বর্তমান গরমের কারণে ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর ও এসির চাহিদা বেড়েছে। তাই এ সময়ে নতুন করে ভ্যাট ছাড়ের সিদ্ধান্ত গ্রাহক পর্যায়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।

কমতে পারে এসি ও ফ্রিজের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে। এতে গ্রাহক পর্যায়ে এসি ও ফ্রিজের দাম কমতে পারে।
দেশে বর্তমানে সিঙ্গার বাংলাদেশ, বাটারফ্লাই, র্যাংগ্স, মিনিস্টার, ওয়ালটন, ট্রান্সকম, ভিশন, এলজিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসি, ফ্রিজসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট বেশি থাকায় সম্প্রতি দেশে ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর ও এসির আমদানি তুলনামূলক বেড়েছিলো। তাই আমদানির হার কমাতে ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজ ও এসির ক্ষেত্রে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাটের হার ছিল ৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছিল।
সরকারে ভ্যাট ছাড়ের বিষয়টি এ খাতের ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলেন, বর্তমান গরমের কারণে ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর ও এসির চাহিদা বেড়েছে। তাই এ সময়ে নতুন করে ভ্যাট ছাড়ের সিদ্ধান্ত গ্রাহক পর্যায়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।




