পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ

পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ
সিজেডএন ডেস্ক

মহাবিশ্বে পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক কোটি বছরের পুরোনো। তবে এই সম্পর্ক স্থির নয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে এই দূরত্ব বাড়ছে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে লুনার লেজার রেঞ্জিং প্রযুক্তিতে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তাদের মতে, পরিমাপে সম্ভাব্য ত্রুটির পরিমাণ মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৯ মিলিমিটার। যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভুল ভৌত পরিমাপ পদ্ধতিগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
চাঁদের দূরত্ব নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয় লেজার রশ্মি। পৃথিবী থেকে লেজার পাঠিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে স্থাপিত বিশেষ প্রতিফলক আয়নায় আঘাত করার পর আলো ফিরে আসতে যে সময় লাগে, সেটি হিসাব করেই নির্ধারণ করা হয় পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার দূরত্ব। বর্তমানে নিউ মেক্সিকো, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানির চারটি পর্যবেক্ষণাগার নিয়মিত এ কাজ করছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর অ্যাপাচি পয়েন্ট অবজারভেটরি সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য সরবরাহ করে।
এই গবেষণার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল অ্যাপোলো যুগে। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ অভিযানে নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন প্রথম চাঁদের বুকে বিশেষ রেট্রোরিফ্লেক্টর স্থাপন করেন। পরে অ্যাপোলো-১৪ ও অ্যাপোলো-১৫ মিশন আরও বড় প্রতিফলক বসায়। এগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, যেদিক থেকে আলো আসে, ঠিক সেদিকেই তা ফিরিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবী থেকে পাঠানো লেজারের প্রতিফলন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মাপা সম্ভব হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদ দূরে সরে যাওয়ার মূল কারণ পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে জোয়ার-ভাটাজনিত মহাকর্ষীয় পারস্পরিক ক্রিয়া। পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘুরলেও চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৭ দশমিক ৩ দিন। পৃথিবীর দ্রুত ঘূর্ণনের কারণে জোয়ারের স্ফীতি চাঁদের অবস্থানের সামান্য সামনে চলে যায়। এর ফলে সেই স্ফীত অংশ চাঁদের ওপর অতিরিক্ত মহাকর্ষীয় টান সৃষ্টি করে, যা চাঁদকে ধীরে ধীরে আরও উঁচু কক্ষপথে ঠেলে দেয়।
এই প্রক্রিয়ায় চাঁদ শক্তি অর্জন করলেও সেই শক্তি আসে পৃথিবীর ঘূর্ণন থেকে। ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতি ক্রমেই কমে যায় এবং দিনের দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। বর্তমানে প্রতি শতাব্দীতে পৃথিবীর দিন প্রায় এক থেকে দুই মিলিসেকেন্ড দীর্ঘ হচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক তথ্য বলছে, প্রায় ১০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর একদিন ছিল মাত্র ১৯ ঘণ্টার।
চাঁদের দূরে সরে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে সূর্যগ্রহণের ওপর। বর্তমানে সূর্য পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে এবং ব্যাসও প্রায় ৪০০ গুণ বড় হওয়ায় আকাশে দুটিকে প্রায় সমান আকারের দেখা যায়। এই বিরল জ্যামিতিক অবস্থানের কারণেই পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়। কিন্তু চাঁদ আরও দূরে চলে গেলে আকাশে তার দৃশ্যমান আকার ছোট হয়ে যাবে।
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি বছর পর পৃথিবী থেকে শেষবারের মতো পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এরপর কেবল বলয়াকার সূর্যগ্রহণই সম্ভব হবে।
শুধু সূর্যগ্রহণ নয়, দীর্ঘমেয়াদে মহাসাগরের জোয়ার-ভাটার উচ্চতাও কমে আসবে। এর প্রভাব পড়তে পারে উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র, সামুদ্রিক প্রাণীর প্রজনন চক্র এবং মৎস্যসম্পদের ওপর। যদিও এসব পরিবর্তন ঘটতে সময় লাগবে কোটি কোটি বছর, তবু বিজ্ঞানীদের কাছে এটি পৃথিবী-চাঁদ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

