শিরোনাম

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত

২৩: ১৭

আবারও চ্যাম্পিয়ন ভারত

আবারও চ্যাম্পিয়ন ভারত
বিশ্বকাপ জয়ের পর পতাকা হাতে ভারতীয় খেলোয়াড়দের উদযাপন। ছবি: ক্রিকইনফো

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে টানা দ্বিতীয় এবং সব মিলিয়ে তৃতীয়বার শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়লো ভারত। আহমেদাবাদে রবিবার (৮ মার্চ) ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৫৫ রান। জবাবে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামে ১৫৯ রানে।

জয় নিশ্চিত বুঝেই ১৯তম ওভারে অভিষেককে বোলিংয়ে নিয়ে আসেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার। এই ওভারে তার শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে আউট ডাফি। ৯৬ রানের জয়ে আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।

সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটে প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়লো সূর্যকুমারের দল।

প্রায় ৮৬ হাজার দর্শকের গর্জনে কেঁপেছে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। আর কেঁপেছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং।

তৃতীয় ওভারে ফিন অ্যালেনের উইকেট দিয়ে শুরু। এরপর যতই ম্যাচের সময় গড়িয়েছে জয়ের আরও কাছে গেছে ভারত। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল ৫২/৩। ১০ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৫ উইকেটে ৮৮।

ওপেনার টিম সেইফার্ট করেন ২৬ বলে ৫২। স্যান্টনার করেন ৪৩ রান। কিউইদের ব্যাটিং বলতে গেলে এটুকই। ড্যারেল মিচেলের ১৭ রান বাদে বাকিরা এক অঙ্কের ঘরে রান করেন।

জাসপ্রিত বুমরা নেন ৪ উইকেট। বুমরা ও বরুণ সমান ১৪টি করে উইকেট নিয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।

জয়ের পর ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে বুমরা বলেন, ‘নিজেকে বিশেষ কিছু মনে হচ্ছে। কারণ এর আগে ঘরের মাঠে (২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ) ফাইনাল খেলে জিততে পারিনি। আজ জিতলাম। উইকেট ফ্লাট ছিল, নিজের সব অভিজ্ঞতা ঢেলে দিয়েছি।’

২৩: ০৩

হ্যাটট্রিক হলো না বুমরার

নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ১৬তম ওভারে বল করতে এসে পর পর দুই বলে দুই উইকেট নেন জাসপ্রিত বুমরা। ওভারে বুমরার তৃতীয় বলে বোল্ড জিমি নিশাম (৮)। ফুল টস বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি।

চতুর্থ বলে আবারও স্লোয়ার করেন বুমরা। এবার বোল্ড হন ম্যাট হেনরি (০)। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে অবশ্য পারেননি বুমরা।

১৬ ওভারে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৮ উইকেটে ১৪৩ রান।

২২: ৪৭

৬ ওভারে দরকার ১২২!

ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে নেমে আগে বোলিংটা ভালো করেনি নিউজিল্যান্ড। এরপর ২৫৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ব্যাটিংও ভালো করছে না কিউইরা।

শেষ ৬ ওভারে তাদের দরকার ১২২ রান! হাতে আছে ৪ উইকেট।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৫২ রান করেন ওপেনার টিম সেইফার্ট। এরপর চার ব্যাটসম্যান ফেরেন এক অঙ্কের ঘরে রান করে।

২২: ৩৬

মাঠে হালকা উত্তেজনা

১০.৪ ওভারে অর্শদীপের বলে রান পাননি ড্যারিল মিচেল। বল অর্শদীপের হাতে থাকতে ক্রিজ থেকে একটু বেরিয়ে এসেছিলেন মিচেল। অর্শদীপ স্টাম্পে থ্রো করতে গিয়ে বল মিচেলের পায়ে লাগান।

