ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়োগপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ

ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়োগপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও প্রায় পাঁচ মাস ধরে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদে নিয়োগপ্রত্যাশীরা বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে নিয়োগের দাবি জানান তারা।
নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার সব ধাপ শেষ করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নির্ধারিত যোগদানের মাত্র কয়েক দিন আগে ‘অনিবার্য কারণে’ নিয়োগ স্থগিতের কথা জানানো হলেও, বিগত প্রায় পাঁচ মাস ধরে তাদের যোগদানের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় অনেকে আগের চাকরি ছেড়েছেন, কেউ কেউ নির্ধারিত কর্মস্থলে বাসা ভাড়া নিয়েছেন। ফলে তাদের আর্থিক ও মানসিক সংকটে দিন কাটাতে হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর ইসলামী ব্যাংকের ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন তারা। কয়েক ধাপে বাছাই শেষে ২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল তাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয় এবং ৬ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগপত্র হাতে পান প্রার্থীরা।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ক্যাশ পদে নির্বাচিতদের ১৫ এপ্রিল এবং জেনারেল পদে নির্বাচিতদের ১৬ এপ্রিল যোগদানের কথা ছিল। তবে গত ১১ এপ্রিল, অর্থাৎ যোগদানের মাত্র কয়েক দিন আগে প্রার্থীদের এসএমএস দিয়ে জানানো হয়, ‘অনিবার্য কারণে’ তাদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে যোগদানের বিষয়ে জানানো হবে বলেও ওই বার্তায় বলা হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে লোকমান হোসেন নামে এক নিয়োগপ্রত্যাশী বলেন, ‘নিয়োগপত্র পাওয়ার পর আমরা যে যেখানে কাজ করতাম, অনেকে সেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। অনেকে যেখানে পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বাসাভাড়াও নিয়েছি। কিন্তু যোগদানের তিন দিন আগে স্থগিতের এসএমএস আসে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যার কারণে হয়তো কিছুদিন দেরি হচ্ছে। মাসের শেষে বা পরে আমাদের যোগদান করানো হবে। কিন্তু চার-পাঁচ মাস পার হয়ে গেলেও কেউ আমাদের নির্দিষ্ট করে কিছু বলছে না।’
অবস্থান কর্মসূচি সম্পর্কে আরেক নিয়োগ প্রত্যাশীদের প্রতিনিধি আল-আমিন জানান, আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে তারা ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। কয়েক দফায় তাদের মধ্য থেকে প্রতিনিধিদের ভেতরে নেওয়া হলেও কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে কথা বলেননি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের তিনবার ভেতরে নিয়েছে, আবার তিনবার ফিরিয়ে দিয়েছে। কথা বলার জন্য নেওয়া হলেও একবারও কথা বলেনি।
একপর্যায়ে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় নিয়োগপ্রত্যাশীরা ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এতে ব্যাংকে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ এসে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
অবস্থানকারীরা পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে তাদের যোগদান-সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দ্রুত নতুন যোগদানের তারিখ নির্ধারণ এবং নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
তবে নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও প্রায় পাঁচ মাস ধরে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদে নিয়োগপ্রত্যাশীরা বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে নিয়োগের দাবি জানান তারা।
নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার সব ধাপ শেষ করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নির্ধারিত যোগদানের মাত্র কয়েক দিন আগে ‘অনিবার্য কারণে’ নিয়োগ স্থগিতের কথা জানানো হলেও, বিগত প্রায় পাঁচ মাস ধরে তাদের যোগদানের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় অনেকে আগের চাকরি ছেড়েছেন, কেউ কেউ নির্ধারিত কর্মস্থলে বাসা ভাড়া নিয়েছেন। ফলে তাদের আর্থিক ও মানসিক সংকটে দিন কাটাতে হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর ইসলামী ব্যাংকের ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন তারা। কয়েক ধাপে বাছাই শেষে ২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল তাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয় এবং ৬ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগপত্র হাতে পান প্রার্থীরা।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ক্যাশ পদে নির্বাচিতদের ১৫ এপ্রিল এবং জেনারেল পদে নির্বাচিতদের ১৬ এপ্রিল যোগদানের কথা ছিল। তবে গত ১১ এপ্রিল, অর্থাৎ যোগদানের মাত্র কয়েক দিন আগে প্রার্থীদের এসএমএস দিয়ে জানানো হয়, ‘অনিবার্য কারণে’ তাদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে যোগদানের বিষয়ে জানানো হবে বলেও ওই বার্তায় বলা হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে লোকমান হোসেন নামে এক নিয়োগপ্রত্যাশী বলেন, ‘নিয়োগপত্র পাওয়ার পর আমরা যে যেখানে কাজ করতাম, অনেকে সেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। অনেকে যেখানে পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বাসাভাড়াও নিয়েছি। কিন্তু যোগদানের তিন দিন আগে স্থগিতের এসএমএস আসে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যার কারণে হয়তো কিছুদিন দেরি হচ্ছে। মাসের শেষে বা পরে আমাদের যোগদান করানো হবে। কিন্তু চার-পাঁচ মাস পার হয়ে গেলেও কেউ আমাদের নির্দিষ্ট করে কিছু বলছে না।’