মহাবিশ্বে পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক কোটি বছরের পুরোনো। তবে এই সম্পর্ক স্থির নয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে এই দূরত্ব বাড়ছে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে লুনার লেজার রেঞ্জিং প্রযুক্তিতে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তাদের মতে, পরিমাপে সম্ভাব্য ত্রুটির পরিমাণ মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৯ মিলিমিটার। যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভুল ভৌত পরিমাপ পদ্ধতিগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
চাঁদের দূরত্ব নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয় লেজার রশ্মি। পৃথিবী থেকে লেজার পাঠিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে স্থাপিত বিশেষ প্রতিফলক আয়নায় আঘাত করার পর আলো ফিরে আসতে যে সময় লাগে, সেটি হিসাব করেই নির্ধারণ করা হয় পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার দূরত্ব। বর্তমানে নিউ মেক্সিকো, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানির চারটি পর্যবেক্ষণাগার নিয়মিত এ কাজ করছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর অ্যাপাচি পয়েন্ট অবজারভেটরি সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য সরবরাহ করে।
এই গবেষণার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল অ্যাপোলো যুগে। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ অভিযানে নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন প্রথম চাঁদের বুকে বিশেষ রেট্রোরিফ্লেক্টর স্থাপন করেন। পরে অ্যাপোলো-১৪ ও অ্যাপোলো-১৫ মিশন আরও বড় প্রতিফলক বসায়। এগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, যেদিক থেকে আলো আসে, ঠিক সেদিকেই তা ফিরিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবী থেকে পাঠানো লেজারের প্রতিফলন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মাপা সম্ভব হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদ দূরে সরে যাওয়ার মূল কারণ পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে জোয়ার-ভাটাজনিত মহাকর্ষীয় পারস্পরিক ক্রিয়া। পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘুরলেও চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৭ দশমিক ৩ দিন। পৃথিবীর দ্রুত ঘূর্ণনের কারণে জোয়ারের স্ফীতি চাঁদের অবস্থানের সামান্য সামনে চলে যায়। এর ফলে সেই স্ফীত অংশ চাঁদের ওপর অতিরিক্ত মহাকর্ষীয় টান সৃষ্টি করে, যা চাঁদকে ধীরে ধীরে আরও উঁচু কক্ষপথে ঠেলে দেয়।
এই প্রক্রিয়ায় চাঁদ শক্তি অর্জন করলেও সেই শক্তি আসে পৃথিবীর ঘূর্ণন থেকে। ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতি ক্রমেই কমে যায় এবং দিনের দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। বর্তমানে প্রতি শতাব্দীতে পৃথিবীর দিন প্রায় এক থেকে দুই মিলিসেকেন্ড দীর্ঘ হচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক তথ্য বলছে, প্রায় ১০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর একদিন ছিল মাত্র ১৯ ঘণ্টার।
চাঁদের দূরে সরে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে সূর্যগ্রহণের ওপর। বর্তমানে সূর্য পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে এবং ব্যাসও প্রায় ৪০০ গুণ বড় হওয়ায় আকাশে দুটিকে প্রায় সমান আকারের দেখা যায়। এই বিরল জ্যামিতিক অবস্থানের কারণেই পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়। কিন্তু চাঁদ আরও দূরে চলে গেলে আকাশে তার দৃশ্যমান আকার ছোট হয়ে যাবে।
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি বছর পর পৃথিবী থেকে শেষবারের মতো পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এরপর কেবল বলয়াকার সূর্যগ্রহণই সম্ভব হবে।
শুধু সূর্যগ্রহণ নয়, দীর্ঘমেয়াদে মহাসাগরের জোয়ার-ভাটার উচ্চতাও কমে আসবে। এর প্রভাব পড়তে পারে উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র, সামুদ্রিক প্রাণীর প্রজনন চক্র এবং মৎস্যসম্পদের ওপর। যদিও এসব পরিবর্তন ঘটতে সময় লাগবে কোটি কোটি বছর, তবু বিজ্ঞানীদের কাছে এটি পৃথিবী-চাঁদ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ
সিজেডএন ডেস্ক

