সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর দিলেন গভর্নর

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর দিলেন গভর্নর
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সম্মিলিত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আমানত ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর বোর্ডের সর্বশেষ সভা গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থাৎ সম্মিলিত পাঁচ ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই আমানতকারীদের আমানত ফেরতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।
মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছে যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্মিলিত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। এটি সঠিক নয়। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক রয়েছে এবং এর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং পরবর্তীতে মূলধন শক্তিশালী করাই বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অগ্রাধিকার।
গভর্নর বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তারা ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন গুজব প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, এসব তথ্য ভিত্তিহীন। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম কোথাও বন্ধ হয়নি এবং কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপও করা হয়নি। বরং নিয়ম মেনেই ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বোর্ড পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদত্যাগের পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিভিন্ন ধাপ পার হয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বোর্ড কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
গভর্নর জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকিং সিস্টেমের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশন এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এ বিষয়ে কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ে প্রযুক্তিগত সংহতকরণ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনে জরুরি সহায়তাও দেওয়া হবে, সাধারণ আমানতকারীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি যাতে না হয়।

সম্মিলিত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আমানত ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর বোর্ডের সর্বশেষ সভা গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থাৎ সম্মিলিত পাঁচ ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই আমানতকারীদের আমানত ফেরতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।
মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছে যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্মিলিত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। এটি সঠিক নয়। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক রয়েছে এবং এর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং পরবর্তীতে মূলধন শক্তিশালী করাই বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অগ্রাধিকার।
গভর্নর বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তারা ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন গুজব প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, এসব তথ্য ভিত্তিহীন। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম কোথাও বন্ধ হয়নি এবং কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপও করা হয়নি। বরং নিয়ম মেনেই ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বোর্ড পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদত্যাগের পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিভিন্ন ধাপ পার হয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বোর্ড কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
গভর্নর জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকিং সিস্টেমের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশন এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এ বিষয়ে কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ে প্রযুক্তিগত সংহতকরণ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনে জরুরি সহায়তাও দেওয়া হবে, সাধারণ আমানতকারীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি যাতে না হয়।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর দিলেন গভর্নর
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সম্মিলিত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আমানত ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর বোর্ডের সর্বশেষ সভা গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থাৎ সম্মিলিত পাঁচ ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই আমানতকারীদের আমানত ফেরতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।
মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছে যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্মিলিত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। এটি সঠিক নয়। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক রয়েছে এবং এর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং পরবর্তীতে মূলধন শক্তিশালী করাই বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অগ্রাধিকার।
গভর্নর বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তারা ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন গুজব প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, এসব তথ্য ভিত্তিহীন। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম কোথাও বন্ধ হয়নি এবং কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপও করা হয়নি। বরং নিয়ম মেনেই ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বোর্ড পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদত্যাগের পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিভিন্ন ধাপ পার হয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বোর্ড কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
গভর্নর জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকিং সিস্টেমের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশন এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এ বিষয়ে কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ে প্রযুক্তিগত সংহতকরণ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনে জরুরি সহায়তাও দেওয়া হবে, সাধারণ আমানতকারীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি যাতে না হয়।



