সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী, কে এই ডেভিড ইমন

সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী, কে এই ডেভিড ইমন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ৩টার দিকে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিদেশে থাকা অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের হয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে রাউজান পর্যন্ত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করতেন তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া দুজনের একজন তিনি। ভারত থেকে দেশে প্রবেশের চার দিনের মাথায় তিনি পুনরায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন-এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অনুরোধে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানার মোট ৯টি টিম যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
কে এই ডেভিড ইমন?
ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার বাবা ওমানপ্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে মারা গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরের রহমানিয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর কলেজে ভর্তি হন ইমন। তবে এইচএসসি পরীক্ষা দেননি ইমন। তিনি ভালো ক্রিকেট খেলতেন। চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমিতেই ছিলো তার হাতেখড়ি। অনুশীলন করতেন কাজীর দেউড়ি স্টেডিয়ামে।
ইমনের ভালো সম্ভাবনা ছিলো বলে জানান চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমির সাবেক কোচ আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘বাঁহাতি লেগ স্পিনার (চায়নাম্যান) হিসেবে তার ভালো পরিচিতি ছিল। ব্যাটিংও ভালো করত। জাতীয় দলের খেলোয়াড় কিংবা বিদেশি দলের খেলোয়াড়েরা চট্টগ্রামে এলে নেট অনুশীলনে ইমন বল করত। কিন্তু হঠাৎ করেই খেলা থেকে উধাও হয়ে যায়।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন, একই বছরের ২৩ মে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা, হাটহাজারীতে জোড়া খুন, চান্দগাঁওয়ে আফতাব হত্যাসহ দুই বছরেই ৭ খুনের আসামি হয়েছেন ডেভিড ইমন। বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা হয়েছে।
ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হান্নান চৌধুরী ইমন বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে ভালো ক্রিকেট খেলত ইমন। পরে শহরে চলে আসে প্রশিক্ষণের জন্য। এরপর নানা অপরাধে তার নাম দেখতে পাই। একসময় দারুণ সম্ভাবনাময় তরুণ এখন সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, বিষয়টি দুঃখজনক।’
ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে পরিচয় ও সন্ত্রাসী হয়ে ওঠা
পরিবার ও আত্মীয়স্বনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২০ সালে করোনার পর ইমন পুরোপুরি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়বের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
২০২২ সালে ওমানে যান ইমন। বছরখানেক পর দেশে ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান। নগরের বায়েজীদ বোস্তামী এলাকার আতুরার ডিপো এলাকায় বসবাসকালে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর নগরের অক্সিজেন এলাকায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে ইমন সক্রিয় অংশগ্রহণ করে। এ ঘটনার পর তিনি বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের নজরে আসে। বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। এদের একজন ইমন।’
ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবির জন্য মানুষকে ফোন দিতো তারা। সবচেয়ে বেশি ফোন করতেন ইমন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নগরের বায়েজীদ বোস্তামী থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজ উদ্দিনকে ফোন করে হুমকি দেন ইমন। তিনি বলেন, ‘৫০ হাজার পুলিশ নিয়ে থাকলেও ঘরে গিয়ে মেরে ফেলব। তোর ভাইকে যেমন ১০ হাজার মানুষের মাঝখানে গুলি করে মেরেছি।’
এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রামের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ৩টার দিকে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিদেশে থাকা অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের হয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে রাউজান পর্যন্ত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করতেন তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া দুজনের একজন তিনি। ভারত থেকে দেশে প্রবেশের চার দিনের মাথায় তিনি পুনরায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন-এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অনুরোধে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানার মোট ৯টি টিম যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
কে এই ডেভিড ইমন?
ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার বাবা ওমানপ্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে মারা গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরের রহমানিয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর কলেজে ভর্তি হন ইমন। তবে এইচএসসি পরীক্ষা দেননি ইমন। তিনি ভালো ক্রিকেট খেলতেন। চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমিতেই ছিলো তার হাতেখড়ি। অনুশীলন করতেন কাজীর দেউড়ি স্টেডিয়ামে।
ইমনের ভালো সম্ভাবনা ছিলো বলে জানান চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমির সাবেক কোচ আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘বাঁহাতি লেগ স্পিনার (চায়নাম্যান) হিসেবে তার ভালো পরিচিতি ছিল। ব্যাটিংও ভালো করত। জাতীয় দলের খেলোয়াড় কিংবা বিদেশি দলের খেলোয়াড়েরা চট্টগ্রামে এলে নেট অনুশীলনে ইমন বল করত। কিন্তু হঠাৎ করেই খেলা থেকে উধাও হয়ে যায়।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন, একই বছরের ২৩ মে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা, হাটহাজারীতে জোড়া খুন, চান্দগাঁওয়ে আফতাব হত্যাসহ দুই বছরেই ৭ খুনের আসামি হয়েছেন ডেভিড ইমন। বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা হয়েছে।
ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হান্নান চৌধুরী ইমন বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে ভালো ক্রিকেট খেলত ইমন। পরে শহরে চলে আসে প্রশিক্ষণের জন্য। এরপর নানা অপরাধে তার নাম দেখতে পাই। একসময় দারুণ সম্ভাবনাময় তরুণ এখন সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, বিষয়টি দুঃখজনক।’
ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে পরিচয় ও সন্ত্রাসী হয়ে ওঠা
পরিবার ও আত্মীয়স্বনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২০ সালে করোনার পর ইমন পুরোপুরি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়বের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
২০২২ সালে ওমানে যান ইমন। বছরখানেক পর দেশে ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান। নগরের বায়েজীদ বোস্তামী এলাকার আতুরার ডিপো এলাকায় বসবাসকালে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর নগরের অক্সিজেন এলাকায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে ইমন সক্রিয় অংশগ্রহণ করে। এ ঘটনার পর তিনি বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের নজরে আসে। বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। এদের একজন ইমন।’
ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবির জন্য মানুষকে ফোন দিতো তারা। সবচেয়ে বেশি ফোন করতেন ইমন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নগরের বায়েজীদ বোস্তামী থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজ উদ্দিনকে ফোন করে হুমকি দেন ইমন। তিনি বলেন, ‘৫০ হাজার পুলিশ নিয়ে থাকলেও ঘরে গিয়ে মেরে ফেলব। তোর ভাইকে যেমন ১০ হাজার মানুষের মাঝখানে গুলি করে মেরেছি।’
এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী, কে এই ডেভিড ইমন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ৩টার দিকে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিদেশে থাকা অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের হয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে রাউজান পর্যন্ত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করতেন তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া দুজনের একজন তিনি। ভারত থেকে দেশে প্রবেশের চার দিনের মাথায় তিনি পুনরায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন-এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অনুরোধে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানার মোট ৯টি টিম যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
কে এই ডেভিড ইমন?
ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার বাবা ওমানপ্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে মারা গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরের রহমানিয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর কলেজে ভর্তি হন ইমন। তবে এইচএসসি পরীক্ষা দেননি ইমন। তিনি ভালো ক্রিকেট খেলতেন। চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমিতেই ছিলো তার হাতেখড়ি। অনুশীলন করতেন কাজীর দেউড়ি স্টেডিয়ামে।
ইমনের ভালো সম্ভাবনা ছিলো বলে জানান চট্টগ্রাম ব্রাদার্স একাডেমির সাবেক কোচ আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘বাঁহাতি লেগ স্পিনার (চায়নাম্যান) হিসেবে তার ভালো পরিচিতি ছিল। ব্যাটিংও ভালো করত। জাতীয় দলের খেলোয়াড় কিংবা বিদেশি দলের খেলোয়াড়েরা চট্টগ্রামে এলে নেট অনুশীলনে ইমন বল করত। কিন্তু হঠাৎ করেই খেলা থেকে উধাও হয়ে যায়।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন, একই বছরের ২৩ মে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা, হাটহাজারীতে জোড়া খুন, চান্দগাঁওয়ে আফতাব হত্যাসহ দুই বছরেই ৭ খুনের আসামি হয়েছেন ডেভিড ইমন। বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা হয়েছে।
ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হান্নান চৌধুরী ইমন বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে ভালো ক্রিকেট খেলত ইমন। পরে শহরে চলে আসে প্রশিক্ষণের জন্য। এরপর নানা অপরাধে তার নাম দেখতে পাই। একসময় দারুণ সম্ভাবনাময় তরুণ এখন সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, বিষয়টি দুঃখজনক।’
ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে পরিচয় ও সন্ত্রাসী হয়ে ওঠা
পরিবার ও আত্মীয়স্বনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২০ সালে করোনার পর ইমন পুরোপুরি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়বের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
২০২২ সালে ওমানে যান ইমন। বছরখানেক পর দেশে ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান। নগরের বায়েজীদ বোস্তামী এলাকার আতুরার ডিপো এলাকায় বসবাসকালে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর নগরের অক্সিজেন এলাকায় ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে ইমন সক্রিয় অংশগ্রহণ করে। এ ঘটনার পর তিনি বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের নজরে আসে। বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। এদের একজন ইমন।’
ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবির জন্য মানুষকে ফোন দিতো তারা। সবচেয়ে বেশি ফোন করতেন ইমন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নগরের বায়েজীদ বোস্তামী থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজ উদ্দিনকে ফোন করে হুমকি দেন ইমন। তিনি বলেন, ‘৫০ হাজার পুলিশ নিয়ে থাকলেও ঘরে গিয়ে মেরে ফেলব। তোর ভাইকে যেমন ১০ হাজার মানুষের মাঝখানে গুলি করে মেরেছি।’
এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে প্রতিষ্ঠানে হামলায় গ্রেপ্তার ৮





-CznNewsLab-f18c4d.jpg)