বেশ জোরেই লাগে বল। মিচেল রাগে তেঁড়েফুঁড়ে যান অর্শদীপের দিকে। অর্শদীপ ঘুরে বোলিং মার্কে চলে যাওয়ায় উত্তেজনা আর বাড়েনি। পরে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেন ড্যারেল মিচেল।

২২: ২৪

৯ ওভারেই ৫ উইকেট নেই নিউজিল্যান্ডের

৯ ওভারেই ৫ উইকেট নেই নিউজিল্যান্ডের
দারুণ এক ক্যাচ ধরেন ইশান কিষান। ছবি: ক্রিকইনফো

ভারতের বিপক্ষে ২৫৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাওয়ার প্লের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। চ্যাপমান আউট হলে দলীয় ৭০ রানে তারা হারায় চতুর্থ উইকেট।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন টিম সেইফার্ট। কিন্তু নবম ওভারে দলীয় ৭২ রানে আউট হন সেইফার্টও। ফেরার আগে সেইফার্ট ২৬ বলে ৫২ রান করেন।

৯ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৮০ রান।

২২: ১১

পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ড ৫২/৩

২৫৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাওয়ার প্লেতে অর্থাৎ ৬ ওভারে নিউজিল্যান্ড তোলে ৩ উইকেটে ৫২ রান। আউট হয়েছেন ফিন অ্যালেন (৯), রাচিন রবীন্দ্র (১) ও গ্লেন ফিলিপস (৫)।

একপ্রান্ত আগলে রেখে কিউইদের এগিয়ে নিচ্ছেন টিম সেইফার্ট। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মার্ক চ্যাপমান।

২২: ০৩

অক্ষরে উপড়ে গেল ফিলিপসের স্টাম্প

পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলে অক্ষর প্যাটেল বোল্ট করেন গ্লেন ফিলিপসকে। তিনি ফেরেন মাত্র ৫ রান করে। ৫ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৩ উইকেটে ৪৭।

২১: ৫৭

৪ ওভারে ২ উইকেট নেই কিউইদের

৪ ওভারে ২ উইকেট নেই কিউইদের
টিম শেইফার্ট। ছবি: ক্রিকইনফো

নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে তৃতীয় ওভারে স্পিনার অক্ষর প্যাটেলকে এনে ফিন অ্যালেনকে তুলে নেয় ভারত।

ওভারের চতুর্থ বলে তাকে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে তিলককে ক্যাচ দেন অ্যালেন (৭ বলে ৯)। খাটো লেংথের বলটি বেশি নিচে ছিল। টেনে তুলতে পারেননি অ্যালেন।

ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে আসেন রাচিন রবীন্দ্র। তবে চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে আউট হন তিনিও।

রান তাড়া করতে নেমে চার ওভারে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ২ উইকেটে

২১: ২৯

ভারত ৫ উইকেটে ২৫৫

ভারত ৫ উইকেটে ২৫৫
৮ বলে অপরাজিত ২৬ করেন শিবম দুবে। ছবি: ক্রিকইনফো

১৯তম ওভার শেষে ভারতের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ২৩১। শেষ ওভারে বল করতে আসেন জিমি নিশাম। প্রথম বলে ক্যাচ তুলেছিলেন শিবম দুবে। তবে সেটি মিস করেন মিচেল স্যান্টনার।

পরে ওই ওভারে মোট ২৪ রান তোলেন দুবে। শেষ পর্যন্ত দুবে ৮ বলে ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন দুবে। আর ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৫৫ রান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। আহমেদাবাদের মাঠে এটি সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি স্কোর।

ভারত প্রথম ১০ ওভারে তুলেছে ১ উইকেটে ১২৭। পরের ১০ ওভারে আরও ৪ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১২৮। এর মধ্যে শেষ ৫ ওভারেই হারিয়েছে ৪ উইকেট, রান উঠেছে ৫২।

