বনানীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা

বনানীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানী এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক বাসার গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পিংকি নামের ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী ৯ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসার গৃহকর্মী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জে।
রবিবার (৮ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ বনানী ১৩/এ সড়কের ডি ব্লকের ৭৯ নম্বর বাসার নিচ থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে।
বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান বলেন, তৃতীয় তলার ছাদ থেকে লাফ দেওয়ার সুযোগ নেই, ছাদ থেকেই পড়েছে। এখন সে নিজে লাফ দিয়েছে, নাকি তাকে কেউ ফেলে দিয়েছে সে বিষয়ে আমরা এখনো নিশ্চিত নই।
পিংকি তৃতীয় তলায় যার বাসায় কাজ করতেন সেই গৃহকর্তার নাম রাকিবুল হাসান। তিনি ওই বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন।
মেয়েটি পড়ে যাওয়ার পর আশপাশের উত্তেজিত জনতা অভিযোগ করেন, তাকে ‘নির্যাতন করে’ ফেলে দেওয়া হয়েছে।
একপর্যায়ে উত্তেজিত একদল লোক গেট দিয়ে বাসার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পরে বাড়তি পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বাসার সিসিটিভি ভিডিও যাচাই-বাছাই করছি। বাসার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সে একাই দরজা খুলে বেরিয়ে গেছে। এখন ছাদে সে একাই উঠেছে, নাকি তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।
গৃহকর্তা রাকিবুলের বরাতে পুলিশ বলছে, ওই বাসায় আরো একজন গৃহকর্মী আছেন। তিনি পিংকির পূর্বপরিচিত। মোবাইল ফোনে কারো সঙ্গে ‘কথা বলা নিয়ে ঝামেলা থেকে’ এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে গৃহকর্তা ধারণা করছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মেহেদী বলেন, ক্রাইম সিন টিম এসেছে, তারা সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবেন। কোনো কিছু জব্দের প্রয়োজন হলে আমরা সেটি করব। ক্রাইম সিট টিমের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, প্রয়োজনে গৃহকর্তাসহ অন্য আরেকজন গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর বনানী এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক বাসার গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পিংকি নামের ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী ৯ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসার গৃহকর্মী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জে।
রবিবার (৮ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ বনানী ১৩/এ সড়কের ডি ব্লকের ৭৯ নম্বর বাসার নিচ থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে।
বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান বলেন, তৃতীয় তলার ছাদ থেকে লাফ দেওয়ার সুযোগ নেই, ছাদ থেকেই পড়েছে। এখন সে নিজে লাফ দিয়েছে, নাকি তাকে কেউ ফেলে দিয়েছে সে বিষয়ে আমরা এখনো নিশ্চিত নই।
পিংকি তৃতীয় তলায় যার বাসায় কাজ করতেন সেই গৃহকর্তার নাম রাকিবুল হাসান। তিনি ওই বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন।
মেয়েটি পড়ে যাওয়ার পর আশপাশের উত্তেজিত জনতা অভিযোগ করেন, তাকে ‘নির্যাতন করে’ ফেলে দেওয়া হয়েছে।
একপর্যায়ে উত্তেজিত একদল লোক গেট দিয়ে বাসার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পরে বাড়তি পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বাসার সিসিটিভি ভিডিও যাচাই-বাছাই করছি। বাসার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সে একাই দরজা খুলে বেরিয়ে গেছে। এখন ছাদে সে একাই উঠেছে, নাকি তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।
গৃহকর্তা রাকিবুলের বরাতে পুলিশ বলছে, ওই বাসায় আরো একজন গৃহকর্মী আছেন। তিনি পিংকির পূর্বপরিচিত। মোবাইল ফোনে কারো সঙ্গে ‘কথা বলা নিয়ে ঝামেলা থেকে’ এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে গৃহকর্তা ধারণা করছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মেহেদী বলেন, ক্রাইম সিন টিম এসেছে, তারা সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবেন। কোনো কিছু জব্দের প্রয়োজন হলে আমরা সেটি করব। ক্রাইম সিট টিমের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, প্রয়োজনে গৃহকর্তাসহ অন্য আরেকজন গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান তিনি।

বনানীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানী এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের ছাদ থেকে পড়ে এক বাসার গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পিংকি নামের ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী ৯ তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসার গৃহকর্মী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জে।
রবিবার (৮ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ বনানী ১৩/এ সড়কের ডি ব্লকের ৭৯ নম্বর বাসার নিচ থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে।
বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান বলেন, তৃতীয় তলার ছাদ থেকে লাফ দেওয়ার সুযোগ নেই, ছাদ থেকেই পড়েছে। এখন সে নিজে লাফ দিয়েছে, নাকি তাকে কেউ ফেলে দিয়েছে সে বিষয়ে আমরা এখনো নিশ্চিত নই।
পিংকি তৃতীয় তলায় যার বাসায় কাজ করতেন সেই গৃহকর্তার নাম রাকিবুল হাসান। তিনি ওই বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন।
মেয়েটি পড়ে যাওয়ার পর আশপাশের উত্তেজিত জনতা অভিযোগ করেন, তাকে ‘নির্যাতন করে’ ফেলে দেওয়া হয়েছে।
একপর্যায়ে উত্তেজিত একদল লোক গেট দিয়ে বাসার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পরে বাড়তি পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরিদর্শক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বাসার সিসিটিভি ভিডিও যাচাই-বাছাই করছি। বাসার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সে একাই দরজা খুলে বেরিয়ে গেছে। এখন ছাদে সে একাই উঠেছে, নাকি তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।
গৃহকর্তা রাকিবুলের বরাতে পুলিশ বলছে, ওই বাসায় আরো একজন গৃহকর্মী আছেন। তিনি পিংকির পূর্বপরিচিত। মোবাইল ফোনে কারো সঙ্গে ‘কথা বলা নিয়ে ঝামেলা থেকে’ এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে গৃহকর্তা ধারণা করছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মেহেদী বলেন, ক্রাইম সিন টিম এসেছে, তারা সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবেন। কোনো কিছু জব্দের প্রয়োজন হলে আমরা সেটি করব। ক্রাইম সিট টিমের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, প্রয়োজনে গৃহকর্তাসহ অন্য আরেকজন গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান তিনি।




