শিরোনাম

ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের অবস্থান কর্মসূচি
ইসলামী ব্যাংক টাওয়াররের সামনে গ্রাহক ফোরামের অবস্থান কর্মসূচি। ছবি: জাকির হোসেন

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ৭ম দিনের মতো প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সচেতন গ্রাহকরা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

অবৈধ চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের সুরক্ষা প্রদান, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, লুটেরা এস আলম ও ফ্যাসিস্টের দোসরদের বয়কট এবং গ্রাহকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি।

অবস্থান

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, ২০১৭ সালে অবৈধভাবে ফ্যাসিস্ট সরকার ইসলামী ব্যাংক দখল করে। এরপর এস আলমের লুটেরা ফ্যাসিস্টের দোসর ব্যাংকটিকে প্রায় খালি করে দেয়। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ইসলামী ব্যাংক আবার মায়ের কোলে ফিরে আসে। তবে বর্তমান সরকার আবারও ব্যাংকটি নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

তারা বলেন, অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম পলায়ন করে। তার হাতেই আবার ব্যাংকটি তুলে দেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতিবাজ খুরশীদ আলমকে আমরা কোনোভাবেই মেনে নেবো না।

এ সময় তারা সাবেক এমডি ওমর ফারুককে পুনরায় নিয়োগের দাবি জানান।

এর আগে গত সোমবার (১ জুন) মো. খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ। পরে অগ্রণী ব্যাংকের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিয়ে পুলিশের হামলার নিন্দা জানান তারা।

পুলিশ

গ্রাহক ফোরাম ৭ দফা দাবি নিয়ে এই আন্দোলন করছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে–

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

/জেএইচ/