৪৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার স্যামসন। ৮ ছক্কায় ইনিংসটি সাজানোর পথে এবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিকও হন তিনি। আরেক ওপেনার অভিষেকের ব্যাট থেকে এসেছে ২১ বলে ৫২ রানের ইনিংস। ৭.১ ওভারে তাঁদের জুটিতে উঠেছে ৯৮ রান। ২৫ বলে ৫৪ রান ঈশান দ্বিতীয় উইকেটে স্যামসনের সঙ্গে ৪৮ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়েন।

৪৬ রানে ৩ উইকেট নেন কিউই পেসার নিশাম।

২০: ৫৮

নিশামের এক ওভারে ভারতের তিনজন আউট

নিশামের এক ওভারে ভারতের তিনজন আউট
দারুণ এক ক্যাচ ধরেন রাচিন রবীন্দ্র। ছবি: ক্রিকইনফো

অভিজ্ঞতার মূল্য বোঝালেন অলরাউন্ডার জিমি নিশাম। ইনিংসের ১৬তম ওভারে তিনি আউট করেছেন সঞ্জু স্যামসন, ইশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদবকে।

১৬ তম ওভারের প্রথম বলে লং অনে বদলি ফিল্ডার ম্যাককোনকিকে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেন স্যামসন। ৪৬ বলে ৮ ছক্কা ও ৫ চারে ৮৯ রানের দারুণ এক ইনিংস খেললেন এই ওপেনার।

চতুর্থ বলে আউট করেন ইশান কিষান। ৪ ছক্কা ও ৪ চারে ২৫ বলে করেছেন ৫৪। ওভারের শেষ বলে তিনি ফেরান সূর্যকুমারকে।

২০: ৪৭

১৫ ওভারে ২০৩

ভারতীয় সমর্থকরা হয়তো ধন্যবাদ দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারকে। তিনিই যে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতকে।

১৫ ওভারে ভারত তুলেছে ১ উইকেটে ২০৩ রান। ইশান কিষান ২৪ বলে ৫৪ ও সঞ্জু স্যামসন ৪৫ বলে ৮৯ রানে অপরাজিত আছেন।

২০: ৩৫

১৩ ওভারেই ভারত ১৭১

১৩ ওভারেই ভারত ১৭১
৩৩ বলে ফিফটি করেন স্যামসন। ছবি: ক্রিকইনফো

ভারত ১৩ ওভারে তুলেছে ১ উইকেটে ১৭১ রান। শেষ ৭ ওভারে কত করবে তারা।

স্যামসন ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৩৩ বলে। তিনি অপরাজিত আছেন ৬৯ রানে। আর ১৮ বলে ৪২ রানে অপরাজিত ইশান কিষান।

২০: ১৬

অভিষেক আউট

অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার এসে সপ্তম ওভারে ৬ রান দেন। অষ্টম ওভারে আরেক বাঁহাতি স্পিনার রাচিন রবীন্দ্র প্রথম বলেই অভিষেককে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করেন। তার ফুল লেংথে করা বেশ বাইরের বল তুলে মারতে গিয়ে উইকেটকিপার টিম সাইফার্টকে ক্যাচ দেন অভিষেক (২১ বলে ৫২)।

৯৮ রানে ভাঙলো অভিষেক ও স্যামনের ওপেনিং জুটি। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনালে এর আগে কখনো পঞ্চাশ রানের ওপেনিং জুটি দেখা যায়নি।

২০: ১০

রেকর্ড গড়ে ভারত ৬ ওভারে ৯২

রেকর্ড গড়ে ভারত ৬ ওভারে ৯২
৬ ওভারে ৯২ রান তুলে রেকর্ড গড়েছেন স্যামসন ও অভিষেক। ছবি: ক্রিকইনফো

ইনিংসের তৃতীয় ওভার থেকে রান জোয়ার শুরু হয় ভারতের। তৃতীয় ওভারে ১৫, চতুর্থ ওভারে ২৪, পঞ্চম ওভারে ভারত নেয় ২১ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার অর্থাৎ ষষ্ঠ ওভারে আসে ২০ রান। তাতে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ভারত তোলে বিনা উইকেটে ৯২ রান।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাওয়ার প্লেতে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

