বিমানবন্দরে ডাকাতির ‘ডালিম চক্র’, টার্গেটে প্রবাসী ও বিত্তবানরা

বিমানবন্দরে ডাকাতির ‘ডালিম চক্র’, টার্গেটে প্রবাসী ও বিত্তবানরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ডিবি, র্যাব ও পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। চক্রটি প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের টার্গেট করে তাদের প্রকাশ্যে গাড়িতে তুলে মারধরের পর টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রীসহ সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। পাশাপাশি বড় ধরনের ডাকাতির পর অন্যের বোর্ডিং পাস ব্যবহার করে দেশ ছাড়ার রেকর্ডও রয়েছে তার। এমনকি স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গেও অভিযুক্ত ডালিমের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অভিযুক্ত রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম চাঁদপুরের হাইমচরের খলিল প্রধানিয়া ওরফে আমজাদের ছেলে। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঢাকায় চলে আসেন ডালিম। এরপর থেকেই ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পরেন তিনি। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকবার জেলও কেটেছেন তিনি। এরপর আত্মগোপনে চলে যান ডালিম। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ডালিম আবারও সক্রিয় হন। সমাজের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিকে টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গেও ডালিমের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে, অভিযোগ উঠেছে, ডালিম চক্রের শিকার হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ করলে উল্টো হয়রানির মুখে পড়তে পারেন– এমন শঙ্কায় ঘটনা চেপে যান অনেকে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাত রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজেকে কোনো কোনো প্রভাবশালী নেতার কাছের মানুষ হিসাবে প্রচার করছেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের ‘অনীহা’ রয়েছে।
সবশেষ গত ২৩ জুলাই ডালিম চক্রের শিকার হন মোহাম্মদ রিয়াজ নামের এক ব্যবসায়ী। বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ওই ব্যবসায়ী ডিবি পরিচয়ে রিয়াজ ও তার সঙ্গে থাকা আজমীর হোসেনকে গাড়িতে তুলে বেধড়ক মারধর করে ডাকাতদলের সদস্যরা। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় হওয়া মামলায় ডালিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্তে নেমে চক্রটির বিষয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উদ্ধার করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. ইলিয়াস কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ডিবির পরিচয়ে অপরাধীরা এ ধরনের অপরাধ করলেও ডিবি জড়িত নয়। ডাকাতদলের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ব্যবহার করে থাকে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরা বিভাগের আওতাধীন এলাকা অনেক বড়। আমাদের যানবাহনের স্বল্পতা রয়েছে। তবুও বিমানবন্দর এলাকার ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধ বন্ধে প্রতিনিয়তই পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ডিবি, র্যাব ও পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। চক্রটি প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের টার্গেট করে তাদের প্রকাশ্যে গাড়িতে তুলে মারধরের পর টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রীসহ সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। পাশাপাশি বড় ধরনের ডাকাতির পর অন্যের বোর্ডিং পাস ব্যবহার করে দেশ ছাড়ার রেকর্ডও রয়েছে তার। এমনকি স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গেও অভিযুক্ত ডালিমের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অভিযুক্ত রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম চাঁদপুরের হাইমচরের খলিল প্রধানিয়া ওরফে আমজাদের ছেলে। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঢাকায় চলে আসেন ডালিম। এরপর থেকেই ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পরেন তিনি। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকবার জেলও কেটেছেন তিনি। এরপর আত্মগোপনে চলে যান ডালিম। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ডালিম আবারও সক্রিয় হন। সমাজের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিকে টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গেও ডালিমের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে, অভিযোগ উঠেছে, ডালিম চক্রের শিকার হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ করলে উল্টো হয়রানির মুখে পড়তে পারেন– এমন শঙ্কায় ঘটনা চেপে যান অনেকে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাত রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজেকে কোনো কোনো প্রভাবশালী নেতার কাছের মানুষ হিসাবে প্রচার করছেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের ‘অনীহা’ রয়েছে।
সবশেষ গত ২৩ জুলাই ডালিম চক্রের শিকার হন মোহাম্মদ রিয়াজ নামের এক ব্যবসায়ী। বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ওই ব্যবসায়ী ডিবি পরিচয়ে রিয়াজ ও তার সঙ্গে থাকা আজমীর হোসেনকে গাড়িতে তুলে বেধড়ক মারধর করে ডাকাতদলের সদস্যরা। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় হওয়া মামলায় ডালিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্তে নেমে চক্রটির বিষয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উদ্ধার করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. ইলিয়াস কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ডিবির পরিচয়ে অপরাধীরা এ ধরনের অপরাধ করলেও ডিবি জড়িত নয়। ডাকাতদলের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ব্যবহার করে থাকে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরা বিভাগের আওতাধীন এলাকা অনেক বড়। আমাদের যানবাহনের স্বল্পতা রয়েছে। তবুও বিমানবন্দর এলাকার ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধ বন্ধে প্রতিনিয়তই পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

বিমানবন্দরে ডাকাতির ‘ডালিম চক্র’, টার্গেটে প্রবাসী ও বিত্তবানরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ডিবি, র্যাব ও পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। চক্রটি প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের টার্গেট করে তাদের প্রকাশ্যে গাড়িতে তুলে মারধরের পর টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রীসহ সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। পাশাপাশি বড় ধরনের ডাকাতির পর অন্যের বোর্ডিং পাস ব্যবহার করে দেশ ছাড়ার রেকর্ডও রয়েছে তার। এমনকি স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গেও অভিযুক্ত ডালিমের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অভিযুক্ত রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম চাঁদপুরের হাইমচরের খলিল প্রধানিয়া ওরফে আমজাদের ছেলে। ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঢাকায় চলে আসেন ডালিম। এরপর থেকেই ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পরেন তিনি। ২০১৮ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকবার জেলও কেটেছেন তিনি। এরপর আত্মগোপনে চলে যান ডালিম। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ডালিম আবারও সক্রিয় হন। সমাজের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিকে টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গেও ডালিমের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে, অভিযোগ উঠেছে, ডালিম চক্রের শিকার হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ করলে উল্টো হয়রানির মুখে পড়তে পারেন– এমন শঙ্কায় ঘটনা চেপে যান অনেকে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাত রতন চৌধুরী ওরফে ডালিম বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজেকে কোনো কোনো প্রভাবশালী নেতার কাছের মানুষ হিসাবে প্রচার করছেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের ‘অনীহা’ রয়েছে।
সবশেষ গত ২৩ জুলাই ডালিম চক্রের শিকার হন মোহাম্মদ রিয়াজ নামের এক ব্যবসায়ী। বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ওই ব্যবসায়ী ডিবি পরিচয়ে রিয়াজ ও তার সঙ্গে থাকা আজমীর হোসেনকে গাড়িতে তুলে বেধড়ক মারধর করে ডাকাতদলের সদস্যরা। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় হওয়া মামলায় ডালিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্তে নেমে চক্রটির বিষয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উদ্ধার করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. ইলিয়াস কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ডিবির পরিচয়ে অপরাধীরা এ ধরনের অপরাধ করলেও ডিবি জড়িত নয়। ডাকাতদলের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ব্যবহার করে থাকে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরা বিভাগের আওতাধীন এলাকা অনেক বড়। আমাদের যানবাহনের স্বল্পতা রয়েছে। তবুও বিমানবন্দর এলাকার ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধ বন্ধে প্রতিনিয়তই পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

প্লট-ফ্ল্যাট বিক্রির নামে ভয়ঙ্কর প্রতারণা, ডোম-ইনো
লিমিটেডে অবসায়ক নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের








