দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার ১১ উপায়

দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার ১১ উপায়
সিজেডএন ডেস্ক

তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ- সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিনই ভেঙে যাচ্ছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন, অসংখ্য প্রতিশ্রুতি আর সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। এর পেছনে যদিও নানবিধ কারণ থাকে। তবে বিচ্ছেদ মানেই যন্ত্রণা ও ভালোবাসার সমাপ্তি।
একসঙ্গে থাকলে ঠোকাঠুকি হবে, আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু অনেক সময় দুই পক্ষই সমঝোতা করতে চায় না। জেদ, অহংবোধ, কে বড় আর কে ছোট এমন বিষয়গুলো মনে পুষে রাখে। ফলে একসময় সেটা বড় আকার ধারণ করে বিচ্ছেদে রূপ নেয়। যদিও কিছু বিষয় মেনে চললে বিচ্ছেদের মতো বড় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কিছু কৌশল।
জড়িয়ে ধরে ঘুমান
রাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে পারেন। কারণ দুজন সঙ্গীর মধ্যে শারীরিক বন্ধন খুব গুরুত্বপূর্ণ। যত সময় সঙ্গীর বাহুবন্ধনে সময় কাটবে, ততই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে।
সঙ্গীর প্রতি মনোযোগী হন
সব সময় একে অপরের প্রতি গভীর মনোযোগ দিতে হবে। সঙ্গীকে গুরুত্ব দিতে হয়। আপনি ফোন দেখছেন, কিংবা কম্পিউটার টিপছেন, আর সঙ্গী কথা বলে যাচ্ছে। আপনি মনোযোগ না দিয়ে হু হু করে যাচ্ছেন, এতে সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে। আজকাল এটা বেশি দেখা যায়। এটা দাম্পত্য জীবনের জন্য মোটেও ভালো নয়। এছাড়া দুঃখের সময় বা অসুস্থ অবস্থায় সঙ্গীর পাশে লেগে থাকতে হবে।
যেখানেই থাকুন খোঁজ নিন
অফিসে কিংবা বাইরে যেখানেই থাকুন না কেনো, সব সময় সঙ্গীর খোঁজ নিতে হবে। অনেক সময় দুজনের মত সম্পূর্ণ বিপরীত হতে পারে, তারই মাঝে খুঁজতে হবে সমাধান। একে অপরে মনের কথা খুলে বলতে হবে।
একা সময় কাটান
দুজনে একসঙ্গে থাকলেও প্রত্যেকের নিজস্ব একটা সত্তা আছে। এজন্য কিছুটা সময় একলা কাটান। দুজন সঙ্গী গভীর প্রেমে বলেই দুজনকে সব সময় একত্রে থাকতে হবে তা নয়। তারা চাইবেন সব সময় একত্রে থাকতে, কিন্তু কিছু সময় একা থাকলে সেই সম্পর্ক ছুটে যাবে এমন নয়। সুন্দর সম্পর্কের নিজেকে সময় দেওয়াটা জরুরি।
একে অপরের প্রতি বিশ্বাস
দাম্পত্য জীবন সুখের অন্যতম প্রধান শর্ত পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস সম্পর্ককে জোরালো করে। কিন্তু যদি সন্দেহ ঢুকে যায়, তবে শেষ পর্যন্ত সেটা সম্পর্কচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
ক্ষমা করুন
মানুষ মাত্রই ভুল করে। এজন্য একে অপরকে ক্ষমা করতে হবে। সম্পর্কে সত্যিকারের কেয়ারিং থাকলে, ভালোবাসা থাকলে অন্যজন কষ্ট পাবেন না।
সঙ্গীর স্বপ্নকে সম্মান জানান
প্রত্যেকেরই আলাদা কোনো স্বপ্ন থাকতে পারে। এজন্য একে অপরের স্বপ্নকে সম্মান করতে হবে। নিজেদেরকে আরও ভালো করতে আর লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের মোটিভেট করে স্বপ্ন। প্রিয়জনের সমর্থন পেলে সে স্থানে পৌঁছানো সহজ হয়।
প্রশংসা করুন
সবসময় সমালোচনা করা ভালো নয়। একে অপরকে প্রশংসা করুন। সঙ্গীর যেকোনো সাফল্যে অভিনন্দন জানান। কোনো বিশেষ দিনে বা সময়ে সঙ্গীকে দারুণ দেখালে প্রশংসা করুন। সত্যিকার ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা পেলে সেটা চিরদিন মনে থাকে।
কষ্ট শেয়ার করুন
মানুষ সবসময় খুশি থাকবে এমন নয়। বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হতে পারে। তাই নিজের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা-ভয়-কষ্ট সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করুন। দুশ্চিন্তা, নিরাপত্তার অভাব, ভয় এসব হলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এরা সব সময় নিজে নিজে চলে যাবে এমন ধারণা অবাস্তব। তাই সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করলে, দুজনে মিলে একটা সমাধানে বের হওয়া যায়।
একে অপরকে সমর্থন দিন
সমস্যা যা-ই হোক, একে অপরকে সমর্থন দিতে হবে। প্রিয়জনের সমর্থন পেলে অনেক বড় সমস্যাও সমাধান করা যায়। জীবনের একটা সময়ে হয়তো কষ্টের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন, তখন যেভাবে সম্ভব তার পাশে থেকে সমর্থন দেওয়া উচিত। বিপদে একে অপরের পাশে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়ালে সম্পর্ক মধুর হবে।
দোষারোপ থেকে বিরত থাকুন
একে অপরকে দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকুন। সংসারে একটা কিছু ঘটলে সঙ্গীকে দোষারোপ করা খুব খারাপ। এতে সঙ্গী মনের মধ্যে কষ্ট পুষে রাখতে পারে। যা দাম্পত্য জীবনের জন্য ভালো নয়।

তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ- সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিনই ভেঙে যাচ্ছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন, অসংখ্য প্রতিশ্রুতি আর সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। এর পেছনে যদিও নানবিধ কারণ থাকে। তবে বিচ্ছেদ মানেই যন্ত্রণা ও ভালোবাসার সমাপ্তি।
একসঙ্গে থাকলে ঠোকাঠুকি হবে, আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু অনেক সময় দুই পক্ষই সমঝোতা করতে চায় না। জেদ, অহংবোধ, কে বড় আর কে ছোট এমন বিষয়গুলো মনে পুষে রাখে। ফলে একসময় সেটা বড় আকার ধারণ করে বিচ্ছেদে রূপ নেয়। যদিও কিছু বিষয় মেনে চললে বিচ্ছেদের মতো বড় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কিছু কৌশল।
জড়িয়ে ধরে ঘুমান
রাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে পারেন। কারণ দুজন সঙ্গীর মধ্যে শারীরিক বন্ধন খুব গুরুত্বপূর্ণ। যত সময় সঙ্গীর বাহুবন্ধনে সময় কাটবে, ততই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে।
সঙ্গীর প্রতি মনোযোগী হন
সব সময় একে অপরের প্রতি গভীর মনোযোগ দিতে হবে। সঙ্গীকে গুরুত্ব দিতে হয়। আপনি ফোন দেখছেন, কিংবা কম্পিউটার টিপছেন, আর সঙ্গী কথা বলে যাচ্ছে। আপনি মনোযোগ না দিয়ে হু হু করে যাচ্ছেন, এতে সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে। আজকাল এটা বেশি দেখা যায়। এটা দাম্পত্য জীবনের জন্য মোটেও ভালো নয়। এছাড়া দুঃখের সময় বা অসুস্থ অবস্থায় সঙ্গীর পাশে লেগে থাকতে হবে।
যেখানেই থাকুন খোঁজ নিন
অফিসে কিংবা বাইরে যেখানেই থাকুন না কেনো, সব সময় সঙ্গীর খোঁজ নিতে হবে। অনেক সময় দুজনের মত সম্পূর্ণ বিপরীত হতে পারে, তারই মাঝে খুঁজতে হবে সমাধান। একে অপরে মনের কথা খুলে বলতে হবে।
একা সময় কাটান
দুজনে একসঙ্গে থাকলেও প্রত্যেকের নিজস্ব একটা সত্তা আছে। এজন্য কিছুটা সময় একলা কাটান। দুজন সঙ্গী গভীর প্রেমে বলেই দুজনকে সব সময় একত্রে থাকতে হবে তা নয়। তারা চাইবেন সব সময় একত্রে থাকতে, কিন্তু কিছু সময় একা থাকলে সেই সম্পর্ক ছুটে যাবে এমন নয়। সুন্দর সম্পর্কের নিজেকে সময় দেওয়াটা জরুরি।
একে অপরের প্রতি বিশ্বাস
দাম্পত্য জীবন সুখের অন্যতম প্রধান শর্ত পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস সম্পর্ককে জোরালো করে। কিন্তু যদি সন্দেহ ঢুকে যায়, তবে শেষ পর্যন্ত সেটা সম্পর্কচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
ক্ষমা করুন
মানুষ মাত্রই ভুল করে। এজন্য একে অপরকে ক্ষমা করতে হবে। সম্পর্কে সত্যিকারের কেয়ারিং থাকলে, ভালোবাসা থাকলে অন্যজন কষ্ট পাবেন না।
সঙ্গীর স্বপ্নকে সম্মান জানান
প্রত্যেকেরই আলাদা কোনো স্বপ্ন থাকতে পারে। এজন্য একে অপরের স্বপ্নকে সম্মান করতে হবে। নিজেদেরকে আরও ভালো করতে আর লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের মোটিভেট করে স্বপ্ন। প্রিয়জনের সমর্থন পেলে সে স্থানে পৌঁছানো সহজ হয়।
প্রশংসা করুন
সবসময় সমালোচনা করা ভালো নয়। একে অপরকে প্রশংসা করুন। সঙ্গীর যেকোনো সাফল্যে অভিনন্দন জানান। কোনো বিশেষ দিনে বা সময়ে সঙ্গীকে দারুণ দেখালে প্রশংসা করুন। সত্যিকার ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা পেলে সেটা চিরদিন মনে থাকে।
কষ্ট শেয়ার করুন
মানুষ সবসময় খুশি থাকবে এমন নয়। বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হতে পারে। তাই নিজের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা-ভয়-কষ্ট সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করুন। দুশ্চিন্তা, নিরাপত্তার অভাব, ভয় এসব হলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এরা সব সময় নিজে নিজে চলে যাবে এমন ধারণা অবাস্তব। তাই সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করলে, দুজনে মিলে একটা সমাধানে বের হওয়া যায়।
একে অপরকে সমর্থন দিন
সমস্যা যা-ই হোক, একে অপরকে সমর্থন দিতে হবে। প্রিয়জনের সমর্থন পেলে অনেক বড় সমস্যাও সমাধান করা যায়। জীবনের একটা সময়ে হয়তো কষ্টের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন, তখন যেভাবে সম্ভব তার পাশে থেকে সমর্থন দেওয়া উচিত। বিপদে একে অপরের পাশে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়ালে সম্পর্ক মধুর হবে।
দোষারোপ থেকে বিরত থাকুন
একে অপরকে দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকুন। সংসারে একটা কিছু ঘটলে সঙ্গীকে দোষারোপ করা খুব খারাপ। এতে সঙ্গী মনের মধ্যে কষ্ট পুষে রাখতে পারে। যা দাম্পত্য জীবনের জন্য ভালো নয়।

দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার ১১ উপায়
সিজেডএন ডেস্ক

তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ- সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিনই ভেঙে যাচ্ছে দুটি পরিবারের স্বপ্ন, অসংখ্য প্রতিশ্রুতি আর সারাজীবন একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। এর পেছনে যদিও নানবিধ কারণ থাকে। তবে বিচ্ছেদ মানেই যন্ত্রণা ও ভালোবাসার সমাপ্তি।
একসঙ্গে থাকলে ঠোকাঠুকি হবে, আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু অনেক সময় দুই পক্ষই সমঝোতা করতে চায় না। জেদ, অহংবোধ, কে বড় আর কে ছোট এমন বিষয়গুলো মনে পুষে রাখে। ফলে একসময় সেটা বড় আকার ধারণ করে বিচ্ছেদে রূপ নেয়। যদিও কিছু বিষয় মেনে চললে বিচ্ছেদের মতো বড় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কিছু কৌশল।
জড়িয়ে ধরে ঘুমান
রাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে পারেন। কারণ দুজন সঙ্গীর মধ্যে শারীরিক বন্ধন খুব গুরুত্বপূর্ণ। যত সময় সঙ্গীর বাহুবন্ধনে সময় কাটবে, ততই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে।
সঙ্গীর প্রতি মনোযোগী হন