এরই মধ্যে ফিফটি পূর্ণ করেন অভিষেক শর্মা। তিনি ১৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড অভিষেকের। সেমিফাইনালে ফিন অ্যালেন ও জ্যাকব বেথেল ১৯ বলে ফিফটি করেছিলেন।

১৯: ৫৩

এক ওভারেই এলো ২৪

স্যান্টনার চতুর্থ ওভারে বল তুলে দেন ফার্গুসনের হাতে। তার ওভার থেকে স্যামসন ও অভিষেক নেন ২৪ রান। তাতে চার ওভারেই মধ্যেই পঞ্চাশ পূর্ণ হলো ভারতের।

চার ওভারে বিনা উইকেটে ৫১ রান তুলেছে ভারত।

১৯: ৪৫

তিন ওভারে তিনজন বোলার

প্রথম ওভারে বল করেন ম্যাট হেনরি। দ্বিতীয় ওভারে স্পিন আক্রমণ আনেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। গ্লেন ফিলিপস সেই ওভার করার পর তৃতীয় ওভারে আরেক বোলারকে দিয়ে বল করান কিউই অধিনায়ক।

তৃতীয় ওভারে বল করেন জ্যাকব ডাফি। তবে ওভারটি ব্যয়বহুল ছিল। ওভারে আসে তিনটি চার। ওভারে আসে মোট ১৫ রান। তিন ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৭ রান।

১৯: ৩৯

২ ওভারে ভারত ১২

ইনিংসের প্রথম ওভার বল করেন ম্যাট হেনরি। প্রথম ওভারে আসে ৭ রান। ৬ বল খেলে ৭ রান নেন সঞ্জু স্যামসন। ওভারে একটি চার আসে।

দ্বিতীয় ওভারেই স্পিন আক্রমণ আনেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। গ্লেন ফিলিপসের ওভার থেকে আসে ৫ রান।

১৯: ২৫

দুই দলের একাদশে আছেন যারা

ফাইনাল ম্যাচে ভারতের একাদশে নেই কোনো পরির্বতন। সেমিফাইনালে খেলা একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছে তারা। নিউজিল্যান্ড দলে আছে একটি পরিবর্তন। দেখে নেওয়া যাক দুই দলের শুরুর একাদশ।

নিউজিল্যান্ড একাদশ: ফিন অ্যালেন, টিম সাইফার্ট (উইকেটকিপার), রাচিন রবীন্দ্র, গ্লেন ফিলিপস, মার্ক চাপম্যান, ড্যারিল মিচেল, মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), জিমি নিশাম, ম্যাট হেনরি, জ্যাকব ডাফি ও লকি ফার্গুসন।

ভারত একাদশ: সঞ্জু স্যামসন, অভিষেক শর্মা, ইশান কিষান (উইকেটকিপার), সুর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, তিলক ভার্মা, অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে, অর্শদীপ সিং, বরুন চক্রবর্তী জাসপ্রিত বুমরা।

১৯: ১৭

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে নিউজিল্যান্ড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। কিউই অধিনায়ক জানিয়েছেন, কোল ম্যাকোনকির জায়গায় দলে ঢুকেছেন জ্যাকব ডাফি।

ভারতের অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব জানান, টসে জিতলে তিনি আগে ব্যাটিংই করতেন। ভারতের একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই।

১৯: ১৪

পিচ রিপোর্ট

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ (রবিবার) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল শুরু বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। মরগান ও ইয়ান বিশপ মনে করেন এই পিচ হবে রানপ্রসবা। লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে বানানো এ পিচ অতিরিক্ত মন্থর নয়। অতিরিক্ত বাউন্সও নেই।