ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: গভর্নর

ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: গভর্নর
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেশের ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের খুব বেশি কারণ নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি বলেন, সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংক ছাড়া অন্য কোনো ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য তারল্য সংকট নেই। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতকে প্রথমে স্থিতিশীল করতে হচ্ছে, কারণ অতীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। বিশেষ করে আলোচিত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংক আগে থেকেই সমস্যাগ্রস্ত ছিল। আগের সরকারের প্রণীত বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে এসব ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জানামতে ওই পাঁচটি ব্যাংক ছাড়া অন্য ব্যাংকগুলোতে তেমন কোনো তারল্য সংকট নেই। সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মোস্তাকুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ হওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে সরকারের সক্ষমতা ও ন্যায়বিচারের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। কারণ একদল মানুষের অর্থ আত্মসাতের দায় সাধারণ করদাতাদের ওপর পুরোপুরি চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
ঋণ খেলাপি বা নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। সুদের হার বৃদ্ধি, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক চাপ এবং বিনিয়োগ পরিকল্পনার বিলম্বের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে সময় লেগেছে। তবে সব ক্ষেত্রকে একইভাবে ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথম দিন থেকেই বিষয়টি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। এ জন্য একটি ‘স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্স’ কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত ও জব্দ করতে ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশে বাংলাদেশি সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অর্থ পুনরুদ্ধারও সম্ভব হয়েছে।
গভর্নর আরও জানান, আন্তর্জাতিকভাবে চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারের গড় হার ২ শতাংশেরও কম এবং এ প্রক্রিয়ায় ৭ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবুও সরকার এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেবে না এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে দেশকে ধীরে ধীরে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হবে। এ লক্ষ্যে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ফলে ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠানের লেনদেনেও কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়বে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এনবিআর চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

দেশের ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের খুব বেশি কারণ নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি বলেন, সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংক ছাড়া অন্য কোনো ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য তারল্য সংকট নেই। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতকে প্রথমে স্থিতিশীল করতে হচ্ছে, কারণ অতীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। বিশেষ করে আলোচিত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংক আগে থেকেই সমস্যাগ্রস্ত ছিল। আগের সরকারের প্রণীত বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে এসব ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জানামতে ওই পাঁচটি ব্যাংক ছাড়া অন্য ব্যাংকগুলোতে তেমন কোনো তারল্য সংকট নেই। সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মোস্তাকুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ হওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে সরকারের সক্ষমতা ও ন্যায়বিচারের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। কারণ একদল মানুষের অর্থ আত্মসাতের দায় সাধারণ করদাতাদের ওপর পুরোপুরি চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
ঋণ খেলাপি বা নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। সুদের হার বৃদ্ধি, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক চাপ এবং বিনিয়োগ পরিকল্পনার বিলম্বের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে সময় লেগেছে। তবে সব ক্ষেত্রকে একইভাবে ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথম দিন থেকেই বিষয়টি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। এ জন্য একটি ‘স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্স’ কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত ও জব্দ করতে ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশে বাংলাদেশি সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অর্থ পুনরুদ্ধারও সম্ভব হয়েছে।
গভর্নর আরও জানান, আন্তর্জাতিকভাবে চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারের গড় হার ২ শতাংশেরও কম এবং এ প্রক্রিয়ায় ৭ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবুও সরকার এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেবে না এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে দেশকে ধীরে ধীরে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হবে। এ লক্ষ্যে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ফলে ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠানের লেনদেনেও কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়বে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এনবিআর চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: গভর্নর
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেশের ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের খুব বেশি কারণ নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
তিনি বলেন, সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংক ছাড়া অন্য কোনো ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য তারল্য সংকট নেই। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতকে প্রথমে স্থিতিশীল করতে হচ্ছে, কারণ অতীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। বিশেষ করে আলোচিত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংক আগে থেকেই সমস্যাগ্রস্ত ছিল। আগের সরকারের প্রণীত বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে এসব ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জানামতে ওই পাঁচটি ব্যাংক ছাড়া অন্য ব্যাংকগুলোতে তেমন কোনো তারল্য সংকট নেই। সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মোস্তাকুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ হওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে সরকারের সক্ষমতা ও ন্যায়বিচারের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। কারণ একদল মানুষের অর্থ আত্মসাতের দায় সাধারণ করদাতাদের ওপর পুরোপুরি চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
ঋণ খেলাপি বা নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। সুদের হার বৃদ্ধি, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক চাপ এবং বিনিয়োগ পরিকল্পনার বিলম্বের কারণে কিছু প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে সময় লেগেছে। তবে সব ক্ষেত্রকে একইভাবে ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথম দিন থেকেই বিষয়টি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। এ জন্য একটি ‘স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্স’ কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত ও জব্দ করতে ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশে বাংলাদেশি সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অর্থ পুনরুদ্ধারও সম্ভব হয়েছে।
গভর্নর আরও জানান, আন্তর্জাতিকভাবে চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারের গড় হার ২ শতাংশেরও কম এবং এ প্রক্রিয়ায় ৭ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবুও সরকার এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেবে না এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে দেশকে ধীরে ধীরে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হবে। এ লক্ষ্যে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ফলে ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠানের লেনদেনেও কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়বে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এনবিআর চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাবে নতুন বাজেট: অর্থমন্ত্রী 