সব সময় একে অপরের প্রতি গভীর মনোযোগ দিতে হবে। সঙ্গীকে গুরুত্ব দিতে হয়। আপনি ফোন দেখছেন, কিংবা কম্পিউটার টিপছেন, আর সঙ্গী কথা বলে যাচ্ছে। আপনি মনোযোগ না দিয়ে হু হু করে যাচ্ছেন, এতে সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে। আজকাল এটা বেশি দেখা যায়। এটা দাম্পত্য জীবনের জন্য মোটেও ভালো নয়। এছাড়া দুঃখের সময় বা অসুস্থ অবস্থায় সঙ্গীর পাশে লেগে থাকতে হবে।
যেখানেই থাকুন খোঁজ নিন
অফিসে কিংবা বাইরে যেখানেই থাকুন না কেনো, সব সময় সঙ্গীর খোঁজ নিতে হবে। অনেক সময় দুজনের মত সম্পূর্ণ বিপরীত হতে পারে, তারই মাঝে খুঁজতে হবে সমাধান। একে অপরে মনের কথা খুলে বলতে হবে।
একা সময় কাটান
দুজনে একসঙ্গে থাকলেও প্রত্যেকের নিজস্ব একটা সত্তা আছে। এজন্য কিছুটা সময় একলা কাটান। দুজন সঙ্গী গভীর প্রেমে বলেই দুজনকে সব সময় একত্রে থাকতে হবে তা নয়। তারা চাইবেন সব সময় একত্রে থাকতে, কিন্তু কিছু সময় একা থাকলে সেই সম্পর্ক ছুটে যাবে এমন নয়। সুন্দর সম্পর্কের নিজেকে সময় দেওয়াটা জরুরি।
একে অপরের প্রতি বিশ্বাস
দাম্পত্য জীবন সুখের অন্যতম প্রধান শর্ত পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস সম্পর্ককে জোরালো করে। কিন্তু যদি সন্দেহ ঢুকে যায়, তবে শেষ পর্যন্ত সেটা সম্পর্কচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
ক্ষমা করুন
মানুষ মাত্রই ভুল করে। এজন্য একে অপরকে ক্ষমা করতে হবে। সম্পর্কে সত্যিকারের কেয়ারিং থাকলে, ভালোবাসা থাকলে অন্যজন কষ্ট পাবেন না।
সঙ্গীর স্বপ্নকে সম্মান জানান
প্রত্যেকেরই আলাদা কোনো স্বপ্ন থাকতে পারে। এজন্য একে অপরের স্বপ্নকে সম্মান করতে হবে। নিজেদেরকে আরও ভালো করতে আর লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের মোটিভেট করে স্বপ্ন। প্রিয়জনের সমর্থন পেলে সে স্থানে পৌঁছানো সহজ হয়।
প্রশংসা করুন
সবসময় সমালোচনা করা ভালো নয়। একে অপরকে প্রশংসা করুন। সঙ্গীর যেকোনো সাফল্যে অভিনন্দন জানান। কোনো বিশেষ দিনে বা সময়ে সঙ্গীকে দারুণ দেখালে প্রশংসা করুন। সত্যিকার ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা পেলে সেটা চিরদিন মনে থাকে।
কষ্ট শেয়ার করুন
মানুষ সবসময় খুশি থাকবে এমন নয়। বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হতে পারে। তাই নিজের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা-ভয়-কষ্ট সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করুন। দুশ্চিন্তা, নিরাপত্তার অভাব, ভয় এসব হলো জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এরা সব সময় নিজে নিজে চলে যাবে এমন ধারণা অবাস্তব। তাই সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করলে, দুজনে মিলে একটা সমাধানে বের হওয়া যায়।
একে অপরকে সমর্থন দিন
সমস্যা যা-ই হোক, একে অপরকে সমর্থন দিতে হবে। প্রিয়জনের সমর্থন পেলে অনেক বড় সমস্যাও সমাধান করা যায়। জীবনের একটা সময়ে হয়তো কষ্টের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন, তখন যেভাবে সম্ভব তার পাশে থেকে সমর্থন দেওয়া উচিত। বিপদে একে অপরের পাশে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়ালে সম্পর্ক মধুর হবে।
দোষারোপ থেকে বিরত থাকুন
একে অপরকে দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকুন। সংসারে একটা কিছু ঘটলে সঙ্গীকে দোষারোপ করা খুব খারাপ। এতে সঙ্গী মনের মধ্যে কষ্ট পুষে রাখতে পারে। যা দাম্পত্য জীবনের জন্য ভালো নয়।

ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় ‘একটি তালাক’, আবেদনে এগিয়ে নারীরা
মাইক্রোপ্লাস্টিক কী, মানবদেহে এর ক্ষতিকর প্রভাব