মহাবিশ্বে পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক কোটি বছরের পুরোনো। তবে এই সম্পর্ক স্থির নয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে এই দূরত্ব বাড়ছে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে লুনার লেজার রেঞ্জিং প্রযুক্তিতে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তাদের মতে, পরিমাপে সম্ভাব্য ত্রুটির পরিমাণ মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৯ মিলিমিটার। যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভুল ভৌত পরিমাপ পদ্ধতিগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
চাঁদের দূরত্ব নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয় লেজার রশ্মি। পৃথিবী থেকে লেজার পাঠিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে স্থাপিত বিশেষ প্রতিফলক আয়নায় আঘাত করার পর আলো ফিরে আসতে যে সময় লাগে, সেটি হিসাব করেই নির্ধারণ করা হয় পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার দূরত্ব। বর্তমানে নিউ মেক্সিকো, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানির চারটি পর্যবেক্ষণাগার নিয়মিত এ কাজ করছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর অ্যাপাচি পয়েন্ট অবজারভেটরি সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য সরবরাহ করে।
এই গবেষণার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল অ্যাপোলো যুগে। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ অভিযানে নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন প্রথম চাঁদের বুকে বিশেষ রেট্রোরিফ্লেক্টর স্থাপন করেন। পরে অ্যাপোলো-১৪ ও অ্যাপোলো-১৫ মিশন আরও বড় প্রতিফলক বসায়। এগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, যেদিক থেকে আলো আসে, ঠিক সেদিকেই তা ফিরিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবী থেকে পাঠানো লেজারের প্রতিফলন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মাপা সম্ভব হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদ দূরে সরে যাওয়ার মূল কারণ পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে জোয়ার-ভাটাজনিত মহাকর্ষীয় পারস্পরিক ক্রিয়া। পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘুরলেও চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৭ দশমিক ৩ দিন। পৃথিবীর দ্রুত ঘূর্ণনের কারণে জোয়ারের স্ফীতি চাঁদের অবস্থানের সামান্য সামনে চলে যায়। এর ফলে সেই স্ফীত অংশ চাঁদের ওপর অতিরিক্ত মহাকর্ষীয় টান সৃষ্টি করে, যা চাঁদকে ধীরে ধীরে আরও উঁচু কক্ষপথে ঠেলে দেয়।
এই প্রক্রিয়ায় চাঁদ শক্তি অর্জন করলেও সেই শক্তি আসে পৃথিবীর ঘূর্ণন থেকে। ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতি ক্রমেই কমে যায় এবং দিনের দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। বর্তমানে প্রতি শতাব্দীতে পৃথিবীর দিন প্রায় এক থেকে দুই মিলিসেকেন্ড দীর্ঘ হচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক তথ্য বলছে, প্রায় ১০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর একদিন ছিল মাত্র ১৯ ঘণ্টার।
চাঁদের দূরে সরে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে সূর্যগ্রহণের ওপর। বর্তমানে সূর্য পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে এবং ব্যাসও প্রায় ৪০০ গুণ বড় হওয়ায় আকাশে দুটিকে প্রায় সমান আকারের দেখা যায়। এই বিরল জ্যামিতিক অবস্থানের কারণেই পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়। কিন্তু চাঁদ আরও দূরে চলে গেলে আকাশে তার দৃশ্যমান আকার ছোট হয়ে যাবে।
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি বছর পর পৃথিবী থেকে শেষবারের মতো পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এরপর কেবল বলয়াকার সূর্যগ্রহণই সম্ভব হবে।
শুধু সূর্যগ্রহণ নয়, দীর্ঘমেয়াদে মহাসাগরের জোয়ার-ভাটার উচ্চতাও কমে আসবে। এর প্রভাব পড়তে পারে উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র, সামুদ্রিক প্রাণীর প্রজনন চক্র এবং মৎস্যসম্পদের ওপর। যদিও এসব পরিবর্তন ঘটতে সময় লাগবে কোটি কোটি বছর, তবু বিজ্ঞানীদের কাছে এটি পৃথিবী-চাঁদ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি বিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।








