ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর ফ্লোর প্রাইস তুলে নিয়েছে বিএসইসি

ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর ফ্লোর প্রাইস তুলে নিয়েছে বিএসইসি
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারের বিদ্যমান ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর নবনিযুক্ত চেয়ারম্নাব মাসুদ খান এবং কমিশন সদস্যবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিবিএর পক্ষ থেকে প্রেরিত এক লিখিত বার্তায় এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বার্তায় ডিবিএ উল্লেখ করে, গত ৪ মে পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইসজনিত অচলাবস্থা দূরীকরণ এবং স্বাভাবিক লেনদেন পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএসইসির নিকট একটি আবেদনপত্র প্রেরণ করা হয়। ডিবিএর প্রেসিডেন্ট জনাব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পত্রে বলা হয় যে, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকায় একদিকে বিক্রেতাদের স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে স্বাভাবিক মূল্য আবিষ্কার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া, ফ্লোর প্রাইস ব্যবস্থা মার্জিন ঋণগ্রহীতা বিনিয়োগকারীদের জন্য নেতিবাচক ইক্যুইটির ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নিকট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে বলেও ডিবিএ তার আবেদনে উল্লেখ করে।
ডিবিএর আবেদন ও বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিএসইসির নবনিযুক্ত কমিশন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ খান এবং তার নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা নিরসন, স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে এটি বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সহায়ক হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মাসুদ খানের নেতৃত্বে নতুন কমিশন বাজারের স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের পরিপন্থি বিধি-বিধান এবং প্রতিবন্ধকতাসমূহের প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবে এবং একটি স্বচ্ছ, আধুনিক, টেকসই ও আস্থানির্ভর পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারের বিদ্যমান ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর নবনিযুক্ত চেয়ারম্নাব মাসুদ খান এবং কমিশন সদস্যবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিবিএর পক্ষ থেকে প্রেরিত এক লিখিত বার্তায় এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বার্তায় ডিবিএ উল্লেখ করে, গত ৪ মে পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইসজনিত অচলাবস্থা দূরীকরণ এবং স্বাভাবিক লেনদেন পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএসইসির নিকট একটি আবেদনপত্র প্রেরণ করা হয়। ডিবিএর প্রেসিডেন্ট জনাব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পত্রে বলা হয় যে, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকায় একদিকে বিক্রেতাদের স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে স্বাভাবিক মূল্য আবিষ্কার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া, ফ্লোর প্রাইস ব্যবস্থা মার্জিন ঋণগ্রহীতা বিনিয়োগকারীদের জন্য নেতিবাচক ইক্যুইটির ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নিকট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে বলেও ডিবিএ তার আবেদনে উল্লেখ করে।
ডিবিএর আবেদন ও বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিএসইসির নবনিযুক্ত কমিশন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ খান এবং তার নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা নিরসন, স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে এটি বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সহায়ক হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মাসুদ খানের নেতৃত্বে নতুন কমিশন বাজারের স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের পরিপন্থি বিধি-বিধান এবং প্রতিবন্ধকতাসমূহের প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবে এবং একটি স্বচ্ছ, আধুনিক, টেকসই ও আস্থানির্ভর পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর ফ্লোর প্রাইস তুলে নিয়েছে বিএসইসি
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারের বিদ্যমান ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর নবনিযুক্ত চেয়ারম্নাব মাসুদ খান এবং কমিশন সদস্যবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিবিএর পক্ষ থেকে প্রেরিত এক লিখিত বার্তায় এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বার্তায় ডিবিএ উল্লেখ করে, গত ৪ মে পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইসজনিত অচলাবস্থা দূরীকরণ এবং স্বাভাবিক লেনদেন পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএসইসির নিকট একটি আবেদনপত্র প্রেরণ করা হয়। ডিবিএর প্রেসিডেন্ট জনাব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পত্রে বলা হয় যে, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকায় একদিকে বিক্রেতাদের স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে স্বাভাবিক মূল্য আবিষ্কার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া, ফ্লোর প্রাইস ব্যবস্থা মার্জিন ঋণগ্রহীতা বিনিয়োগকারীদের জন্য নেতিবাচক ইক্যুইটির ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নিকট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে বলেও ডিবিএ তার আবেদনে উল্লেখ করে।
ডিবিএর আবেদন ও বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিএসইসির নবনিযুক্ত কমিশন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ খান এবং তার নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা নিরসন, স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে এটি বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সহায়ক হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মাসুদ খানের নেতৃত্বে নতুন কমিশন বাজারের স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের পরিপন্থি বিধি-বিধান এবং প্রতিবন্ধকতাসমূহের প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবে এবং একটি স্বচ্ছ, আধুনিক, টেকসই ও আস্থানির্ভর পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।




