ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিতে সাবেক রাষ্ট্রপতির কোম্পানিও জড়িত

ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিতে সাবেক রাষ্ট্রপতির কোম্পানিও জড়িত
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির ঘটনায় সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান জেএমসি বিল্ডার্সের নাম উঠে এসেছে বলে আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এস আলমের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি ওয়ালিউল ইসলামের বেঞ্চ তিনটি নির্দেশনা ও একটি রুল জারি করেন।
আদালতের নির্দেশনাগুলোর মধ্যে ছিল: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের আগে দায়িত্বে থাকা পরিচালকরা ঋণ অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং জেএমসি বিল্ডার্সের শেয়ার হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিষয়টি তদন্ত করে বিএফআইইউকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সংস্থাটি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।
মামলায় ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাউয়ুম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম খালেদ আহমেদ। আর ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জেএমসি বিল্ডার্সের ২৪টি কোম্পানির নামে মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার স্থানান্তরের বিষয়টি উঠে এসেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ওই সময় শেয়ার অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
শিশির মনির বলেন, রিটের মূল উদ্দেশ্য হলো এস আলমের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া শেয়ার প্রকৃত উদ্যোক্তা ও মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার ধারণ করতে পারে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বিপুল পরিমাণ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে।
তার দাবি, এর মধ্যে শুধু জেএমসি বিল্ডার্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।
এদিকে আদালতের জারি করা রুলের প্রতিবেদন নিয়ে আগামী বুধবার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের বেঞ্চে এ শুনানি হবে।

ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির ঘটনায় সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান জেএমসি বিল্ডার্সের নাম উঠে এসেছে বলে আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এস আলমের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি ওয়ালিউল ইসলামের বেঞ্চ তিনটি নির্দেশনা ও একটি রুল জারি করেন।
আদালতের নির্দেশনাগুলোর মধ্যে ছিল: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের আগে দায়িত্বে থাকা পরিচালকরা ঋণ অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং জেএমসি বিল্ডার্সের শেয়ার হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিষয়টি তদন্ত করে বিএফআইইউকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সংস্থাটি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।
মামলায় ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাউয়ুম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম খালেদ আহমেদ। আর ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জেএমসি বিল্ডার্সের ২৪টি কোম্পানির নামে মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার স্থানান্তরের বিষয়টি উঠে এসেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ওই সময় শেয়ার অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
শিশির মনির বলেন, রিটের মূল উদ্দেশ্য হলো এস আলমের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া শেয়ার প্রকৃত উদ্যোক্তা ও মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার ধারণ করতে পারে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বিপুল পরিমাণ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে।
তার দাবি, এর মধ্যে শুধু জেএমসি বিল্ডার্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।
এদিকে আদালতের জারি করা রুলের প্রতিবেদন নিয়ে আগামী বুধবার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের বেঞ্চে এ শুনানি হবে।

ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতিতে সাবেক রাষ্ট্রপতির কোম্পানিও জড়িত
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির ঘটনায় সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান জেএমসি বিল্ডার্সের নাম উঠে এসেছে বলে আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এস আলমের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি ওয়ালিউল ইসলামের বেঞ্চ তিনটি নির্দেশনা ও একটি রুল জারি করেন।
আদালতের নির্দেশনাগুলোর মধ্যে ছিল: ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের আগে দায়িত্বে থাকা পরিচালকরা ঋণ অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং জেএমসি বিল্ডার্সের শেয়ার হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিষয়টি তদন্ত করে বিএফআইইউকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সংস্থাটি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবে দীর্ঘ সময় এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।
মামলায় ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাউয়ুম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম খালেদ আহমেদ। আর ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জেএমসি বিল্ডার্সের ২৪টি কোম্পানির নামে মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার স্থানান্তরের বিষয়টি উঠে এসেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ওই সময় শেয়ার অনুমোদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
শিশির মনির বলেন, রিটের মূল উদ্দেশ্য হলো এস আলমের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া শেয়ার প্রকৃত উদ্যোক্তা ও মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা।
তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার ধারণ করতে পারে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বিপুল পরিমাণ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে।
তার দাবি, এর মধ্যে শুধু জেএমসি বিল্ডার্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।
এদিকে আদালতের জারি করা রুলের প্রতিবেদন নিয়ে আগামী বুধবার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের বেঞ্চে এ শুনানি হবে।