অবস্থান কর্মসূচি সম্পর্কে আরেক নিয়োগ প্রত্যাশীদের প্রতিনিধি আল-আমিন জানান, আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে তারা ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। কয়েক দফায় তাদের মধ্য থেকে প্রতিনিধিদের ভেতরে নেওয়া হলেও কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে কথা বলেননি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের তিনবার ভেতরে নিয়েছে, আবার তিনবার ফিরিয়ে দিয়েছে। কথা বলার জন্য নেওয়া হলেও একবারও কথা বলেনি।
একপর্যায়ে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় নিয়োগপ্রত্যাশীরা ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এতে ব্যাংকে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ এসে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
অবস্থানকারীরা পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে তাদের যোগদান-সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দ্রুত নতুন যোগদানের তারিখ নির্ধারণ এবং নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
তবে নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়োগপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও প্রায় পাঁচ মাস ধরে যোগদানের অপেক্ষায় থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদে নিয়োগপ্রত্যাশীরা বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে নিয়োগের দাবি জানান তারা।
নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার সব ধাপ শেষ করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নির্ধারিত যোগদানের মাত্র কয়েক দিন আগে ‘অনিবার্য কারণে’ নিয়োগ স্থগিতের কথা জানানো হলেও, বিগত প্রায় পাঁচ মাস ধরে তাদের যোগদানের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় অনেকে আগের চাকরি ছেড়েছেন, কেউ কেউ নির্ধারিত কর্মস্থলে বাসা ভাড়া নিয়েছেন। ফলে তাদের আর্থিক ও মানসিক সংকটে দিন কাটাতে হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর ইসলামী ব্যাংকের ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন তারা। কয়েক ধাপে বাছাই শেষে ২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল তাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয় এবং ৬ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগপত্র হাতে পান প্রার্থীরা।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ক্যাশ পদে নির্বাচিতদের ১৫ এপ্রিল এবং জেনারেল পদে নির্বাচিতদের ১৬ এপ্রিল যোগদানের কথা ছিল। তবে গত ১১ এপ্রিল, অর্থাৎ যোগদানের মাত্র কয়েক দিন আগে প্রার্থীদের এসএমএস দিয়ে জানানো হয়, ‘অনিবার্য কারণে’ তাদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে যোগদানের বিষয়ে জানানো হবে বলেও ওই বার্তায় বলা হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে লোকমান হোসেন নামে এক নিয়োগপ্রত্যাশী বলেন, ‘নিয়োগপত্র পাওয়ার পর আমরা যে যেখানে কাজ করতাম, অনেকে সেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। অনেকে যেখানে পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বাসাভাড়াও নিয়েছি। কিন্তু যোগদানের তিন দিন আগে স্থগিতের এসএমএস আসে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যার কারণে হয়তো কিছুদিন দেরি হচ্ছে। মাসের শেষে বা পরে আমাদের যোগদান করানো হবে। কিন্তু চার-পাঁচ মাস পার হয়ে গেলেও কেউ আমাদের নির্দিষ্ট করে কিছু বলছে না।’
অবস্থান কর্মসূচি সম্পর্কে আরেক নিয়োগ প্রত্যাশীদের প্রতিনিধি আল-আমিন জানান, আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে তারা ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। কয়েক দফায় তাদের মধ্য থেকে প্রতিনিধিদের ভেতরে নেওয়া হলেও কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে কথা বলেননি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের তিনবার ভেতরে নিয়েছে, আবার তিনবার ফিরিয়ে দিয়েছে। কথা বলার জন্য নেওয়া হলেও একবারও কথা বলেনি।
একপর্যায়ে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায় নিয়োগপ্রত্যাশীরা ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এতে ব্যাংকে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ এসে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
অবস্থানকারীরা পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে তাদের যোগদান-সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দ্রুত নতুন যোগদানের তারিখ নির্ধারণ এবং নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
তবে নিয়োগপ্রত্যাশীদের অভিযোগের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিতে সাবেক রাষ্ট্রপতির কোম্পানিও জড়িত
-CznNewsLab-286973.jpg)





